হাথরসেও বদলায়নি উত্তরপ্রদেশ! কানপুরে গানপয়েন্টে ধর্ষণ দলিত যুবতীকে https://ift.tt/3nZSVQp - MAS News bengali

হাথরসেও বদলায়নি উত্তরপ্রদেশ! কানপুরে গানপয়েন্টে ধর্ষণ দলিত যুবতীকে https://ift.tt/3nZSVQp

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: হাথরসের দলিত তরুণীর গণধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এমনিতে বিব্রত যোগী প্রশাসন। সেই উত্তেজনা থিতু হওয়ার আগে ফের দলিত যুবতীকে। উত্তরপ্রদেশের কানপুর দেহত জেলায় বন্দুকের নল গায়ে ঠেকিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল বছর বাইশের এক যুবতীকে। দুই অভিযুক্তের একজন আবার প্রাক্তন গ্রাম প্রধান। কানপুর দেহতের পুলিশ সুপার কেশব কুমার চৌধুরী জানান, এক সপ্তাহ আগেই ঘটনাটি ঘটেছে। যদিও, থানায় গণধর্ষণের রিপোর্ট হয়েছে রবিবার (১৮ অক্টোবর)। নির্যাতিতা দলিত যুবতীর মা-বাবা রবিবার পুলিশের কাছে লিখিত ভাবে মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি বা তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। মেয়ে ঘরে একাই ছিল। সেই সুযোগ এক সঙ্গীকে নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয় প্রাক্তন গ্রাম প্রধান। মেয়ের গায়ে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে, একে একে দু'জনে ধর্ষণ করে। যাওয়ার আগে তারা শাসিয়েও যায়। ঘটনার কথা পাঁচ কান করলে, ফল ভালো হবে না। মুখ খুললে, প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। নির্যাতিতার মা-বাবা পুলিশতে জানান, মেয়ের কাছে ঘটনার কথা জানার পরেও প্রাক্তন গ্রাম প্রধানের হুমকির জেরে থানায় অভিযোগ জানাতে তাঁরা ভয় পাচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নেন। যে কারণে অভিযোগ জানাতে দেরি হয়েছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ছাড়াও আইপিসির একাধিক ধরায় মামলা রুজু হয়েছে। ধর্ষিতা দলিত হওয়ায় ১৯৮৯ সালের তফশিলি জাতি ও উপজাতি সুরক্ষা আইনে পৃথক আর একটি ধারাও যোগ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই ফেরার দুই অভিযুক্ত। তাদের ধরতে পুলিশের তিনটি টিম গঠন করা হয়েছে। তিনটি টিমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যথাক্রমে এসএইচও দেরাপুর, সার্কল অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। এ ছাড়া একটি SWAT টিমও তৈরি হয়েছে। আরও পড়ুন: ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হয় বছর উনিশের এক দলতি তরুণী। উচ্চবর্ণের চার যুবকের বিরুদ্ধে ওই দলিত তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বর্বরতার জেরে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ২৯ সেপ্টেম্বর মারা যান ওই তরুণী। সেই রাতেই যোগীর পুলিশ ওই তরুণীর দেহ পুড়িয়ে দেয়। নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তাঁদের সম্মতি ছাড়াই পুলিশ জোর করে মেয়ের দেহ রাতারাতি সত্‍‌কার করে। মেয়েকে তাঁরা শেষবার চোখের দেখা দেখতেও পাননি। তাঁদের একটি ঘরে আটকে রেখেছিল পুলিশ। সংবাদমাধ্যমের সৌজন্যে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই পুলিশের উপর চাপ বাড়তে থাকে। অভিযোগ ওঠে পুলিশ অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। পুলিশের ভূমিকায় বিস্মিত এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ ডিভিশন বেঞ্চ সুয়োমোটো মামলা করে, যোগীর প্রশাসনের কর্তব্যক্তিদের সমন পাঠায়। আদালতের ভর্ত্‍‌সনার মুখে ঘটনার দায় নিজের ঘাড়ে নেনে হাথরসের জেলাশাসক। এদিকে, পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায়, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছেন। পাশাপাশি সিটও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2HeSH7b
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads