গৃহবধূকে পরকীয়ার শাস্তি দিল গ্রামবাসীরা, স্বামীর কথা শুনে তাজ্জব সকলে https://ift.tt/3sKWStK - MAS News bengali

গৃহবধূকে পরকীয়ার শাস্তি দিল গ্রামবাসীরা, স্বামীর কথা শুনে তাজ্জব সকলে https://ift.tt/3sKWStK

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক জানাজানি হতেই শুরু হয় সালিশি সভা৷ হেনস্থা, মারধর কিছুই বাদ যায় না। অভিযোগ, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন এক গৃহবধূ। এক যুবককে নিজের বাড়িতে রেখে অবাধে মেলামেশা চালাচ্ছিলেন দাসপুরের কুমারীচক গ্রামের ঘাঁটা পাড়ার ওই গৃহবধূ। দাসপুর থানার পাঁচবেড়িয়া করুণাচকে তাঁদের হাতে-নাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে দাসপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হল। ওই যুবককে কোমরে দড়ি বেঁধে গণধোলাই দেওয়া হয়। গোটা ঘটনার VIDEO ইতিমধ্যেই সোস্যাল সাইটে ভাইরাল হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূর স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। বাড়িতে তিনি শাশুড়ির সঙ্গেই থাকতেন। সম্প্রতি তাঁদের নতুন পাকাবাড়ি তৈরি হয়েছে। সেই বাড়িতেই একাই থাকতেন ওই গৃহবধু। রান্না খাওয়াও হয় এই বাড়িতে। শাশুড়ির বিশেষ যাতায়াত ছিল না সেখানে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সুযোগেই কয়েক দিন ধরে এক যুবক সেই বাড়িতে আসত। স্থানীয়দের দাবি, অনেক দিন এ বাড়িতে থেকেই যেতেন ওই যুবক। সাধারণত ওই বাড়িতে চাবি দিয়েই বেরত ওই গৃহবধূ। কিন্তু মঙ্গলবার চাবি না দিয়েই বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বেরিয়ে যান তিনি। আর সেই সময় এক আত্মীয় এই বাড়িতে গিয়ে একজন অপরিচিত যুবককে দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে দরজায় শিকল দিয়ে পাড়া প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন তিনি। গৃহবধূ এবং ওই যুবককে বেঁধে চলে গণপ্রহার। স্থানীয়দের দাবি, ছেলেটির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেন মহিলা। ফোনে সমস্ত বিষয় জানানো হয় ভিনরাজ্যে কর্মরত স্বামীকে। স্বামী সব শুনে ওই যুবকের সাথেই তাঁর স্ত্রীর বিয়ে দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন বলে স্থানীয় সুত্রে খবর। দাসপুর পুলিশ এসে যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, পাড়া প্রতেবেশীরা বউমাকে তাঁর বাপের বাড়িতে খবর দিলে মেয়ের বাবা মেয়েকে নিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। পরকীয়া ফৌজদারি অপরাধ নয়। ইংরেজ শাসনকালে তৈরি এই আইনের ৪৯৭ ধারা অসাংবিধানিক। ২০১৮ সালেই রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। স্বামী কখনই স্ত্রীর প্রভু বা মালিক হতে পারেন না। ব্রিটিশদের তৈরি করা ১৮৬০ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে একটি মামলার প্রেক্ষিতেই শীর্ষ আদালতের এই রায় দিয়েছিল। ১৮৬০ সালে তৈরি ওই আইনের ৪৯৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি কোনও মহিলার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করলে এবং ওই মহিলার স্বামীর অনুমতি না থাকলে পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে। এই আইনের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন জনৈক যোশেফ শাইন। তবে শুধু পরকীয়া নয়, গণ আদালত ডেকে মারধরের ঘটনারও নিন্দা করা হয়েছে সব মহল থেকে।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3kBOJVC
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads