ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতের হাতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড টিকার ১০ কোটি ডোজ https://ift.tt/36CZMHg - MAS News bengali

ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতের হাতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড টিকার ১০ কোটি ডোজ https://ift.tt/36CZMHg

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উত্‍‌পাদনকারী সংস্থা (SII) অ্যাস্ট্রাজেনেকা (AstraZeneca)-র কার্যকর কোভিড-১৯ টিকার উত্‍‌পাদন বাড়িয়ে দিল। ভারতে টিকাকরণে যাতে বিলম্ব না হয়, তার জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে এগোচ্ছে এসআইআই। ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের জন্য ১০০ মিলিয়ন, অর্থাত্‍‌ ১০ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন ডোজ প্রস্তুত করে রাখতে চাইছে সেরাম। যাতে প্রয়োজন মতো জোগান দেওয়া যায়। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি কোভিশিল্ড (Covishield) নামে করোনাভাইরাসের এই ভ্যাকসিনটি উত্‍‌পাদনের জন্য অ্যাস্ট্রাজেনাকার সঙ্গে হাত মেলায় সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। এই টিকার ১০০ কোটির বেশি ডোজ উৎপাদন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরবরাহের জন্য অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং গেটস ফাউন্ডেশন ও গ্যাভির সঙ্গে আংশীদারিত্ব চুক্তি রয়েছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের। সংস্থার সিইও আদর পুনাওয়ালা শুক্রবার জানান, চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্টে যদি দেখা যায় এই টিকাটি থেকে কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারছে, তবে এসআইআই ডিসেম্বরের মধ্যেই নয়াদিল্লি থেকে জরুরি অনুমোদন পেয়ে যেতে পারে। বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উত্‍‌পাদনকারী সংস্থার সিইও জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা অ্যাস্ট্রাজেনকার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের চার কোটি ডোজ তৈরি করে ফেলেছেন। খুব শিগগিরই তাঁরা নোভাভ্যাক্স (Novavax)-এর শট তৈরিও শুরু করে দেবেন। কারণ, আদর পুনাওয়ালার কথায়, এই দুটো টিকাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে, তৈরি হয়ে থাকা অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনের চার কোটি ডোজ আন্তর্জাতিক বাজারে জোগান দেওয়ার জন্য নাকি শুধুমাত্র ভারতের জন্য এ বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলতে অস্বীকার করেন সংস্থার সিইও। পুনাওয়ালার কথায়, 'এটা খুবই বড় ঝুঁকি। তবে অক্সফোর্ড ও নোভাভ্যাক্সের টিকা দু'টিই কার্যকরী হবে বলে মনে হচ্ছে।' সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর সেরামের সিইও জানিয়েছেন, প্রথম দিকে টিকা দেওয়া হবে অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং সামনের সারির কর্মীদের। তিনি বলেন, প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হল ভারতের ১৩০ কোটি জনগণের কাছে টিকা পৌঁছে দেওয়া, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে, যেখানে স্বাস্থ্য নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল। আরও পড়ুন: গত মাসেই জানা গিয়েছিল, ভারত সরকার ৫০,০০০ কোটি টাকা টিকার জন্য সরিয়ে রেখেছে। যদিও পুনাওয়ালা গত সেপ্টেম্বরে ঘোষণা করেছিলেন ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের ৮০,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন পড়বে। তবে এ নিয়ে আর কিছু বলতে চাননি তিনি। অ্যাস্ট্রাজেনেকার সিইও পাসকাল সোরিয়টও জানিয়েছেন, ডিসেম্বরেই ব্যাপক মাত্রায় টিকাকরণের জন্য তাঁরা তৈরি হচ্ছেন। একবার ব্রিটেন জরুরি অনুমোদনের লাইসেন্স দিলে সেরামও একই তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জমা দেবে। সেরাম জানিয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনকার চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ভারতে ইতিমধ্যে তারা ১,৬০০ জনের নাম নথিভুক্ত করেছে। পাশাপাশি নোভাভ্যাক্স ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করার জন্যও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন চেয়ে আবেদন করবে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3pwdHYG
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads