জগদ্ধাত্রী পুজোয় বহাল নৈশ্য কার্ফু, সিদ্ধান্তে অখুশি চন্দননগর https://ift.tt/3bGrQfP - MAS News bengali

জগদ্ধাত্রী পুজোয় বহাল নৈশ্য কার্ফু, সিদ্ধান্তে অখুশি চন্দননগর https://ift.tt/3bGrQfP

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোর সময় শিথিল হয়েছিল করোনা বিধি। কিন্তু, জগদ্ধাত্রী পুজোয় তা হবে না। এমনটাই জানিয়ে দিল প্রশাসন।অর্থাৎ জগদ্ধাত্রী পুজোর চারদিনও চন্দনগরে জারি থাকবে রাত্রিকালীন কার্ফু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। বৈঠকের বিষয়বস্তু ছিল আসন্ন উৎসব। এদিনই ওই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিলেন পুলিশ কমিশনার অর্ণব ঘোষ। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বিধায়ক ও পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, 'আগামী দিনে একটা বড় প্রকল্পের ভাবনা রয়েছে চন্দননগরবাসীর জন্য। আর সেটা জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করেই করা হবে। সেটা হবে মেগা উপহার। চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর ২০০ বছরের ইতিহাসে যা ঘটেনি তাই হবে।' তিনি জানান, যা হবে জগদ্ধাত্রী পুজোর আগেই ঘোষণা করা হবে। আগামী ৯ নভেম্বর জগদ্ধাত্রী পুজোর পঞ্চমী। সে দিন থেকে ১৫ নভেম্বর অর্থাৎ একাদশী পর্যন্ত চন্দননগরে উৎসবের রেশ চলবে। দশমী এবং একাদশী, এই দু’দিনই বিসর্জন হবে। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগরের বিধায়ক ও পর্যটন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, জেলাশাসক দীপ প্রিয়া, চন্দননগর এবং ভদ্রেশ্বরের পুর প্রশাসকরা। ছিলেন SDO এবং পুলিশ কমিশনার সহ আধিকারিকরা। বৈঠক শেষে চন্দননগরের কমিশনার জানান, এ বার চন্দননগর উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছেন তাঁরা। জগদ্ধাত্রী বন্দনায় নতুন একটি গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয় এদিন। ওই অ্যালবাম থেকে একটি গান গেয়েও শোনান মন্ত্রী। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, রাত্রিকালীন কার্ফু বহাল থাকা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিসর্জনের শোভাযাত্রার অনুমতিও মেলেনি এ বছর। এতে ক্ষোভ জন্মেছে চন্দননগরের বাসিন্দা ও আলোকশিল্পীরা। স্থানীয় বাসিন্দা স্মৃতিকণা কুণ্ডু বলেন, 'জগদ্ধাত্রী পুজো আমাদের ঐতিহ্য। এটা আমাদের আবেগ। বিসর্জনের শোভাযাত্রার দীর্ঘদিনের ইতিহাস রয়েছে। সেটা গত বছর থেকে হচ্ছে না, করোনা অতিমারীর কারণে। আবার রাত্রিকালীন কার্ফুও বলবৎ থাকবে। অথচ কলকাতায় এ সব কিছুই হয় না। ওখানে তো দুর্গাপুজোয় সকলে হুড়মুড় করে বুর্জ খলিফা দেখতে গেল। তখন করোনা হল না? শুধু চন্দননগরেই সংক্রমণের ভয়?' শহরের আনাচে কানাচে কান পাতলেই বোঝা যাবে, এ উষ্মা স্মৃতিকণার একার নয়। প্রায় সকলেই কলকাতার প্রতি একটা প্রতিযোগিতা মূলক মনোভাব পোষণ করছেন। এর মধ্যে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। ফলে জেলার ও জেলার বাইরের মানুষের ভিড় শহরে হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তাই আরও সতর্ক থাকতে চাইছে প্রশাসন।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3BETzIr
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads