বানভাসি ঘাটাল-পাঁশকুড়া, রাজ্য সড়কের উপর রাত কাটল ৭০টি পরিবারের https://ift.tt/3lmkDaW - MAS News bengali

বানভাসি ঘাটাল-পাঁশকুড়া, রাজ্য সড়কের উপর রাত কাটল ৭০টি পরিবারের https://ift.tt/3lmkDaW

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মাঝ রোড দিয়ে ছুটছে লরি, ছোট গাড়ি, মোটরবাইক। আর রাস্তার দুপাশে বিছানা পেতে শুয়ে রয়েছে ছোট ছোট শিশু সহ প্রায় ৭০টি পরিবার। শনিবার রাতে এমনই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল মেচেদা- পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক। প্রায় একই অবস্থা ঘাটালের শিলাবতী নদীর বাউন্ডারি পাঁচিল ভেঙে প্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের। কিন্তু প্রশাসনের তরফে বানভাসীদের পুনর্বাসনের কোনও বন্দোবস্ত হয়নি। ফলে খোলা আকাশের নীচে রাস্তার পাশে রাত কাটাতে হয় তাঁদের। পাঁশকুড়া, ঘাটাল বৃষ্টিতে নয়, ব্যারেজের ছাড়া জলেই প্লাবিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে কংসাবতী ব্যারেজ থেকে ১৪০০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়। তার ফলেই কংসাবতী নদীর জলস্তর অতিরিক্ত বেড়ে গিয়ে জলমগ্ন হয়েছে পাঁশকুড়া সদর এলাকা। ওই এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দারই বাড়ির ভিতর কোমর সমান জল। বিকেল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে গেলেও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে তাঁদের পুনর্বাসন দেওয়ার কোনও বন্দোবস্ত হয়নি। বাধ্য হয়ে ওই বানভাসী মানুষেরা রাত কাটানোর জায়গা খুঁজে নেয় পার্শ্ববর্তী মেচেদা-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়কের উপর। যদিও ওই সড়ক দিয়ে সবসময় দ্রুত গতিতে ছুটে চলে গাড়ির। চালক বা শিশুরা একটু বেখেয়াল হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। কিন্তু মাঝরাত পর্যন্ত প্রশাসনের টনক নড়েনি। আশ্রয় দূরস্ত, খাবারও মেলেনি বলে অভিযোগ। ফলে পেটের জ্বালা নিয়েই সারারাত রাস্তার ধারেই কাটে পাঁশকুড়া সদর এলাকার প্রায় ৭০টি পরিবারের। সকালে অবশ্য সংবাদমাধ্যমে খবর পেয়ে তাঁদের পুনর্বাসন দিতে তৎপর হয়েছে পাঁশকুড়া পুর প্রশাসন। পাঁশকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান নন্দ মিশ্র জানান, রাজ্য সড়কের উপর আশ্রয় নেওয়া বানভাসী পরিবারগুলোকে এলাকার বন্ধ স্কুলগুলিতে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের খাবারেরও বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, শিলাবতী নদীর জলের তোড়ে ব্রিটিশ আমলে তৈরি নদীর বাউন্ডারি পাঁচিল ভেঙে ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায়। মহকুমা শাসকের দফতর, সংশোধনাগারও জলমগ্ন। নথিপত্র সরিয়ে বন্দিদের বের করার ব্যবস্থা হচ্ছে। কিন্তু বানভাসী সাধারণ মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে প্রশাসনের হেলদোল নেই বলে অভিযোগ উঠছে। এমনকি প্রশাসন পানীয় জল দেওয়ারও উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ। যদিও মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস জানিয়েছেন, পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। সময়মতো সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু একরাত কেটে গেল। কবে প্রশাসনের সময় হবে, সেই অপেক্ষায় ঘাটালের বানভাসী এলাকার বাসিন্দারা।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3ic2qLf
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads