Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2KKr9bd
বিনা অনুমতিতে শহর দাপাচ্ছে অ্যাপ বাইক, যাত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন https://ift.tt/37kUAby
এই সময়: বৈধতা ছাড়াই কলকাতার বুকে রমরমিয়ে চলছে অ্যাপ বাইক। রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের কর্তাদের মতে, শুধুমাত্র সল্টলেক ও রাজারহাট চত্বরেই পরিষেবার অনুমতি দেওয়া রয়েছে কয়েকটি সংস্থাকে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বাইকের রং নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অথচ যেভাবে পর পর অ্যাপ বাইকে শ্লীলতাহানির মতো ঘটনা ঘটছে, তাতে দ্রুত অ্যাপ বাইকগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ জরুরি বলে মনে করছেন অ্যাপ-ক্যাব অপারেটর্সরাও। অবশ্য শুধু এ রাজ্যেই নয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অ্যাপ বাইক, বাইকে ডেলিভারির বিষয়টি চলছে কোনও রকম আইনি স্বীকৃতি ছাড়া। পরিবহণ দপ্তরের কর্তাদের বক্তব্য, মোটর ভেহিকেল আইন বাইকে অ্যাগ্রিগেশন বা এক ছাতার তলায় আনার বিষয়ইটিই নেই। যদিও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মোটর ভেহিকেল আইনে সংশোধন এনে বাইকের অ্যাগ্রিগেশনের বিষয়টি যুক্ত করে গাইডলাইন প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ভূতল পরিবহণ মন্ত্রক। ২৭ নভেম্বর রাজ্যগুলিকে সেই গাইডলাইন পাঠানো হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারগুলির বিজ্ঞপ্তি জারি করার কথা। সম্প্রতি হরিদেবপুর এক তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিলজলা থেকে গ্রেপ্তার হন অ্যাপ বাইক চালক। পরে জানা যায়, একটি অভিযোগে আগেই তাঁকে সাসপেন্ড করেছিল সংস্থা। কিন্তু পরে অন্য ফোন নম্বর দিয়ে সংস্থার অ্যাপে আবার নিজের বাইকের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে দিব্যি যাত্রী তোলার কাজ চালাচ্ছিল ওই যুবক। হরিদেবপুর, বাঁশদ্রোণী থেকে গরফা (দুটি ঘটনা) শুধু এক মাসের মধ্যেই চারটি শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে অ্যাপ-বাইকে। এমনিতেই কোনওরকম আইনি বৈধতা ছাড়াই প্রাইভেট নম্বরের বাইকে যাত্রী তোলার কারবার চলছে। অধিকাংশ লোক পার্টটাইম উপার্জনের পথ হিসেবে বাইক নিয়ে অ্যাপ সংস্থায় ঢুকে পড়ছে। অভিযোগ, ক্যাব বা অ্যাপ বাইক সংস্থাগুলিও কমিশন পেয়েই যাওয়ায় চালকদের সম্পর্কে তথ্য যাচাইয়ে বিষয়ে নির্বিকার। পিভিডির অধিকর্তা বিশ্বজিৎ দত্তর বক্তব্য, 'রাজ্য সরকার কাউকে বাইক ট্যাক্সি চালানোর অ্যাগ্রিগেশন লাইসেন্স দেয়নি। পুরোটাই বেআইনি ভাবে চলছে। কারণ, যেমন ট্যাক্সির ক্ষেত্রে অ্যাগ্রিগেশন লাইসেন্স দেওয়া হয়। বাইকের ক্ষেত্রে অ্যাগ্রিগেশনের বিষয়টিই মোটর ভেহিকেল আইন বলা ছিল না।' তবে শুধু অ্যাপ বাইক নয়। বিভিন্ন সামগ্রী পরিবহণে বা ডেলিভারির জন্য যে বাইক কাজ করছে, একইভাবে সেগুলির বাণিজ্যিক কাজের বৈধতা নেই। তবে সূত্রের খবর, বাণিজ্যিক কাজে বাইকের ব্যবহারের জন্য রাজ্য সরকার গত ১৭ মার্চ বিধানসভায় বিল পাশ করেছে। বলা হয়েছে, এমন ক্ষেত্রে চালককে তিন মাস অন্তর ট্যাক্স দিতে হবে সরকারকে। বিলটি আইনে পরিণত করতে রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যপালের সই মিললেই এই বিষয়ে বিধি জারি করতে পারবে রাজ্য। কিন্তু বেআইনি হলেও কেন চলতে দেওয়া হচ্ছে এই সব বাইক? পুলিশ সূত্রের খবর, পুরো বিষয়টিই লুকোচুরি মতো চলে। বাইকের সামনে মোবাইল আটকানো থাকলে সেটিকে যাত্রী পরিবহণের কাজে খাটছে অনুমান করে চালককে ধরা হয়। পুলিশের দাবি, তারা নিজেরাও অনেক সময় অ্যাপে বাইক বুক করেন। সেই চালক এলে তাঁর বিরুদ্ধে কেস করা হয়। কিন্তু এখন অধিকাংশ চালক পুলিশের নজর ঘোরাতে ডিভাইস সরিয়ে দেয়। ফলে বোঝা যায় না কে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে বা কার বাইকে তার নিজের লোক বসে আছে। কারচুপি অবশ্য আরও আছে। ট্রিপ বুকিংয়ের কিছু ক্ষণের মধ্যেই চালক যাত্রীকে অনুরোধ করে ট্রিপ ক্যানসেল করে দেয় বহুক্ষেত্রে, যাতে সংস্থাকে কমিশন না দিতে হয়। কিন্তু সমস্যা হল ওই যাত্রীর নিরাপত্তা এখানেই আরও বিঘ্নিত হয়। কারণ ট্রিপ ক্যানসেল করে দেওয়ায় যাত্রী যে বাইক ছিলেন, তার কোনও প্রমাণ থাকে না। শুধু তাই নয়, এই সব বাইকের বাণিজ্যিক রেজিস্ট্রেশন না থাকায় দুর্ঘটনায় কোনও যাত্রীর মৃত্যু হলে বিমার টাকার পেতেও সমস্যা হয়। এই সব বিষয়ে অবশ্য অ্যাব বাইক সংস্থাগুলির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। -
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2KKr9bd
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment