Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/34bTNZi
মহাদেবের আশীর্বাদ পেতে পালন করুন সোমবার ব্রত, এদিন কী করবেন জেনে নিন https://ift.tt/3bL4LsP
এই সময় অ্যাস্ট্রো ডেস্ক: ভক্তদের পূজার্চনায় শীঘ্র প্রসন্ন হন শিব, তাই তাঁর অপর নাম ভোলানাথ। সোমবারের দিনটি শিবকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এদিন শিবের পুজো করা হয়। শুধু মাত্র জলাভিষেকে সন্তুষ্ট হয়ে ভক্তদের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর করেন শিব। সোমবার উপবাস রাখলে কঠিন সমস্যার হাত থেকেও মুক্তি লাভ সম্ভব। সোমবারের উপবাসের পূর্ণ ফল লাভের জন্য এর নিয়ম, কাহিনি ও মন্ত্র জানা উচিত। পুজোর নিয়ম ১. সকালে তাড়াতাড়ি উঠে, কোনও পবিত্র নদী বা সরোবরে স্নান করা উচিত। ২. এদিন শিব-গৌরীর পুজো করা উচিত। শিবের পুজোর পর সোমবার ব্রতকথা শুনতে হয়। ৩. কোনও মন্দিরে শিবের জলাভিষেক করা উচিত। ৪. উপবাসের তৃতীয় প্রহর পর্যন্ত এটি করা যায়। ৫. অন্তত ১৬ সোমবারের উপবাস রাখলে সুফল মেলে। ব্রত কথা প্রাচীন কালে এক নগরে, এক মহাজনের বাস ছিল। তাঁর কাছে অঢেল ধন-সম্পত্তি ছিল। কিন্তু ওই মহাজন নিঃসন্তান হওয়ার কারণে দুঃখী থাকত। প্রতি সোমবার উপবাস রেখে শিব-পার্বতীর পুজো করত ওই মহাজন। পার্বতী তাঁর ভক্তিতে প্রসন্ন হয়ে, শিবের কাছে ওই মহাজনের মনস্কামনা পূর্ণ করার আবেদন জানান। শিব জানান, ‘হে পার্বতী! এটিই মহাজনের ভাগ্য লেখা রয়েছে।’ কিন্তু পার্বতী, শিবের এই কথা স্বীকার করতে চান না এবং মহাজনের ভক্তির সম্মান রাখার আবেদন জানাতে থাকেন। শিব মহাজনকে পুত্র লাভের আশীর্বাদ দেন। কিন্তু তাঁর পুত্রকে শুধু মাত্র ১২ বছরের আয়ু দেন শিব। এ কথা শুনে মহাজন না-তো আনন্দিত হয়, না দুঃখ পায়। কিন্তু সে শিবের পুজো বন্ধ করে না। নিয়মিত সোমবারের উপবাস রাখত ও ব্রতকথা শুনত। শিবের আশীর্বাদে মহাজনের ঘরে পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ছেলে ১১ বছরের হয়ে গেলে মহাজন তাঁকে কাশী শিক্ষা গ্রহণের জন্য পাঠান। মামার সঙ্গে কাশীর উদ্দেশে রওনা দেয় মহাজনের ছেলে। মহাজন নিজের ছেলেকে ধন দিয়ে বলেন, পথে যজ্ঞ করো। যেখানে যজ্ঞ করাবে, সেখানে ব্রাহ্মণদের ভোজন করাবে এবং দক্ষিণা দিয়ে অগ্রসর হবে। দুই মামা-ভাগ্নে এ ভাবেই যজ্ঞ করাতেন এবং ব্রাহ্মণদের দান-দক্ষিণা দিয়ে কাশীর দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পথে এক নগর আসে, সেদিন সেখানে রাজার কন্যার বিবাহ হচ্ছিল। কিন্তু যে যুবরাজের সঙ্গে রাজকন্যার বিবাহ ছিল, সেই পাত্র ছিল কানা। যুবরাজের বাবা নিজের ছেলের এই প্রতিবন্ধকতার কথা লুকিয়ে যাওয়ার জন্য একটি ফন্দি আঁটেন। মহাজনের ছেলেকে দেখে, তিনি মনে মনে ঠিক করেন, এই ছেলেকেই বর সাজিয়ে রাজকন্যার সঙ্গে বিবাহ করিয়ে দিই। বিবাহের পর মহাজনের ছেলেকে অর্থকড়ি দিয়ে বিদায় করে দেব এবং রাজকুমারীকে নিজের রাজ্যে নিয়ে যাব। এর পর মহাজনের ছেলেকে পাত্রের বস্ত্র পরিয়ে বিয়ের আসনে বসিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু মহাজনের ছেলে ন্যায়পরায়ণ ছিল। এটি সে মেনে নিতে পারেনি। সুযোগ বুঝে মহাজনের ছেলে রাজকুমারীর আঁচলে লিখে দেয় যে, ‘তোমরা বিয়ে আমার সঙ্গে হয়েছে, কিন্তু যে যুবরাজের সঙ্গে তোমাকে পাঠানো হবে, সে এক চোখে কানা। আমি কাশী পড়তে যাচ্ছি।’ এই বিষয়টি জানার পর রাজকুমারী নিজের মা-বাবাকে এ সম্পর্কে জানায়। রাজা নিজের কন্যাকে বিদায় করেন না। বরযাত্রী ফিরে যায়। অন্য দিকে মহাজনের ছেলে ও তার মামা কাশী পৌঁছে সেখানে যজ্ঞ করান। যে দিন ছেলের বয়স ১২ বছর হয়, সে দিন যজ্ঞ রাখা হয়েছিল। ছেলেটি নিজের মামাকে বলে, ‘আমার শরীর ভালো লাগছে না।’ মামা বলেন, ‘তুমি ভিতরে গিয়ে শুয়ে পড়।’ শিবের কথা মতো কিছু ক্ষণের মধ্যেই ছেলেটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। মৃত ভাগ্নেকে দেখে মামা বিলাপ শুরু করেন। সে সময়ই শিব ও পার্বতী সে দিক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পার্বতী বলেন, ‘প্রভু, এঁর কান্নার স্বর আমি সহ্য করতে পারছি না। আপনি এই ব্যক্তির কষ্ট দূর করুন।’ পার্বতীয় আবেদনে শিব মৃত বালককে জীবিত হওয়ার আশীর্বাদ দেন। শিবের আশীর্বাদে সেই বালক জীবিত হয়ে যায়। শিক্ষা সমাপ্ত করে সে নিজের নগরের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে পুনরায় সেই নগরে পৌঁছয় যেখানে রাজকন্যার সঙ্গে ছেলেটির বিয়ে হয়েছিল। সেই নগরেও যজ্ঞের আয়োজন করে তাঁরা। ছেলেটির শ্বশুড় তাকে চিনে যায়। তার আপ্যায়ন করে নিজের মেয়েকে তার সঙ্গে বিদায় জানায়। এদিকে মহাজন ও তাঁর স্ত্রী অভুক্ত অবস্থায় ছেলের প্রতীক্ষায় বসে থাকেন। প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, ছেলের মৃত্যুর সংবাদ পেলে, তাঁরাও প্রাণ ত্যাগ করবেন। কিন্তু ছেলের জীবিত হওয়ার সংবাদ পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে পড়েন। সেই রাতে মহাজনের স্বপ্নে এসে শিব বলেন— ‘হে শ্রেষ্ঠী, আমি তোর সোমবারের উপবাস ও ব্রত পালনে সন্তুষ্ট হয়ে ছেলেকে দীর্ঘায়ুর আশীর্বাদ প্রদান করেছি।’ যে ব্যক্তি সোমবারের উপবাস করে এবং এই ব্রতকথা শোনে, তাঁর সমস্ত দুঃখ দূর হয় এবং সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়। সোমবার ব্রতর মন্ত্র ১. ওম অঘোরেভ্যো অথঘোরেভ্যো, ঘোর ঘোর তেরভ্যঃ। সর্বেভ্যো সর্ব শর্বেভ্যো, নমস্তে অস্তু রুদ্ররূপেভ্যঃ ২. ওম শং শংকরায় ভবোদ্ধবায় শং ওম নমঃ ৩. ওম শিবায় নম্ঃ ৪. নমামিশমীশান নির্বাণ রূপং বিভুং ব্যাপকং ব্রহ্ম বেদ স্বরূপ ৫. ওম ত্রয়ম্বকম যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্ উর্বারুকমিব বন্ধনান মৃত্যুর্মুক্ষীয় মামৃতাৎ
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/34bTNZi
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment