বিতর্কিত পোস্টের পরেই 'বিদায়' নিলেন তৃণমূল বিধায়ক, কী লিখলেন ফেসবুকে? https://ift.tt/3AoCrY9 - MAS News bengali

বিতর্কিত পোস্টের পরেই 'বিদায়' নিলেন তৃণমূল বিধায়ক, কী লিখলেন ফেসবুকে? https://ift.tt/3AoCrY9

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ফেসবুকে করা বিতর্কিত পোস্টের পরই শুরু হয়েছিল গুঞ্জন। তবে কি রাজনীতির ময়দান ছাড়ছেন ()। বিতর্কের সাফ জবাব দিয়েছিলেন বিধায়ক। জানিয়েছিলেন তাঁর আক্ষেপের কথা। এরপর শুক্রবার নব নির্বাচিত বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। কিন্তু, ফের শনিবার তাঁর একটি ফেসবুক পোস্ট নজর কেড়েছে। যেখানে তিনি 'বিদায়' নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে কি রাজনীতি থেকেই বিদায় নিতে চাইছেন বলাগড়ের বিধায়ক? শনিবার একটি ফেসবুক পোস্ট করেন মনোরঞ্জন ব্যাপারী। এখানে অবশ্য আক্ষেপের তুলনায় রয়েছে কিছুটা ক্ষোভের সুর। তাঁর সহজ-সরল ব্যক্তিত্বকে অন্যরকম রূপ দিয়ে পরিবেশন করা হচ্ছে বলে বিধায়কের অভিযোগ। সরকারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। কারা সহ্য করতে পারছেন না তাঁকে? সে কথারও খানিকটা ইঙ্গিত দিয়েছেন বিধায়ক। তাঁর অভিযোগের তিরে কি তবে গেরুয়া শিবির? আর এসবের মধ্যেই তিনি জানিয়েছেন প্রচার আলো থেকে সরে আসার কথা। তিনি লিখেছেন, 'আমাকে কিছু দিনের জন্য ফেসবুক থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। বন্ধ করে দিতে হচ্ছে টিভির সাক্ষাৎকার। কারন কিছু মানুষ খুব ধুর্ত আর কৌশলি হয়ে উঠেছে।যাদের হৃদয় বৃত্তি মরে গেছে। তারা মানবিক আর্তির ধার ধারেন না।সহজ সরল ভাষা ভাবনাকে বাঁকিয়ে দুমড়ে মুচড়ে একটা অন্য রূপ দিয়ে মা মাটি মানুষের জনপ্রিয় সরকারকে বদনাম করতে চায় বিড়ম্বনার মধ্যে ফেলে বিশেষ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়। কোন একটা শিবির থেকে তাদের এই সব কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। যারা এই বিপুল জনাদেশ নিয়ে তৃতীয় বার ক্ষমতায় ফিরে আসা মা মাটি মানুষের দল তৃনমূল দলটাকে যেমন সহ‍্য করতে পারছে না, আমাকেও সহ‍্য করতে চাইছে না ছত্রিশ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা অঞ্চল থেকে নয় হাজার ভোটে আমার জিতে যাওয়া। তাই সময় সুযোগ পেলেই আমাকে নানা কায়দায় বিপাকে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।' মাত্র একদিন আগেই একটি ফেসবুক পোস্টে এই জানিয়েছেন, রাজনীতিতে এসে বোধহয় তিনি ঠিক করেননি! সদ্য ভোটে জয়ী হওয়া বিধায়কের গলা কেন হঠাৎ এই সুর! তা নিয়েই তোলপাড় চলছিল নেটপাড়ায়। এই প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে 'এই সময় ডিজিটাল'-কে মনোরঞ্জন ব্য়াপারী বলেন, 'প্রতিদিন প্রচুর মানুষ নিজেদের সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসছে। অনেকে ঘর চায়ছেন, অনেকে কাজ।এত সমস্যা দেখে আমি মানসিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত। যদি হাজার কোটি টাকা ফান্ড থাকত, তাহলে সব সমস্যার সমাধান করে দিতাম। কিন্তু কেন্দ্র সরকার তো রাজ্যের প্রাপ্য় টাকাই দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় অসহযোগীতার মধ্যে রাজ্য যতটুকু পারছে করছে। কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়াই করে যাচ্ছেন। তাঁর মানবিকতার উপর প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। কিন্তু তাঁর হাতেও সব ক্ষমতা নেই। কেন্দ্র সাহায্য না করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। মানুষের দুঃখ-যন্ত্রণা কাছ থেকে দেখার পরেই ফেসবুকে এই পোস্ট করি।' তাঁর কথায়, ‘মানুষ বলছে , দাদা আপনি পারবেন, একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিন। সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনছি মন দিয়ে। চেষ্টা করছি সমাধান করার। কিন্তু সমস্যা এতই যে সব সমাধানের সাধ্য পুরোপুরি আমার হাতে নেই।’ সম্প্রতি, 'অমানবিকতা' শব্দটি উচ্চারণ করতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁর জিভ জড়িয়ে কিছুটা সমস্যা হয়। ভুল উচ্চারণ নিয়ে রীতিমতো ট্রোলের শিকার হন Manoranjan Byapari। এই সময় ডিজিটালকে সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টিকে নেহাতই মজার ছলে দেখছেন তিনি। কারও প্রতি রাগ নেই। তবে এদিনের ফেসবুক পোস্টে যেন খানিকটা অভিযোগের সুরই বোঝা গেল বিধায়কের লেখায়। তিনি লিখেছেন, ' আপনারা দেখেছেন নিশ্চয় আমার মুখে আটকে যাওয়া একটা শব্দ " অমানবিকতা" নিয়ে কি ব‍্যাঙ্গ বিদ্রুপের ঝড় তুলেছিল। আবার তেমন একটা ঝড় তোলার চেষ্টা চলছে আমার একটা মানবিক আর্তি মাখানো ফেসবুক পোস্ট নিয়ে। ওরা থামবে না। কিছু না কিছু করতেই থাকবে। তাই মনে হচ্ছে আমার থেমে যাওয়া উচিৎ। লেখা আর বলা আপাতত কিছুকাল বন্ধ থাকুক। এখন কাজ করতে থাকি। দলিত দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে যা করা যায়, সীমিত ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু করা যায়। আমার কাজ আমার হয়ে যা বলার তা বলবে।'


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3wesidg
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads