ট্রুডোর 'নিভৃতবাস'-কে কটাক্ষ কঙ্গনার, দিলেন কর্মফলের পাঠ! https://ift.tt/WFDgjoedf - MAS News bengali

ট্রুডোর 'নিভৃতবাস'-কে কটাক্ষ কঙ্গনার, দিলেন কর্মফলের পাঠ! https://ift.tt/WFDgjoedf

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সোশাল মিডিয়ায় আবার সরব 'ঝাঁসির রানি'! এবার তাঁর নিশানায় সুদূর কানাডার প্রধানমন্ত্রী! আজ্ঞে হ্যাঁ। ঠিকই পড়ছেন, সপরিবার () 'গোপন আস্তানা'য় যাওয়ায় আর চুপ করে বসে থাকতে পারেননি বলিউড অভিনেত্রী ()। তাঁর মতে, নিজের 'কর্মফল' ভোগ করতে হচ্ছে ট্রুডোকে! ঘটনাটি ঠিক কী ? আসুন, একটু বুঝে নেওয়া যাক। কানাডা সরকার দেশবাসীর জন্য এবং দেশের ভূখণ্ডে থাকা সকলের জন্য করোনার টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন নাগরিকদের একাংশ। ক্রমশ তাঁদের আন্দোলন হিংসাত্মক হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় নিরাপত্তার স্বার্থ জাস্টিন ও তাঁর গোটা পরিবারকে রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে কোনও এক গোপন স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে। এই খবর জানার পরই কঙ্গনা সোশাল অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, "ভারতে চলা আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। আর এখন তাঁর দেশে আন্দোলন শুরু হতেই তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন। কারণ, আন্দোলনকারীরা তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারেন। হম... আবারও প্রমাণ হল, কর্মের ফল সবাইকেই পেতে হয়।" এদিকে, এই আবহেই জাস্টিন জানিয়েছেন, তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই নিভৃতবাসে রয়েছেন। সোমবার টুইটারে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, "আজ সকালে আমার কোভিড পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তবে আমি ভালোই আছি। এই সপ্তাহে আমি নিভৃতবাসে থেকেই কাজ করব। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলব। সবাই, দয়া করে টিকা নিন।" নিন্দুকেরা অবশ্য বলছে, আন্দোলনের আবহে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর গায়ে যাতে 'পলাতক' তকমা সেঁটে না দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতেই তাঁর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর এভাবে প্রকাশ্যে আনা হল। প্রসঙ্গত, মোদী সরকারের আনা নয়া তিন কৃষি আইনের বিরোধিতায় প্রায় এক বছর ধরে (২০২০-২১) দিল্লির সীমানায় বসে আন্দোলন চালিয়ে যান কৃষকরা। যার জেরে পরবর্তীতে পিছু হঠতে বাধ্য হয় কেন্দ্র। প্রত্যাহার করে নিতে হয় বিতর্কিত তিনটি আইন। ভারতীয় নাগরিকদের একটা বড় অংশই এই লড়াইয়ে কৃষকদের পাশে থেকেছেন। একইসঙ্গে, বিদেশের বহু বিখ্যাত ব্যক্তিও কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন সেই সময়। তাঁদের মধ্যে জাস্টিন ট্রুডো অন্যতম। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এই অবস্থান কেন্দ্রীয় সরকারের ভালো লাগেনি। সরকারপন্থীরাও বিষয়টিকে ভালোভাবে নেননি। এই মানুষগুলির মধ্যে অন্যতম কঙ্গনা রানাওয়াত। বস্তুত, কৃষক আন্দোলনের বিরোধিতায় কথা বলতে গিয়ে শালীনতার মাত্রাও ছাড়াতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে। সেই সময় কৃষক আন্দোলনের জেরে বিপাকে পড়েছিল মোদী সরকার। আর এখন আন্দোলনের ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে কানাডার সরকারকে। তাই এ নিয়ে সরাসরি সেদেশের প্রধানমন্ত্রীকেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না কঙ্গনা।


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/vNW84hgP5
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads