অগ্নিমিত্রার অভিযোগ উড়িয়ে লকেটের দাবি, 'মেলার মাঠে দেহব্যবসা চলে মানি না' https://ift.tt/3mUx1NQ - MAS News bengali

অগ্নিমিত্রার অভিযোগ উড়িয়ে লকেটের দাবি, 'মেলার মাঠে দেহব্যবসা চলে মানি না' https://ift.tt/3mUx1NQ

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বভারতীর মেলার মাঠ নিয়ে কিছুদিন আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চা নেত্রী ()। তাঁর অভিযোগ ছিল, 'পৌষমেলার মাঠে দেহব্যবসা চলে।' অগ্নিমিত্রার মন্তব্যে কম বিতর্ক হয়নি। শনিবার বোলপুরে গিয়ে বিশ্বভারতী বিতর্কে জল ঢাললেন বিজেপির আর এক নেত্রী, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি মহিলা মোর্চা নেত্রীর সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা নিয়ে লকেট বলেন, 'পৌষমেলার মাঠে দেহব্যবসা চলছে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। মানিও না।' শনিবার বোলপুরে কেন্দ্রের কৃষিবিল নিয়ে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছিলেন হুগলির সাংসদ ()। বিজেপির সাংসদকে সামনে পেয়ে স্বাভাবিক ভাবেই উঠল বিশ্বভারতী প্রসঙ্গ। মেলার মাঠ বিতর্কে অগ্নিমিত্রা পলের অভিযোগ নস্যাত্‍‌ করে দেন লকেট। বিজেপি সাংসদের মন্তব্য, 'বিশ্বভারতী মানেই খোলা আকাশ, খোলা প্রাণের জায়গা। পৌষমেলার মাঠে সেক্স-র‍্যাকেট চলছে, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না। মানিও না।' অগ্নিমিত্রার নাম না করেই তারকা সাংসদের সংযোজন, 'কে বলেছে আমি জানি না। বিশ্বভারতী নিয়ে এই ধরনের কথা বললে আমার মন খারাপ লাগে।' মেলার মাঠে পাঁচিল তোলা নিয়ে বিশ্বভারতী ()-তে যে নজিরবিহীন অশান্তি তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতেই বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল এমন বিতর্কিত মন্তব্য করেন। শান্তিনিকেতনে গিয়ে দাবি করেন, পৌষমেলার মাঠে দেহব্যবসা চলে। তাই পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দিলে অনেকের অসুবিধা হবে। তাঁরাই বিরোধিতা করছেন। বিশ্বভারতীর বর্তমান উপাচার্য বিদ্যুত্‍ চক্রবর্তী অগ্নিমিত্রা পলের মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। তবে, এর বিরোধিতা করেছিলেন বিজেপিরই আর এক সাংসদ, বিশ্বভারতীর প্রাক্তন শিক্ষক অনুপম হাজরা। এ বার লকেট চট্টোপাধ্যায়ও অগ্নিমিত্রার বিরোধিতা করলেন। আরও পড়ুন: কেন্দ্রের কৃষিবিল নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের অবস্থানের বিরোধিতা করেন হুগলির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশমতো কৃষিবিলের ইতিবাচক দিক বোঝাতে ময়দানে নেমে পড়েছেন লকেটও। সেইসূত্রে রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করেন। আরও পড়ুন: নয়া কৃষিবিল নিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ব্য়াখ্যা, আগের আইনে বলা ছিল, কৃষকদের উত্‍পাদিত ফসল মাণ্ডিতে দিতে হবে। যেখানে হিমঘর নেই, সেখানে ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নতুন আইনে কৃষকেরা ঠিক করবেন তাঁরা ফসল কোথায় রাখবেন বা কাকে দেবেন। কৃষিজীবীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, এই আইনে পরিষ্কার বলা আছে, কৃষকদের জমি কৃষকদের থাকবে। কেউ নিতে পারবে না। গোরু পাচারের প্রসঙ্গ উঠলে বিজেপি সাংসদ বলেন, গোরুপাচারে তো পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে। তাঁর দাবি, সীমান্ত দিয়ে গোরাপাচার করে কোটি কোটি টাকা আসছে। সে টাকা রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের পকেটে যাচ্ছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/341oMa6
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads