বাবুল আমার বন্ধু, আবেগ দিয়ে রাজনীতি করেন: দিলীপ https://ift.tt/3lDFhSv - MAS News bengali

বাবুল আমার বন্ধু, আবেগ দিয়ে রাজনীতি করেন: দিলীপ https://ift.tt/3lDFhSv

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে কোনওকালেই 'বন্ধুত্বপূর্ণ' সম্পর্ক ছিল না রাজ্য BJP সভাপতি দিলীপ ঘোষের। তাঁর দল বদলের পরেই রীতিমতো মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন দিলীপ। কিন্তু, অবশেষে সেই মৌনতা ভাঙলেন তিনি। বাবুলকে ডাকলেন 'বন্ধু' বলে। সঙ্গে ছুড়ে দিলেন একরাশ কটাক্ষ। বললেন, 'পলিটিক্যাল ট্যুরিস্ট' বাবুল, আবেগের বশে দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। শনিবারের বারবেলায় রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ আলোড়ন পড়ে যায়। তৃণমূলে যোগ দেন BJP সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। এরপরেই বাবুল বিরোধিতায় ময়দানে নামেন BJP নেতারা। কিন্তু, মুখ খোলেননি দিলীপ। বল ঠেলেছিলেন দিল্লির নেতাদের কোর্টে। কিন্তু, রবিবার সকালে ভবানীপুরের BJP প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের জন্য প্রচারে এসে দিলীপ বলেন, 'অনেকেই যাচ্ছেন, বাবুল সুপ্রিয়ও চলে গিয়েছেন। তিনি স্টার ছিলেন, MP ছিলেন, মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু, কোনওদিন BJP হতে পারেননি।' এখানেই শেষ নয়, বাবুলকে তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ বলেন, 'যেখানে গিয়েছেন সেখানে রাজনীতিটা শিখুন। তিনি আবেগের বশে কাজ করেন। এখনও পর্যন্ত যা করেছেন, যা লিখেছেন সবই আবেগের বশে। যাই হোক তিনি আমার বন্ধু মানুষ। বাবুল পলিটিক্যাল ট্যুরিস্ট। আসবে যাবে। ' এদিকে, BJP ছাড়ার পর বলেছিলেন, 'বাংলার মানুষের সেবা করতে চেয়েছি সবসময়। আমি কাজ করতে পছন্দ করি। আমি আশা করছি দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে তা আমি পালন করব। তৃণমূলে যোগ দিয়ে আমি গর্বিত।' অন্যদিকে, বাবুল সুপ্রিয়র তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'এই বদলের আগে দলকে জানানো উচিত ছিল বাবুল সুপ্রিয়র। তাঁর BJP ত্যাগে দলের কোনও ক্ষতি হবে না। বাবুল সুপ্রিয় জননেতা নন। এমনকী, তিনি একজন ভালো সংগঠকও নন। যদিও তিনি আমার ভালো বন্ধু।' পাশাপাশি বাবুলকে তোপ দেগে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'একমাত্র মন্ত্রী হওয়াই বাবুল সুপ্রিয় লক্ষ্য ছিল।' এদিকে জয়প্রকাশ মজুমদার বাবুল প্রসঙ্গে বলেন, 'বাবুল একজন শিল্পী। ২০১৪ সালে BJP-তে যোগ দিয়ে তিনি সাংসদ এবং মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু, মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়ার পরেই হঠাৎ সুর বদল করেছেন তিনি। কোনও একজন ব্যক্তির থেকে দল অনেক বড়। ওঁর আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ' বাবুল সুপ্রিয়কে তীব্র কটাক্ষ করে রাহুল সিনহা বলেন, 'কেউ যদি দলে পদ না পান এবং সেই কারণে দলত্যাগ করেন সেক্ষেত্রে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব রয়েছে। তাঁকে যদি অসম্মান করা হতো, গুরুত্ব না দেওয়া হত সেক্ষেত্রে তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের জায়গা ছিল। কিন্তু, মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর পরেই দলত্যাগ করায় আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই।'


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3lCdlyq
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads