Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3o2rjuo
করোনা আতঙ্কে অচ্ছুৎ BJP নেতার দেহ সৎকার তৃণমূলের https://ift.tt/3xZqd7a
এই সময়, : করোনা আতঙ্কে নেতার দেহ সৎকারে এগিয়ে আসেনি কেউ। এমনকী পাশে দাঁড়ায়নি দলের কর্মীরাও। পুরো বিষয়টি জানার পর এগিয়ে এলেন তৃণমূল কর্মীরাই। তাঁরাই হাতে হাত লাগিয়ে ব্যবস্থা করলেন মৃত ওই বিজেপি নেতার দেহ সৎকারের। শুক্রবার দুপুর একটা নাগাদ কেতুগ্রামের আনখোনা পঞ্চায়েতের চাকটা গ্রামের বাসিন্দা অনুপ বন্দ্যোপাধ্যায় (৬০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজের বাড়িতে মারা যান। ওই গ্রামেরই বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন অনুপ। মারা যাওয়ার পর এলাকায় রটে যায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আতঙ্কে মৃতদেহে হাত ছোঁয়াতেও রাজি ছিলেন না কেউ। গ্রামের বিজেপি কর্মী সমর্থকরাও মৃতদেহ দেখতে আসেননি বলে খবর। এর মধ্যে সন্ধ্যায় তুমুল ঝড়-বৃষ্টি নামে। ওই দিন আর অনুপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেহ সৎকার সম্ভব হয়নি। সারারাত মৃতদেহ আগলে বসে থাকেন স্ত্রী রিনা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার সকালে গোটা ঘটনা জানতে পারেন আনখোনা পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বুদুন শেখ। তখনই তিনি এলাকার তৃণমূল কর্মীদের নির্দেশ দেন দেহ সৎকারের ব্যবস্থা করার। এর পর এদিন সকালে চাকটা গ্রামের তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি নেতার মৃতদেহ কাঁধে করে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করেন। রিনা বলেন, 'আমার স্বামী বহুদিন ধরেই বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর সবাই ভেবেছে আমার স্বামীর করোনা হয়েছে। আদৌ ওঁর করোনা হয়নি। তবুও কেউ আমার স্বামীর মৃতদেহে হাত দেয়নি। বিজেপির লোকেরাও আসেনি। তৃণমূলের ছেলেরাই আমার স্বামীর মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করলেন।' বুদুন শেখ বলেন, 'জানতে পারি ওঁর দেহ সৎকারের জন্য কেউ এগিয়ে আসছেন না। স্ত্রী অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। তখন আমরা আর কেউ এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখিনি। কে কোন দলের তাও ভাবিনি। ওঁদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের উদ্দেশ্য ছিল।' গোটা বিষয়ে অভিভূত মৃতের জামাই দেবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'করোনা হয়েছে ভেবে বিজেপির কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। কিন্তু গ্রামের ছেলেরা দলের তোয়াক্কা না করে যেভাবে পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তা আমরা ভাবতেই পারিনি।' এ বিষয়ে কাটোয়ার বিজেপি নেতা অনিল দত্ত বলেন, 'আমাদের কর্মীরা হয়তো ঘরছাড়া ছিল। তাই কেউ আসেনি। তা ছাড়া গ্রামের লোক গ্রামের লোকের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখনে তৃণমূল-বিজেপি আসছে কেন?' কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ বলেন, 'আমরা আমাদের দলের কর্মীদের এ ভাবেই শিক্ষা দিই। তৃণমূল কর্মীরা যে কতটা মানবিক এর থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়।'
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3o2rjuo
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment