মারে মৃত্যু কিশোর প্রতিবাদীর https://ift.tt/3e6IlUV - MAS News bengali

মারে মৃত্যু কিশোর প্রতিবাদীর https://ift.tt/3e6IlUV

এই সময়, : ১৫ বছরের যুগল দাসের মাধ্যমিক দেওয়ার কথা ছিল এ বার। খুব ভালো ফুটবলও খেলত ছেলেটা। পড়শির বেপরোয়া আক্রমণে বেঘোরে প্রাণটাই চলে গেল তার! পাড়ার কিশোরদের নাকি খাবার ও কাজের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে আসত বছর ৪০-এর শম্ভু বাগ। তার পর যৌন হেনস্থা চালাত। অভিযোগটা বেশ কিছু দিন ধরেই উঠছিল। পুলিশের কানেও খবর যায়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ শম্ভুর বাড়িতে এলে সে পাশের বাড়িতে গিয়ে লুকোয়। প্রতিবেশী সাধন দাসের বাড়ির ছাদ থেকে পুলিশ শম্ভুকে ধরে ফেলে। এর পর পাড়ার কমবয়সি ছেলেরা সাধনের বাড়ি ঘেরাও করে প্রশ্ন তোলে, বিকৃত মানসিকতার একজনকে কেন সে আশ্রয় দিয়েছিল। তাতে খেপে গিয়ে সাধন ও তার পরিবার বাঁশ হাতে যুগল দাস নামে ১৫ বছরের এক কিশোরকে ধরে বেধড়ক পেটায়। এ বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিত। ডাকাবুকো, খুব ভালো ফুটবলার হাসপাতালে যাওয়ার পথেই গুরুতর জখম যুগল মারা যায়। পুলিশ সাধনের পরিবারের চার জনকে গ্রেপ্তার করছে। মঙ্গলবার রাতের এই ঘটনা দত্তপুকুরের নিবাদুই ক্ষুদিরাম পল্লির। মৃত যুগলের এ বছর মাধ্যমিক দেওয়ার কথা ছিল। যুগলের পরিবার ও শম্ভু বাগের একই পাড়ায় বাস। শম্ভু অবিবাহিত। রেলের শ্রমিক ঠিকাদারির কাজ করে। অভিযোগ, শম্ভু খাবার এবং কাজের লোভ দেখিয়ে প্রায়ই পাড়ার কিশোর ছেলেদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যেত এবং যৌন হেনস্থা করত। এ নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ন'টায় দত্তপুকুর থানার পুলিশ শম্ভু বাগকে ধরতে আসে। বিপদ আঁচ করে শম্ভু সাধনের বাড়িতে গা ঢাকা দেয়। পুলিশ সাধন দাসের বাড়ির ছাদ থেকে শম্ভুকে ধরে ফেলে। পুলিশ চলে গেলে যুগল দাস ও তার সমবয়সি কয়েকজন সাধন দাসের বাড়িতে যায়। যৌন হেনস্থায় অভিযুক্তকে কেন বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল, এই নিয়ে সাধন দাসের পরিবারের সঙ্গে বচসা বেধে যায় যুগলদের। সেই তর্কাতর্কির মধ্যেই সাধন, তার স্ত্রী অনিমা এবং দুই ছেলে সুরজিৎ ও ইন্দ্রজিৎ মিলে যুগলকে ব্যাপক পেটায় বলে অভিযোগ। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় প্রতিবেশী দীপকুমার, বাবু বৈরাগী, পাঁচুগোপাল দে এবং গৌরব দাসও। বাঁশ দিয়ে যুগলের মাথায়-পেটে-বুকে এলোপাথাড়ি মারা হয়। বেধড়ক মার খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যুগল। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন যুগলকে নিয়ে বারাসত হাসপাতালে ছোটেন। কিন্তু পথেই মারা যায় যুগল। বুধবার সকালে যুগলের মা অঞ্জলি দাস দত্তপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। দত্তপুকুর থানার পুলিশ জানিয়েছে মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে দু'টি মামলায় পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শম্ভু বাগকে। আর মারধর এবং খুনের অভিযোগে সাধন দাস, অনিমা দাস এবং তাদের দুই ছেলে সুরজিৎ দাস এবং ইন্দ্রজিৎ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সকলকেই পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। তবে দীপকুমার, বাবু বৈরাগী, পাঁচুগোপাল দে এবং গৌরব দাস পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3rfZXl8
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads