এখনও ভেন্টিলেশনেই প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ https://ift.tt/XIzpf4J - MAS News bengali

এখনও ভেন্টিলেশনেই প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ https://ift.tt/XIzpf4J

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এখনও সংকটজনক অবস্থাতেই রয়েছেন ()। বিপদ এখনও কাটেনি প্রাক্তন ফুটবলারের। তবে ভেসোপ্রেসার সাপোর্ট ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তাঁর রক্তচাপ। যদিও তাঁকে ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছে। আপাতত চিকিৎসক অজয়কৃষ্ণ সরকারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে তাঁর। একইসঙ্গে তাঁর দেখভাল করছেন বিভিন্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, পালমোনোলজিস্ট এবং অন্য চিকিৎসকেরা। কমিটিতে তিন প্রধানের কর্তা ও IFA সচিবও রয়েছেন। শুক্রবারের মেডিক্যাল বুলেটিন জানাচ্ছেন, আগের তুলনায় অক্সিজেন মাত্রা কিছুটা বেড়েছে সুরজিতের। ভেন্টিলেশনের সাহায্যে তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে থাকছে। ভেসোপ্রেসার সাপোর্ট ছাড়াই তাঁর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।সুরজিতের ছেলে স্নিগ্ধদেব সেনগুপ্ত জানান, চিকিৎসকরা এখনও আশার কথা কিছু শোনাতে পারেননি। বেশ কয়েকদিন ধরে সর্দি, কাশিতে ভুগছিলেন প্রাক্তন এই ফুটবলার। এরপরে জ্বর এলে গত ২৩ জানুয়ারি একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রাক্তন ফুটবলারকে। এরপরই তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। গত শনিবার থেকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। শ্বাসপ্রশ্বাসেরও প্রবল সমস্যা ছিল সুরজিতের। তবে তাঁর চেতনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিবারের লোকজনকে চিনতেও পেরেছেন তিনি। যদিও কবে পুরোপুরি সুস্থ হতে পারবেন, তা নিয়ে কোনও আশার খবর শোনাতে পারেনি চিকিৎসকরা। প্রাক্তন ফুটবলারের ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) সতীর্থরা চিকিৎসার খরচ জোগাড়ে একটি ফান্ড তৈরিরও পরিকল্পনা করেছেন। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চিকিসার জন্য যাবতীয় সহায়তা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সুরজিতের নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে হলেও কলকাতার তিন প্রধানে জনপ্রিয় সুরজিৎ। ঐতিহাসিক ডার্বিতে পাঁচ গোলে জেতার নায়ক কখনও কোচিংয়ে আসেননি। যদিও বর্তমান ফুটবল প্রশাসকদের প্রতি কোনো খারাপ মনোভাব ছিল না। তাঁর দেশি ও বিদেশী ফুটবলের তথ্য ছিল হাতের মুঠোয়। তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৭৫ এবং ১৯৭৭-এর কলকাতা ফুটবল লিগ, ছ’বার IFA শিল্ড, তিন বার ডুরান্ড কাপ জয়ী দলে খেলেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ডার্বিতে (IFA শিল্ডের ফাইনাল) ইস্টবেঙ্গল ৫-০ গোলে হারিয়েছিল মোহনবাগানকে (Mohun Bagan)। ঐতিহাসিক এই ম্যাচের পাঁচ মিনিটে গোল করেই দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৭-৭৯ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) অধিনায়কও ছিলেন তিনি। দলের বহু জয়ের নেপথ্য নায়ক সুরজিৎ এরপর ১৯৮০ সালে মহামেডানে সই করেন।


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/V0Sk5a6
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads