Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2QrGmB9
বাড়ছে কোভিড রোগী, হুগলিতে নতুন করোনা ওয়ার্ড https://ift.tt/3sDOBr2
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: গত এক সপ্তাহের মধ্যে অনুদান উঠেছে প্রায় ৭ লাখ টাকা। আর সেই মূলধন নিয়েই করোনা মহামারীর সময় আবার পরিষেবার জন্য প্রস্তুত শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী হাসপাতাল। শুক্রবার থেকেই হাসপাতালের তৃতীয় এবং চতুর্থ তল কোভিড ওয়ার্ড হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছ। আপাতত ৩০টি জেনারেল বেড এবং ২৬ টি ICU বেড থাকছে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের সহকারী সম্পাদক গৌতম সরকার। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের প্রথম দুটি তল সাধারণ রোগীদের জন্য সংরক্ষিত থাকছে। কোভিড রোগীদের জন্য আলাদা সিঁড়ি এবং লিফটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর হুগলি জেলা প্রশাসন এই হাসপাতালটিকে কোভিড হাসপাতাল () হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বেড সংরক্ষিত ছিল ১০০টি। জেলায় সরকারি ভাবে যে সমস্ত হাসপাতালগুলিতে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে এই শ্রমজীবী হাসপাতালের পরিষেবায় অত্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন স্থানীয়রা। হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছর ৪ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এই হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা চলেছিল। এই দীর্ঘ কয়েকমাসে প্রায় দু'হাজার রোগী এখানে ভর্তি হয়েছেন এবং ৫২ জন বাদে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু, গত এক বছরের জন্য পাওনা প্রায় আট কোটি টাকা এখনও সরকারের কাছে বকেয়া আছে বলে জানান হাসপাতালের সহকারী সম্পাদক গৌতম সরকার। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত হুগলি জেলা স্বাস্থ্য দফতর কোনও বেসরকারি হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে অধিগ্রহণ করেনি। তবে ধীরে ধীরে যখন করোনা এই জেলায় জাঁকিয়ে বসছে তখন আর নিজেদের দূরে রাখতে পারেননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের সহকারী সম্পাদক গৌতম সরকার বলেন, 'গতবছর বেশ কিছু মূল্যবান যন্ত্রাংশ (যেমন হাইপো মেশিন) পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারি থেকে সব তুলে নিয়েছে প্রশাসন। কারণ চুক্তি শেষ। কোভিড রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রচুর উন্নত যন্ত্রাংশ দরকার। এর জন্য বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে অনেক সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসেছেন।' গত এক সপ্তাহে হুগলি জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় তাঁর দু'মাসের ভাতা ১৪ হাজার টাকা দান করেন। গত দু'দিন আগে শ্রীরামপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমীরণ ঘোষ ৫ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। জেলার এক স্বনামধন্য চিকিৎসক প্রদীপ কুমার দাস দিয়েছেন ১০ হাজার টাকা। এইভাবেই ৭ লাখ টাকা উঠেছে। আর এই মূলধন নিয়েই আমরা কোভিড মোকাবিলায় নেমে পড়েছি।' অন্যদিকে, সোমবারই জেলা স্বাস্থ্যদফতরের কর্তারা কিছু বেসরকারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর সঙ্গে ভার্চুয়াল মিটিং করেন এবং অনুরোধ করেন যেভাবে করোনা এই জেলায় বাড়ছে তাতে বেসরকারী হাসপাতালগুলিকে এগিয়ে আসতে হবে। এদিকে, করোনা আক্রান্তদের পরিষেবা দিতে জলপাইগুড়ির বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনের কোভিড হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেফ হোম চালু করা হচ্ছে। এই নিয়ে বৃহস্পতিবার জেলাশাসক দফতরের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজ্যের অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি হর্টিকালচার তথা জেলার নোডাল অফিসার সুব্রত গুপ্ত, জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বসু, জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্রনাথ প্রামাণিক, সদর হাসপাতাল সুপার গয়ারাম নষ্কর প্রমূখ। যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে উদ্বিগ্ন পুরসভা। শিবির করে করোনা পরীক্ষা ও বাজারগুলিকে দূরে দূরে বসানোর চিন্তাভাবনা শুরু করল পুর কর্তৃপক্ষ। ১৯ এপ্রিল জলপাইগুড়ি কলেজ পাড়ার বাসিন্দা প্রাক্তন বিদ্যুৎ দফতরের কর্মী রঞ্জিত মজুমদার (৬৯) করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়াতে তাকে শিলিগুড়ি এক নার্সিংহোমে নিয়ে যায় পরিবার। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রঞ্জিতের মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দাবি পরিবারের। অন্যদিকে, বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গনের কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহরের আরও এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে দাবি। মৃতের বাড়ি পান্ডা পাড়াতে নাম শ্যামলী দে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী নেই। সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত নেই বলেও জানা যাচ্ছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্রনাথ প্রামাণিক বলেন, 'কোভিড হাসপাতালে শয্যা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই স্বাস্থ্য দফতরকে জানানো হবে।' জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলেন, 'আমরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছি। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।' বর্তমান করোনার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে জলপাইগুড়িতে করোনা হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলে জানালে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব ডঃ সুব্রত গুপ্ত। পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে জেলায় বাড়ানো হচ্ছে করোনা হাসপাতালে বেডের সংখ্যা। পাশাপাশি জেলায় সমস্ত ব্লকে সেফ হোম খোলা হচ্ছে৷ এদিন সুব্রত গুপ্ত জলপাইগুড়ি জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বসু,পুলিশ সুপার,পুর্ত দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর কে নিয়ে বৈঠক করেন। মেটেলিতে ITI কলেজে কোভিড হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়াও জেলায় আটটি সেফ হোম প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়াও জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সামনে একটি সরকারি ভবনেও প্রাথমিক ভাবে একটি হাসপাতাল করা হচ্ছে আগামী ১৫দিনের মধ্যে এই হাসপাতালটি চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2QrGmB9
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment