৬ মাসের মধ্যেই অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন, আশ্বাস ব্রিটেনের https://ift.tt/2SoB86H - MAS News bengali

৬ মাসের মধ্যেই অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন, আশ্বাস ব্রিটেনের https://ift.tt/2SoB86H

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বড় জোর আর ছ'মাস লাগতে পারে। তার মধ্যেই অক্সফোর্ডের গবেষণায় তৈরি চলে আসবে। ব্রিটিশ সরকারকে উদ্ধৃত করে বিলেতি সংবাদমাধ্যম এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ব্রিটেনের যা ইঙ্গিত তাতে আরও আগেও ভ্যাকসিন চলে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন ইংরেজি বছর শুরুর আগে ভ্যাকসিন চলে এলে, অবার হওয়ার কিছু নেই। সে ভাবেই কাজ এগোচ্ছে। মহামারীর আকার নেওয়ার পর থেকেই একাধিক দেশ ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণায় নেমে পড়েছে। ব্রিটেন থেকে আমেরিকা, রাশিয়া থেকে ইজরায়েল, চিন থেকে ভারত-- নিবিড় গবেষণায় মগ্ন হয়ে রয়েছেন তাবড় বিজ্ঞানীরা। করোনা ভ্যাক্সিনের এই দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাক্সিন। কোভিড সংকটে তাই বিশ্বের অনেক দেশই এখন ব্রিটেনের মুখাপেক্ষী। অক্সফোর্ডের গবেষণা ও ফার্মা সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার মিলিত উদ্যোগে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে অনেক আগেই। সেইসঙ্গে ট্রায়ালও প্রায় শেষ পর্যায়ে। পরীক্ষার সাফল্যই স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ভ্যাকসিনের উত্‍‌পাদন একবার শুরু হলে হুড়োহুড়ি পড়ে যাবে। কারণ, যে পরিমাণ উত্‍পাদন হবে বা সম্ভব, তার থেকে চাহিদা বহুগুণে বেশি। এমত অবস্থায় ‌ব্রিটেনের ভ্যাকসিন সংক্রান্ত জয়েন্ট কমিটি একটি বিশেষ নিয়ম তৈরি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, প্রথম ৬৫ ঊর্ধ্বদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এ ছাড়া যাঁদের কো-মর্বিডিটিস বা অন্য কোনও রোগ রয়েছে, তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে থাকবেন পঞ্চাশোর্ধ্বরা। সবশেষে তরুণ-তরুণীদের দেওয়া হবে এই ভ্যাকসিন। ব্রিটেনের প্রশাসনের তরফে প্রথম পর্যায়ে ১০০ মিলিয়ন ডোজ করোনা ভ্যাকসিনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। সরকারি ভাবে সাফল্য ঘোষণার আগেই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে। তার কারণ, গবেষকরা একরকম নিশ্চিত এই ভ্যাকসিন অন্তত ৫০ শতাংশ সংক্রমণ কমাতে সক্ষম হবে। ইমপেরিয়াল কলেজ অফ লন্ডনের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষক নিলয় শাহ জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন অনুমোদন পেলেও যে এক বছরের মধ্যে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে, তা কিন্তু নয়। তার কারণ, আরও ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। কিছু দিন আগে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের সময় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে ট্রায়াল বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনকী ভারতেও ট্রায়াল বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু, তা ছিল সাময়িক। দিন কয়েকের মধ্যে অক্সফোর্ডের সবুজ সংকেতে স্বস্তি ফেরে। পুনরায় ট্রায়াল শুরু হয়। আরও পড়ুন: এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৮ হাজার মানুষের উপর ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে হয়েছে। কিন্তু, এক ভলান্টিয়ারের স্পাইনাল ডিসঅর্ডার দেখা দেওয়ায়, ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকগুলি খতিয়ে দেখতে সাময়িক ট্রায়াল বন্ধ হয়েছিল। সিরাম ইনস্টিটিউটকেও নোটিশ দিয়ে ট্রায়াল বন্ধ করতে বলা হয়। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সহায়তায় অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি তৈরি হচ্ছে। ভারত বায়োটেকে ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও আইসিএমআর যৌথভাবে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে কো-ভ্যাক্সিন তৈরি করছে। জাইডাস ক্যাডিলার বানাচ্ছে জাইকোভি-ডি। আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড তো রয়েছেই। গত অগস্টে মার্কিন সংস্থা Novavax -এর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের। সেরামই বিশ্বের সবথেকে বড় ভ্যাক্সিন উত্‍পাদনকারী সংস্থা। চুক্তি অনুযায়ী এই সংস্থা ১০০ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরি করবে। সেগুলি ভারত এবং স্বল্প আয়ের দেশগুলিকে দেওয়া হবে। চুক্তি অনুযায়ী, সিরাম ইনস্টিটিউট ভ্যাক্সিনের অ্যান্টিজেন কম্পোনেন্ট NVX-CoV2373 তৈরি করবে। তা দিয়ে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব। মার্কিন সংস্থার এই ভ্যাকসিন বর্তমানে মিড-স্টেজ ট্রায়ালে রয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টও ভালো। উচ্চমানের অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। সংস্থার আশা, বছরের শেষেই তারা চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষা চালাবে। Novavax জানিয়েছে, ২০২১-এর প্রথম অর্ধেই তারা ব্রিটেনকে ৬০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিনের জোগান দেবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ঘোষণা করেছেন করোনা সংকটে ভ্যাকসিন দিয়ে গোটা বিশ্বকে সাহায্য করবেন। রাষ্ট্রপুঞ্জে সম্প্রতি তিনি বলেন, 'ভারতই বিশ্বের সবথেকে বড় ভ্যাকসিন উত্‍পাদনকারী দেশ। তাই আজ গ্লোবাল কমিউনিটিকে আশ্বাস দিয়ে বলতে চাই, এই ক্রাইসিসে পুরো মানবজাতিকে সাহায্য করতে ভ্যাকসিনের উত্‍পাদন ও জোগান দেবে ভারত।' তিনি জানিয়েছেন, ভারত ফেজ ৩ ট্রায়ালের দিকে এগোচ্ছে। ১৫০টি দেশে চিকিত্‍সা সংক্রান্ত সাহায্য করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মোদী। বিশ্বের সব দেশ যাতে সমান ভাবে ভ্যাকসিন পায় তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা( WHO) ও GAVI মিলে একটি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স তৈরি করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে Covax Facility। করোনার ভ্যাকসিন কবে বাজারে আসবে তা নিয়ে আমাদের সকলের মনেই প্রশ্ন রয়েছে। সকলে অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন। আজ, রবিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১টা থেকে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। ট্যুইট করে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। 'সানডে সংবাদ' নামে তিনি একটি লাইভ অনুষ্ঠান করবেন। তাতেই মিলবে ভ্যাকসিনে এ টু জেড প্রশ্নের উত্তর। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। -


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/2Gx8bTp
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads