গাছে টান, ইয়াসের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রশ্ন সুন্দরবনের https://ift.tt/3hNAFc9 - MAS News bengali

গাছে টান, ইয়াসের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রশ্ন সুন্দরবনের https://ift.tt/3hNAFc9

এই সময়, কাকদ্বীপ: গত বছর আমফান (Amphan), তার আগে বুলবুল (Bulbul)। দুইয়ের দাপটে দুই ২৪ পরগনার সুন্দরবনের () ম্যানগ্রোভ প্রায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল। এরপর সরকার নতুন করে ম্যানগ্রোভ লাগাতে উদ্যোগী হয়। তা ছাড়া উপায়ও ছিল না। কারণ, ম্যানগ্রোভ হল প্রকৃতির রোষের সঙ্গে লড়াইয়ে একবারে সামনের প্রাচীর। কিন্তু সেই প্রাচীর ভালোভাবে গড়ে ওঠার আগেই আবার ধেয়ে আসছে (Cyclone)। ধরেই নেওয়া হচ্ছে ম্যানগ্রোভের প্রতিরোধ এ বার কম হবে। তাতে কি ইয়াসের () দাপটে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে? আতঙ্কে সুন্দরবনের বাসিন্দারা। উম্পুন ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার পর নষ্ট হয়ে গিয়েছিল সুন্দরবনের বিঘের পর বিঘে ম্যানগ্রোভ। দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে একের পর এক বড় গাছ ভেঙে পড়েছিল। উম্পুনের তাণ্ডবে জেলায় সব মিলিয়ে তিন লক্ষেরও বেশি বড় গাছ নষ্ট হয়ে যায় বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। দিন দিন সবুজ কমতে থাকায় চিন্তিত তথা উপকূল এলাকার মানুষ। যদিও উম্পুনের হানার পরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে জেলা জুড়ে ব্যাপক হারে ম্যানগ্রোভ ও বড় গাছ লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতে ফের বড় ঝড়ের ভ্রুকুটি। এতদিন উপকূলে ধেয়ে আসা একের পর এক ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে সমানে লড়াই করেছে এই গাছগুলি। তার ফলেই ঝড়ের হাত থেকে অনেকাংশে রক্ষা পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু একের পর এক ঝড়ে যে ভাবে ম্যানগ্রোভে কোপ পড়ছে, তাতে ঝড়ের আঘাত আরও তীব্র হয়ে আছড়ে পড়তে পারে ঘড়বাড়ির উপর। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন উপকূলের বাসিন্দারা। নামখানার দ্বারিকনগর এলাকার বাসিন্দা বছর ষাটেকের শ্যামসুন্দর জানা, পেশায় গৃশিক্ষক। তাঁর কথায়, 'আগে দেখতাম নদীর পাড় বরাবর যতদূর চোখ যায় ততদূর গাছ। কিন্তু একের পর এক ঝড়ের তাণ্ডবে সংখ্যা কমতে থাকে। অনেক সময় অসৎ মানুষজনও প্রচুর গাছ গাছ কাটছে। কিন্তু এগুলো কমলে হাওয়া আটকাবে কী ভাবে! এলাকায় বড় গাছ কই! উম্পুনের সময় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জানি না এবার আরও কত ক্ষতি হবে।' পেশায় টোটো চালক এলাকার আর এক বাসিন্দা বাপি হাজরাও শ্যামসুন্দরের মতো গাছ কমতে থাকায় আতঙ্কিত। বাপি বললেন, 'বাপ-ঠাকুরদার মুখে শুনেছি বড় গাছগুলোর জন্যই ঝড়ের সময় আমাদের বাড়িঘরগুলো রক্ষা পেয়েছে। কিন্তু তারপর কত গাছ কাটা হয়েছে। ঝড়েও কত গাছ গিয়েছে। উম্পুনের সময় হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। ঝড়ের তাণ্ডবে আমার বাড়ি ভেঙে পড়েছিল। এবারের ঝড়ে জানি না কি হবে।' পরিস্থিতির গুরুত্ব মানছেন নামখানার বিডিও শান্তনু সিংহ ঠাকুর। তিন বললেন, 'বুলবুল এবং উম্পুন ঘূর্ণিঝড়ের জেরে নামখানা ব্লকে প্রচুর বড় বড় গাছ ভেঙে এবং উপরে পড়েছিল। কিন্তু এরপর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।' কিন্তু বড় গাছ কমায়, ঝড় কী ভাবে আটকাবে? উত্তরে শান্তনু বলেন, 'যেহেতু এলাকায় বড় গাছের সংখ্যা কমেছে, সেক্ষেত্রে আগের মতো ঝড়ের দাপট আটকানো সম্ভব নয়। সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। স্থানীয়দের সেন্টারের তুলে আনা হবে।'


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3hRNhPs
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads