ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় প্রধান হাসপাতাল SSKM https://ift.tt/34bayUC - MAS News bengali

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসায় প্রধান হাসপাতাল SSKM https://ift.tt/34bayUC

এই সময়: কালো ছত্রাকে আক্রান্ত প্রতিটি ব্যক্তির সরকারি খাতায় নাম নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করল সরকার। এর মানে, কেন্দ্রীয় সুপারিশ মেনে বা মিউকরমাইকোসিসকে 'নোটিফায়েবল ডিজিজ'-এর তকমা দেওয়া হল। রোগী যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, সরকারকে জানানো সেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরই দায়িত্ব বলে আদেশনামায় জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস ভট্টাচার্য। বলা হয়েছে, রোগীদের তথ্য জেলার উপ-মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (২) অথবা ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভিল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারকে জানাতে হবে। অথবা, সরাসরি জানানো যেতে পারে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের জনস্বাস্থ্য শাখার দায়িত্বে থাকা যুগ্ম স্বাস্থ্য অধিকর্তাকেও। স্বাস্থ্যকর্তারা জানান, এ যাবৎ ১২ জন মিউকরমাইকোসিসের রোগী চিহ্নিত হয়েছেন রাজ্যে। আগামী দিনে সব মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা সদর স্তরের হাসপাতালকেই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসা করতে হবে। তবে অসুখ বেয়াড়া আকার নিলে আঞ্চলিক রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে রোগীকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ কিংবা বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে এবং রাজ্যের শীর্ষ রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে রোগীকে এসএসকেএম হাসপাতালে রেফার করা যাবে। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন জানান, দেশের ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এখনও পর্যন্ত মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ৫,৪২৪ জন। তাঁর কথায়, '৫,৪২৪ জন মিউকরমাইকোসিস রোগীর মধ্যে ৪,৪৪৬ জনের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে। অন্য দিকে, এর ৫৫ শতাংশই ডায়াবিটিসে আক্রান্ত।' এদিন স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রাজ্যের ১২ জন রোগীর মধ্যে পাঁচ জনই ভিন্ রাজ্যের। একজন ঝাড়খণ্ডের, বাকিরা বিহারের। এই ১২ জনের মধ্যে ছ' জনই হয় করোনায় আক্রান্ত অথবা সদ্য করোনাজয়ী। বাকি ছ' জনের মধ্যে তিন জন হলেন তাঁরা, যাঁদের নাম পাঁচ সন্দেহভাজনের তালিকায় ছিল। বাকি তিন জনের সঙ্গে কোভিডের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে ১২ জনের প্রত্যেকেরই যে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিসের সমস্যা আছে, তা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছেন অধিকর্তা। তিনি আরও জানান, এ যাবৎ মোট তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শহরের দু'টি বেসরকারি হাসপাতালে গত শনিবার দু'জন মারা গিয়েছেন। তৃতীয় জন শুক্রবার ভোরে মারা যান শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে। যদিও তাঁর মৃত্যু মিউকরমাইকোসিসের জেরেই হয়েছে না অন্য কারণে, তা নিয়ে এখনও স্থির সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি ডেথ অডিট কমিটি। একটি আদেশনামায় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকে একটি মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি টিম তৈরি করতে হবে। মাইক্রোবায়োলজি অথবা প্যাথলজি কিংবা রেডিয়োলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পাশাপাশি সেই দলে থাকবেন মেডিসিন, ইএনটি, নিউরোলজি (যদি সম্ভব হয়), চক্ষুরোগ, ডেন্টিস্ট্রি, ম্যাক্সিলোফেসিয়াল অথবা প্লাস্টিক সার্জারি এবং সম্ভব হলে এন্ডোক্রিনোলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। জেলাস্তরের চিকিৎসকদের বলা হয়, স্বাস্থ্য দপ্তরের ওয়েবসাইটে মিউকরমাইকোসিসের যে চিকিৎসা সংক্রান্ত গাইডলাইন দেওয়া আছে, তা মেনে চলতে। ইতিমধ্যেই ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বিভূতি সাহার নেতৃত্বে একটি টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। তাঁরা প্রশিক্ষণ দেওয়া পাশাপাশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের জটিল রোগীর চিকিৎসাতেও সহায়তা করবেন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/34cwcYD
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads