বাংলার অপটু ব্যবহার শাহ-সভায় https://ift.tt/2Np7C1F - MAS News bengali

বাংলার অপটু ব্যবহার শাহ-সভায় https://ift.tt/2Np7C1F

পার্থসারথি সেনগুপ্ত কথায় বলে শব্দ ব্রহ্ম। শুক্রবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুষ্ঠানে শব্দ চয়নের বিভ্রাটে বেজায় শোরগোল বেধেছে। তাও মুখের কথায় নয়, কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের ছাপানো ব্রোসিয়োরে বেশ কিছু শব্দের প্রয়োগ নিয়ে ধন্দে পড়েছেন গুণীজনেরা। সাধারণ মানুষের চোখেও বেশ অপটুই ঠেকেছে। 'শৌর্যাঞ্জলি' শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার বিস্মৃতপ্রায় নায়কদের কথা মানুষের মনে জাগরুক করতে সাইকেল র‍্যালি ও লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অমিত। সেই উপলক্ষে ব্রোসিয়োরে লেখা হয়েছে, 'বাংলার ৬০০-৮০০ 'অসন্তুষ্ট নায়কের' উপর ভিত্তি করে প্রদর্শনী...।' প্রশ্ন উঠেছে, 'অসন্তুষ্ট' নায়কের অর্থ কী? পরের পাতাতেই ইংরেজিতে বলা হয়েছে 'আনসাং হিরোস অফ বেঙ্গল...'। কিন্তু এর বাংলা ভাষান্তর কী করে 'অসন্তুষ্ট নায়ক' হয়, সেটাই মস্ত ধাঁধা। অধ্যাপক পবিত্র সরকার বলেন, ' 'আনসাঙ হিরোস'-এর 'অসন্তুষ্ট নায়ক' জাতীয় বঙ্গানুবাদ কোনও মতেই ধোপে টেকে না। আরও একটি বিষয় রয়েছে। কর্মসূচির নাম শৌর্যাঞ্জলি। এটিই বা বাংলা ভাষায় কোন ধরনের শব্দ? ধরা যাক, জলাঞ্জলি, জলে অঞ্জলি। তা হলে কি শৌর্যে অঞ্জলি। সন্ধিরও যুক্তি থাকা চাই।' পবিত্রর ব্যাখ্যা, 'ইংরেজি ভাষায় ম্যালঅ্যাপ্রোপিজম বলে একটি কথা আছে। শব্দের ভুল প্রয়োগ। এটা অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়। এখানেও তাই হয়েছে বলে ধারণা। আর হিন্দি থেকে বাংলায় যান্ত্রিক ভাবে ভাষান্তর অনেক সময়েই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।' এখানেই অবশ্য ইতি টানা যাচ্ছে না। ওই সরকারি নথিতে লেখা হয়েছে, 'এমন অনেক পুরুষ ও মহিলা আছেন...দেশের প্রতি তাঁদের অদম্য আনুগত্য এবং সংকল্পবদ্ধ চেতনা দেশের স্বাধীনতা এনেছিল। এই সংগ্রামে 'কিছু' বেঁচে থাকলেও অনেকেই শহিদ হয়েছিলেন।' 'কিছু' শব্দটিও আপত্তিকর। আবার, এমনও লেখা হয়েছে, 'নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, জওহরলাল নেহরু, ভগত সিং, চিত্তরঞ্জন দাস, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত, দীনেশ গুপ্ত এবং ক্ষুদিরাম বসুর নাম ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের সমার্থক হয়ে উঠেছে যেহেতু তাঁরাই সত্যিকারের প্রতিপক্ষ 'ছিল'। মহান দেশপ্রেমীদের ক্ষেত্রে 'ছিল' না বলে 'ছিলেন' বলাটাই জরুরি ছিল বলে ধারণা অনেকের। পবিত্রর কথায়, 'বাংলা সংস্কৃতিতে যাঁদের এ রকম ভূমিকা, তাঁদের নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়।' নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতারও মন্তব্য, 'হতবাক হয়ে গিয়েছি। কী করে এ রকম হয়!' এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3uiAvNV
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads