সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে নয়া মোড়, 2.6 লাখ ব্যক্তির নামে ভুয়ো লোন! https://ift.tt/LyX3N5j - MAS News bengali

সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে নয়া মোড়, 2.6 লাখ ব্যক্তির নামে ভুয়ো লোন! https://ift.tt/LyX3N5j

DHFL Bank Fraud: চলতি বছরের শুরুতে সামনে এসেছিল দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা। ঘটনায় দেওয়ান হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেড বা Dewan Housing Finance Ltd. (DHFL)-এর প্রাক্তন CMD কপিল ওয়াধওয়ান ও ডিরেক্টর ধীরাজ ওয়াধাওয়ান-সহ সংস্থার অন্য আধিকারিকদের বিরুদ্ধে CBI 34,614 কোটি টাকার বিশাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলা করেছিল। আর সম্প্রতি, Central Bureau of Investigation (CBI) এই মামলার বিষয়ে আরও একাধিক তথ্য সামনে এনেছে। CBI দাবি করেছে, DHFL তাঁদের সমস্ত ভুয়ো কার্যকলাপ চালানোর জন্য 87টি শেল কোম্পানি খুলেছিল। এই শেল কোম্পানি আসলে, সেই কোম্পানি যেগুলির অস্তিত্ব থাকে শুধুই খাতায় কলমে। আসলে সেই কোম্পানিগুলির কোনও অফিস বা কর্মী নেই। কোম্পানিগুলি কোনও কাজও করে না। শুধুমাত্র অন্য একটি কোম্পানির ব্যবসা গোপন করতেই এমন একাধিক কোম্পানি খোলা হয়। ঠিক সেই কারণেই এর নাম শেলি কোম্পানি বা আবরণ কোম্পানি। পাশাপাশি কোম্পানিটি 2 লাখ 60 হাজার ভুয়ো লোনের কাগজপত্র করিয়েছিল বলে দাবি CBI-এর। একটি সংবাদমাধ্যমে দাবি, ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়া টাকা সরিয়ে রাখার জন্য একটি 'ভার্চুয়াল ব্রাঞ্চ'ও খোলা হয়েছিল। CBI গত মাসেই এই মামলার চার্জশিটে অভিযোগ করেছিল, কোম্পানির প্রাক্তন CMD কপিল ওয়াধওয়ান ও ডিরেক্টর ধীরাজ ওয়াধাওয়ান আর্থিক তছরূপের মূলে রয়েছে। সিবিআইয়ের বক্তব্য, 63 কোটি টাকার 24টি পেইন্টিং কিনেছিলেন তাঁরা। গত সপ্তাহে, CBI-এর বিশেষ আদালতও এই মামলার মোট 75 অভিযুক্তকে তলব করার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি, CBI চার্জশিটে উল্লেখ 2007 থেকে 2017 সালের মধ্যে 87টি শেল সংস্থাকে Dewan Housing Finance Ltd. -এর তরফে মোট 11,765 কোটি টাকা পাঠানো হয়। এই শেল সংস্থাগুলি খোলা হয়েছিল ওয়াধওয়ানদের নানা কর্মচারী, পার্টনার ও বন্ধুদের নামে খোলা। CBI সূত্রে খবর, তদন্ত চলাকালীন সময়ে এই বিষয়গুলি সামনে এসেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, CBI-এর চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, "DHFL-এর আধিকারিকরা তাঁদের নিজস্ব বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এই শেল অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা ট্রান্সফার করতেন।" পাশপাশি দাবি করা হয়েছে, এই টাকা লোনের নামে পাঠানো হলেও লোন সংক্রান্ত কোনও বিধিই মানা হয়নি। এছাড়াও তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য, লোন নেওয়া কোম্পানিগুলির হাতে এমন কোনও প্রজেক্ট হাতে ছিল না, যার জন্য টাকা লাগতে পারে। এই সব টাকা ওয়াধাওয়ানের হাত মারফত মঞ্জুরি পেয়েছিল বলে জানানো হয়েছে। 20-র বেশি সেক্টর থেকে তথ্য সমৃদ্ধ, দুরন্ত বিশ্লেষণ Economic Times-এর।


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/2oPjqWK
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads