মৃত্যুর আগে পর্যন্ত এখানেই ছিলেন শেক্সপিয়ার, ঘুরে দেখুন আনাচ-কানাচ https://ift.tt/3nkVgHt - MAS News bengali

মৃত্যুর আগে পর্যন্ত এখানেই ছিলেন শেক্সপিয়ার, ঘুরে দেখুন আনাচ-কানাচ https://ift.tt/3nkVgHt

এই সময় জীবন যাপন ডেস্ক: লন্ডনের টেমস নয়, স্ট্র্যাটফোর্ডের অ্যাভন নদী। এখানেই শেকসপিয়ারের নিউ প্লেস (Shakespeare's New Place)। ইংল্যান্ডগামী পর্যটকদের কাছে অবশ্য গন্তব্য। বিশেষ করে যাঁরা সাহিত্যপ্রেমী, উইলিয়াম শেকসপিয়ারের () শেষ বয়সের এই বাসস্থান না দেখলে ইংল্যান্ড সফর সম্পূর্ণ হয় না তাঁদের। সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে এই স্থান তীর্থক্ষেত্রের সমান। এখানে জীবনের শেষ ১৯ বছর পরিবারের সঙ্গে ছিলেন শেকসপিয়ার। ৩২ বছর বয়সে এই ভবন ও তার সংলগ্ন জমি কিনেছিলেন তিনি। অট্টালিকার মতো এই ভবনে ছিল ২০টি ঘর, ১০টি ফায়ারপ্লেস ও একটি সুন্দর বাগান। এই হেরিটেজ সাইট দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছে শেকসপিয়ার বার্থপ্লেস ট্রাস্ট (Shakespear Birthplace Trust)। ২০১৬ সালে এখানে ওক গাছের গুঁড়ি ও ব্রোঞ্জ দিয়ে একটি নতুন প্রবেশদ্বার নির্মাণ করা হয়। পর্যটকরা এখানে বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা বাগানটিতে ঘুরে বেরিয়ে ইতিহাসের ছোঁয়া পেতে পারেন। বাগানে রয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি আবক্ষ মূর্তি। এই বাগানেই এক সময় অবসর কাটাতে ঘুরে বেড়াতেন শেকসপিয়ার। এখানে এখনও ছড়ানো তাঁর ব্যবহার করা নানা সামগ্রী। তাঁর খাট, বিছানা, চেয়ার, টেবিল সবই যত্ন করে রাখা আছে একই ভাবে। ৪০০ বছর আগে এখানেই মৃত্যু হয়েছিল শেকসপিয়ারের। ১৬১৬ সালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। কিন্তু এখনও এই স্থান দেখলে মনে হয় যেন কোনও দিক দিয়ে বেরিয়ে আসবেন রোমিও-জুলিয়েট,ম্যাকবেথ, হ্যামলেটের স্রষ্টা। সাজানো আছে ৪০০ বছরেরও বেশি আগে যে সব খাবার পাওয়া যেত তার কিছু নিদর্শন। আছে আগুন জ্বেলে রাখার ব্যবস্থা। এক জায়গায় রয়েছে দর্শনার্থীদের স্বাক্ষর। যার মধ্যে আছেন ওয়াল্টার স্কট ও চার্লস ডিকেন্স। শেকসপিয়ার যে টেবিলে বসে লিখতেন তার পাশেই আছে এক দেরাজ। সেখানে বিখ্যাত নাটকগুলির পাণ্ডুলিপি রাখতেন তিনি। ১৭০২ সালে তত্‍কালীন মালিক জন ক্লপটন ভবনটির অনেকটা ভেঙে নতুন ভাবে নির্মাণ করেন। এরপর ১৭৫৬ সালে রেভারেন্ড ফ্র্যানসিস গ্যাসট্রিল পর্যটকদের ভিড়ে বিরক্ত হয়ে ভবনের বাকি অংশও ভেঙে ফেলেন। শেকসপিয়ারের শেষ বাসভবনের অংশ হিসেবে বর্তমানে শুধু বাগানটাই অবশিষ্ট রয়েছে। শেকসপিয়ারের ঠিক পাশের বাড়িটি যাঁর ছিল সেই থমাস ন্যাশের ভবনটি অধিগ্রহণ করে শেকসপিয়ার বার্থপ্লেস ট্রাস্ট মিউজিয়ামটি নির্মাণ করেছে। বর্তমানে পর্যটকদের জন্য শুধুমাত্র ক্রিসমাস ছাড়া অন্য সবদিন খোলা থাকে শেকসপিয়ারের নিউ প্লেস। শীতকালে এটি খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এবং অন্য সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল জন্ম হয় উইলিয়াম শেকসপিয়ারের, তিনি দেহত্যাগ করেন ১৬১৬ সালের ২৩ এপ্রিল। তাঁকে ইংল্যান্ডের 'জাতীয় কবি' এবং 'বার্ড অব অ্যাভন' (অ্যাভনের চারণকবি) নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলির মধ্যে রয়েছে রোমিও-জুলিয়েট, ম্যাকবেথ, হ্যামলেট, ওথেলো, জুলিয়াস সিজার, মিড সামার নাইটস ড্রিম, মার্চেন্ট অফ ভেনিস, অ্যজ ইউ লাইক ইট।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/2Xf4GtA
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads