Bangla News Live
Bengali News
Current News in Bengali
আজকের বাংলা খবর
কলকাতা বাংলা খবর - এই সময়
বাংলা নিউজ
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/SbX9nvU
'মানসিক রোগী!' ফিট সার্টিফিকেট পেয়েও চাকরি খোয়ালেন সরকারি কর্মচারি https://ift.tt/WSD1eTY
মানসিক সমস্যার জেরে দীর্ঘ কয়েকবছর প্যাভলব হাসপাতালে (Pavlov Hospital) ভর্তি ছিলেন এক সরকারি কর্মচারি। আর এই 'দোষেই' তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিল জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সম্প্রতি জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার () এই সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছে সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবিউনাল (Central Administrative Tribunal)। সংগঠনের বক্তব্য, সার্ভিস রুল অনুযায়ী কোনও ব্যক্তিকে কেবলমাত্র পূর্বের মানসিক সমস্যার জন্য চাকরি থেকে বরখাস্ত করা বেনজির। শংকর সান্যাল (নাম পরিবর্তিত) নামে ওই ব্যক্তিকে নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করতে কার্যত বাধ্য করে GSI। দীর্ঘ কয়েক বছর চাকরি থেকে অনুপস্থিত থাকার জন্য সার্ভিস রুলের দোহাই দিয়ে এই পদক্ষেপ কার্যকর করেছে GSI। এমনটাই জানা গিয়েছে। কিন্তু, চাকরি থেকে বরখাস্ত করার জন্য কারণ হিসেবে কেবলমাত্র অনুপস্থিতি দেখালেও কী কারণে শংকর অনুপস্থিত ছিলেন, তা উল্লেখ করা হয়নি GSI-এর পক্ষ থেকে। অর্থাৎ শংকরের মানসিক সমস্যার চিকিৎসার জন্য নেওয়া সময়ের কোনও উল্লেখ নেই। জানা গিয়েছে ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শংকর সান্যালকে একটি শোকজ নোটিশ ধরায় GSI। যেখানে প্রশ্ন করা হয়, ২০১০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওই দিন পর্যন্ত তিনি কেন অনুপস্থিত ছিলেন? নিজের মানসিক সমস্যার চিকিৎসার যাবতীয় বিষয়টি উল্লেখ করেছেন শংকর সান্যাল। ২০২১ সালে GSI-এর পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি মামলা দায়ের করেন শংকর। তাঁর দাবি, শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা দিনক্ষণের আগেই তিনি পুনরায় সুস্থ হয়ে কাজ যোগ দেওয়ার অনুমতি পেয়ে গিয়েছিলেন। GSI কর্তৃপক্ষ তা জানা সত্ত্বেও তাঁকে শোকজ করা হয় বলে অভিযোগ শংকরের। যাবতীয় মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা করা সত্ত্বেও কেন এই অবিচার, এই নিয়ে সরব হন তিনি। শংকর জানান, কী ভাবে তাঁকে মানসিক রোগী তকমা দিয়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রাতারাতি। তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ এবং প্যাভলব হাসপাতাল থেকে পুনরায় কাজ করার অনুমতিও পেয়ে গিয়েছেন। ১৯৯৯ সাল থেকে মানসিক চিকিৎসা চলছিল শংকরের। ২০১০ সালে তাঁকে প্যাভলবে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে তিনি বাড়ি ফেরেন। ফিট সার্টিফিকেটও দেওয়া হয় চিকিৎসকের তরফে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও তাঁর পাঁচ বছরের অনুপস্থিতির জন্য তাঁকে শোকজ নোটিশ ধরায় GSI। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সেন্ট্রাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবিউনালে মামলা করেন শংকর সান্যাল। কেবলমাত্র শংকরই নন, ঠিক এভাবেই মানসিক রোগের সম্যার ইতিহাস থাকায় চাকরি জুটছে না এ শহরেরই একাধিক ব্যক্তির। কল সেন্টার থেকে শুরু করে সরকারি অফিস কিংবা বেসরকারি আইটি হাব, মানসিক সমস্যা থাকায় সেই ব্যক্তিকে কাজে নিতে চাইছেন না কর্তৃপক্ষ। এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে প্যাভলব হাসপাতালের সাইকায়াট্রি বিভাগের এইচওডি ডা. শ্রীজিত বসু বলেন, ''এই সমস্যা আজকের নয়। দীর্ঘদিন ধরেই সমাজে এই ট্যাবু রয়ে গিয়েছে। আধুনিক হলেও এখনও সমাজ মানসিক রোগীদের গ্রহণ করতে কিছুটা হলেও ইস্ততত বোধ করে। অনেকের তো এই সমস্যা থাকায় বিয়ে ভেঙে যায়। তবে এ সব ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা উচিত এনজিওগুলির। তাঁদের উচিত সমাজকে আরও সচেতন করে তোলা। পরিবার-পরিজনদেরও এই সময় পাশে থাকা প্রয়োজন। স্টিগমা দূর না হলে একজন মানসিক রোগীকে আমরা যতই ফিট সার্টিফিকেট দিই না কেন, এই সমস্যা থেকেই যাবে।''
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/SbX9nvU
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment