Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3bGtFcx
করোনা-আতঙ্ক উড়িয়ে বেড়াতে শহর ছাড়ার হিড়িক https://ift.tt/2NJPYpF
কুবলয় বন্দ্যোপাধ্যায় 'এখন আর কোনও চেঞ্জ হবে না ভাই। কোথাও বুকিং নেই', ফোন ধরে ওপারের ব্যক্তিকে কিছু বলতে না দিয়ে আগে-ভাগে নিজের বক্তব্য শুনিয়ে রাখলেন ট্যুর অপারেটর কিংশুক মজুমদার। শেষ মুহূর্তে বেড়ানোর স্পটে পরিবর্তন আনতে চাওয়া 'পার্টির' থেকে এমন ফোন পেতে অভ্যস্ত তাঁরা। কিন্তু, চলতি বছর প্রায় আট মাস পর এই বাঁধা বুলি আওড়ানোর সুযোগ পেলেন কিংশুক এবং তাঁর মত অন্য অনেক ট্যুর অপারেটররা। সকাল থেকে আসতে শুরু করছে প্রায় ভুলে যাওয়া সেই ফোনগুলো - 'একটা রিকোয়েস্ট ছিল, ২৭-২৮-এ দার্জিলিংটা বদলে কোনও একটা অফ-বিট করে দিন দাদা। একটা নতুন কোনও যায়গা ...' যা হওয়ার হবে। শীতের ছুটিতে আর কিছুতেই বাড়িতে বসে থাকা নয়। শহরবাসীর এমন মানসিকতার জন্যই বছরের শেষ সপ্তাহে বিপুল ঢল পর্যটনে। করোনাভাইরাস থেকে সতর্কতার কারণেই খুব দূরের কোনও জায়গার বদলে, এবছর বাংলার মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় - বড় জোর পাশের ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলোয় শীতের ছুটিতে তিল ধারণের জায়গা নেই। ভাইরাসের আতঙ্কে ধসে পড়া পর্যটন ব্যবসা পুজোর সময় পর্যন্ত তেমন ভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয়নি। কিন্তু শীতের ছুটি পর্যটন ব্যবসায়ীদের ফিরিয়ে নিয়ে গেল পুরোনো জায়গায়। এবছর কোন কোন জায়গায় বেড়াতে যেতে চাইছেন ভ্রমণপিপাসুর দল? জবাবে পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ট্রাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গলের (ট্যাব) সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন বসু বলছেন, 'পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়, বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি এবছর বীরভূমের চাহিদা প্রবল। বীরভূমের দারন্দা, রূপপুর এবং শ্রীনিকেতনের আনাচে-কানাচে কোথাও ঘর ফাঁকা নেই।' বরাবরের মতো উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের চাহিদাও খুব বেশি। তবে পর্যটন ব্যবসায়ী কিংশুক মজুমদার বলছেন, 'কালিম্পংয়ের মুনসংয়ে আমার যে রিসর্ট রয়েছে, সেখানে ২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তত আড়াইশো বুকিং রয়েছে। আরও চাপ আসছে। কিন্তু জায়গা দিতে পারছি না।' গত কয়েক বছর ধরেই কাঞ্চনজঙ্ঘার চমৎকার ভিউয়ের জন্য মুনসং খুবই জনপ্রিয় হয়ে পড়ছে। পর্যটন ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশ জানাচ্ছেন, তিনচুলে, সিটং, লামাহাটা ইত্যাদি জায়গায় আর থাকার জায়গা নেই।' একই অবস্থা হয়েছে সুন্দরবনেরও। পর্যটন ব্যবসায়ী প্রবীর সিংহরায় বলছেন, 'লক-ডাউনের সময় থেকে ব্যবসা হয়নি। তাই যাঁরা লঞ্চ ভাড়া দেন তাঁদের অনেকেই লঞ্চে প্রয়োজনীয় মেরামতি করতে পারেননি। তাই লঞ্চের সংখ্যা কিছুটা কম। কিন্তু, এত লোক আসতে শুরু করেছেন যে লঞ্চ দিয়ে কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না।' বাংলার এই জায়গাগুলোর পাশাপাশি প্রতিবেশী ওড়িশার চাঁদিপুর, ভিতরকণিকা ও সাতকোশিয়াতেও ভিড় জমাতে শুরু করেছেন বাঙালি ভ্রমণপিপাসুর দল। ট্যুর অপারেটররা জানাচ্ছেন, ভদ্রক, কটক ও বালাসোরকে কেন্দ্র করে যা জায়গাগুলো সহজে ঘোরা সম্ভব তার কোথাওই আর নতুন করে বুকিং নেওয়া হচ্ছে না। করোনাভাইরাসের দৌলতে ভেঙে পড়া পর্যটন ব্যবসা এখনও পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফেরেনি। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে ঘরবন্দি থাকা বাঙালি ভাইরাস আতঙ্ক উড়িয়ে যে ভাবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বেরিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে নতুন বছরের জন্য আশার আলো দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3bGtFcx
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment