বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ রফতানিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন https://ift.tt/3mwUPad - MAS News bengali

বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ রফতানিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন https://ift.tt/3mwUPad

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে বিভিন্ন বন্দরে আটকে পড়া পেঁয়াজ রফতানিতে অনুমতি দিল কেন্দ্র। বন্দরে আটকে থেকে পচছিল বস্তা বস্তা পেঁয়াজ। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়। রফাতনির পথে বিভিন্ন জায়গায় আটকে থাকা পেঁয়াজের ক্ষেত্রেই এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। দেশে পেঁয়াজের অগ্নিমূল্যে কেন্দ্র হঠাত্‍‌ করে রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায়, বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল শেখ হাসিনার দেশ। শুক্রবার কেন্দ্রের এই নির্দেশিকার পর, আপাতত স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশকে জরুরি ভিত্তিতে ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নয়াদিল্লির একটি সূত্রের দাবি, জোরালো বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে ভারত নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। গত সোমবার থেকে বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কেন্দ্র। এই অবস্থায় ২৫০ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের বিভিন্ন সড়কে আটকে পড়ে। লোডিং থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ৯-১০ দিন পেরোনোয় অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টিতে পেঁয়াজে পচতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় আটকে থাকা না করলে, আমদানিকারকরা ব্যাপক ভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হলে, বিভিন্ন স্থলবন্দরে কত ট্রাক পেঁয়াজ আটকে রয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে অবিলম্বে তা জানাতে বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত চড়তে থাকায়, ভারতে উত্‍‌পন্ন সব ধরনের পেঁয়াজের রফতানির উপর গত সোমবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কেন্দ্রীয় সরকার। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় 'বেঙ্গালোর রোজ' পেঁয়াজও রয়েছে। 'ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড' অবিলম্বে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার কথা বলে। ভারতে উত্‍‌পন্ন বেঙ্গালোর রোজ ও কৃষ্ণপুরম জাতের পেঁয়াজ সব থেকে বেশি রফতানি হয়। নির্দেশিকার আওতায় এই দু-ধরনের পেঁয়াজই রয়েছে। অতিরিক্ত বর্ষণের কারণে কর্নাটক ও অন্ধ্রপ্রদেশে এ বছর পেঁয়াজের ফলন ব্যাপক ধাক্কা খেয়েছে। জল জমে চাষের জমিতেই নষ্ট হয়েছে বিঘের পর বিঘের জমির পেঁয়াজ। যার প্রভাব পড়েছে দেশীয় বাজারগুলিতে। নিষেধাজ্ঞা জারির দিন দিল্লির হোল সেল মার্কেটে প্রতি কুইন্টাল ৩০০০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। যেখানে ২৮ অগস্ট প্রতি কুইন্টাল পেঁয়াজের দাম ছিল ১২০০ টাকা। আরও পড়ুন: পেঁয়াজের দাম প্রায় তিন গুণ বেড়ে যাওয়ার পরই সরকার সব ধরনের পেঁয়াজ রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে বাধ্য হয়। প্রতি কিলোগ্রাম পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। নির্দেশিকায়, বাংলাদেশ-সহ সব দেশে ভারত থেকে পেঁয়াজ রফতানি অবিলম্বে বন্ধ করার কথা বলা হয়েছিল। আরও পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশ হল ভারত। প্রতি বছর ভারত থেকে ২০ লক্ষ টন পেঁয়াজ রফতানি হয়। বাংলাদেশ, নেপাল, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা ব্যাপক ভাবে ভারতের পেঁয়াজের উপর নির্ভর করে। গত বছর সেপ্টেম্বরেও একবার ভারত পেঁয়াজ রফতানি আচমকা বন্ধ করে দিয়েছিল। যার জেরে বাংলাদেশের বাজারে রাতারাতি পেঁয়াজ হয়ে উঠেছিল অগ্নিমূল্য। হিলি স্থল বন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ জানান, বিভিন্নস্থল বন্দরে এখন যে সব পেঁয়াজভর্তি ট্রাক ওয়াগন দাঁড়িয়ে আছে, এগুলো বাংলাদেশে ঢোকার অনুমতি দেওয়া না হলে আচিরেই বেশিরভাগ পেঁয়াজ পচে নষ্ট হবে, এতে দু-দেশের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। দিল্লির আজাদপুর মান্ডি পট্যাটো অনিয়ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র শর্মা জানান, দেশের বাজারে অগ্নিমূল্যের কারণে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা-- কেন্দ্রের ভালো সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ ভারতে পেঁয়াজের উত্‍‌পাদন এ বার মার খাওয়ায়, বাজারে জোগানের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শর্মার মনে করেন, শুধু রফতানি বন্ধ করে বাজারের ঘাটতি পূরণ হবে না। পাশাপাশি পেঁয়াজ আমদানি করার কথাও কেন্দ্রকে ভাবতে হবে। মার্কেট বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে ৩০ শতাংশ বেশি পেঁয়াজ রফতানি হয়েছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3myO5Zn
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads