লিভ ইনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ, 'পরিণতি' পেল ফাতিমা-আদিলার ভালোবাসা https://ift.tt/hBsS5OZ - MAS News bengali

লিভ ইনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ, 'পরিণতি' পেল ফাতিমা-আদিলার ভালোবাসা https://ift.tt/hBsS5OZ

পরনে জমকালো লেহেঙ্গা। কেরালার সমুদ্রসৈকতে ব্রাইডাল ফটোশ্যুট সেরে ফেললেন আদিলা নাসরিন এবং ফাতিমা নুরা। ইতিমধ্যেই সমপ্রেমী দম্পতির ওয়েডিং ফটোশ্যুট ভাইরাল নেটপাড়ায়। সমাজ তাঁদের আলাদা করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিল। পরিবার-পরিজনরাও সম্পর্কের বিরুদ্ধে ছিল। তবে স্কুলবেলার প্রেম আগলে রাখার লড়াইটা চালিয়ে গিয়েছেন আদিলা ও ফাতিমা। ভালোবাসার জন্য অনেক ঝড়ঝাপটা এসেছে জীবনে। অবশেষে পরিণতি পেয়েছে তাঁদের ভালোবাসা। চলতি বছরের জুন মাস থেকেই শিরোনামে রয়েছেন দুই যুবতী। আসলে ওই মাসেই কেরালা হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করে লিভ ইনের অনুমতি চেয়েছিলেন তাঁরা। এরপর থেকেই চর্চায় চলে আসেন। আদিলা এবং ফাতিমার পরিবার নাকি তাঁদের আলাদা করার বহু চেষ্টা করেছে। কিন্তু, যাবতীয় চেষ্টাকে বিফল করে একসঙ্গে পথচলার অঙ্গীকার করলেন দু' জনে। যদিও বিয়ে করেননি তাঁরা। শুধুমাত্র ব্রাইডাল ফটোশ্যুট করে নজর কেড়েছেন। ২৩ বছরের ফাতিমা নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে তাঁদের রোমান্টিক ছবিগুলি আপলোড করে লেখেন, "অ্যাচিভমেন্ট আনলকড: টুগেদার ফরেভার।" এদিকে আদিলার কথায়, "আমার সঙ্গে আজীবনের বাঁধনে জড়ালে তুমি… অভিনন্দন।" রুপোলি গয়না এবং ভারী লেহেঙ্গায় দুর্দান্ত লাগছিল সমপ্রেমী দুই যুবতীকে। পরস্পরকে গোলাপের মালা পরিয়ে নতুন জীবনের দিকে পা বাড়িয়েছেন তাঁরা। কেটেছেন রামধনু রঙের (প্রাইড কালার) কেক। ভারতে এখনও সমপ্রেমীদের বিয়েকে বৈধতা দেওয়া হয়নি। তবে ২০১৮ সালে সমপ্রেমে জড়ানোর বিষয়টিকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সমপ্রেমী দম্পতিরা সইসাবুদ করে বিয়ে না করতে পারলেও, সামাজিক নিয়মে বিয়ে করছেন। আদিলা এবং ফাতিমাও সেই পথে হাঁটার চেষ্টা করছেন। আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমকে নুরা বলেন, "আমরা ফটোশ্যুট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কারণ, বিষয়টিকে বেশ ইন্টারেস্টিং বলেই মনে হয়েছিল।" এদিকে নাসরিন বলেন, "আমরা এখনও বিয়ে করিনি। তবে বিয়ে করার ইচ্ছে রয়েছে। জীবনের কোনও একটা পর্যায়ে অবশ্যই বিয়েটা সেরে ফেলব আমরা।" আদিলা এবং ফাতিমার প্রেমের সূত্রপাত স্কুল জীবন থেকেই। সেই সময় থেকেই পরস্পরের প্রেমে হাবুডুবু খেতে শুরু করেন তাঁরা। তবে ওই সময় তাঁদের প্রেমের পথের কাঁটা ছিল পরিবার। অনেক রক্তচক্ষু পেরতে হয়েছিল তাঁদের। শুভানুধ্যায়ীরা পরামর্শ দিয়েছিলেন, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি খোঁজার। সেই পরামর্শ মোতাবেক এগিয়েছিলেন আদিলা এবং ফাতিমা। কোভিডের সময় ফাতিমাকে জোর করে সৌদি আরবে নিয়ে গিয়েছিল তাঁর পরিবার। তবে প্রেমের টানে শত বাধা পেরিয়ে ফিরে আসেন তিনি। দম্পতি জানিয়েছে, আজও নাকি পরিবারের তরফে অনেক হুমকি দেওয়া হয় তাঁদের।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/yQJU0li
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads