অ্যান্টিবডি ছোটদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ! https://ift.tt/32TTEZz - MAS News bengali

অ্যান্টিবডি ছোটদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ! https://ift.tt/32TTEZz

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরে একবার অ্যান্টিবডি তৈরি গেলে, ভাইরাস আর থাকবে কোথা থেকে? হ্যাঁ, বিজ্ঞান সে কথাই বলে। ভাইরাস আর অ্যান্টিবডি শরীরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। একবার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেলেই তাই নিশ্চিন্ত। ফিরে সংক্রমণের সম্ভাবনা ঠেকিয়ে দেবে অ্যান্টিবডি। কিন্তু, এই করেনাভাইরাস বা কোভিজ-১৯ কিন্তু অদ্ভুত আচরণ শুরু করেছে। হঠাত্‍‌ করে নয়, প্রথম থেকেই কোভিডের মতিগতি বোঝা ভার। অন্য ভাইরাসের থেকে স্বভাবে-চরিত্রে আলাদা বৈশিষ্ট্য চোখে পড়েছে। সম্প্রতি এক মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধরা পড়ে, ছোটদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যাওয়ার পরেও তারা কিন্তু অন্যকে করোনায় সংক্রামিত করতে পারে। তার কারণ, অনেক শিশুর ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হলেও পাশাপাশি ভাইরাসও থেকে গিয়েছে। যে ভাইরাস অন্যকে সংক্রামিত করার ক্ষমতা রাখে। অর্থাত্‍‌ কোনও শিশু সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পর, অন্যের জন্য নিরাপদ, এমন না-ও হতে পারে। তার থেকে আরও কেউ সংক্রামিত হতে পারে। আবার ভাইরাস শরীরে থেকে যাওয়া মানে, শিশুটির নিজের জন্যও ঝুঁকির। গবেষকরা বলছেন, ওই শিশুদের 'ইমিউন রেসপন্স' তাদের নিজেদের সুরক্ষার পক্ষেই যথেষ্ট নয়। কোভিড আক্রান্তদের নিয়ে ওয়াশিংটন ডিসির চিলড্রেন'স ন্যাশনাল হসপিটালের ডাক্তারদের একটি সমীক্ষায় এমনটাই সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার 'জার্নাল অফ পেডিয়াট্রিকস'-এ এই রিপোর্টটি ছাপা হয়েছে। কোভিড-১৯ এর জন্য দায়ী ভাইরাসে আক্রান্ত ৬,৩৬৯ জন শিশুর উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। ১৩ মার্চ থেকে ২১ জনের মধ্যে এর মধ্যে ২১৫ শিশুর অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয়। তখনই ডাক্তাররা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেন, ৩৩ জনের শরীরে একই সময়ে একই সঙ্গে ভাইরাস ও অ্যান্টিবডি রয়েছে। এই গবেষক দলের অন্যতম বুরাক বাহার বলেন, 'বেশির ভাগ ভাইরাসের ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীরে আপনি যখন একবার অ্যান্টিবডির খোঁজ পাবেন, আর ভাইরাস খুঁজে পাবেন না। তার মানে, ছোটদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যাওয়ার পরেও ভাইরাস ছড়ানোর ক্ষমতা তাদের মধ্যে থেকে যায়। অ্যান্টিবডির উপস্থিতিতে ভাইরাস কী ভাবে সংক্রামিত হচ্ছে, তা কিন্তু অজানাই থেকে গিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সম্প্রতি অন্য আর একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর একজনের শরীরে অ্যান্টিবডি তিন থেকে ছ-মাস পর্যন্ত থাকতে পারে। আরও পড়ুন: ওয়াশিংটন ডিসির এই ডাক্তাররা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, করোনাভাইরাসের অনেক কিছুই এখনও পর্যন্ত অজানা থেকে গিয়েছে। এই অবস্থায় কিন্ডারগার্টেনস ও প্রাইমারি স্কুল খোলার উদ্য়োগ কিন্তু ঝুঁকির। ছোটদের থেকে পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যেও করোনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্কুল খুলে গেলে ছোটদের মধ্যে মুখে মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব রক্ষা, হাইজিনের মতো বিষয়গুলি বজায় রাখা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। আরও পড়ুন: ন্যাশনাল হসপিটালের এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সি বাচ্চাদের সুস্থ হতেই সবথেকে বেশি ৩২ দিন সময় লাগছে। ১৬ থেকে ২২ যাদের বয়স, তাদের সুস্থ হতে লাগছে মাত্র ১৮ দিন। আবার মেয়েদের ক্ষেত্রে যাদের বয়স ৬-১৫ বছরের মধ্যে করোনা থেকে সুস্থ হতে লেগে যাচ্ছে ৪৪ দিন। যেখানে একই বয়সি পুরুষদের ক্ষেত্রে সময় লাগছে ২৫.৫ দিন। করোনা মহামারীর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে গত জুনে ছোটদের স্কুল খুলে দিয়েছিল আমেরিকা। রিপোর্ট বলছে, অগস্ট পর্যন্ত ৭৮ হাজারের উপর শিশু শুধু স্কুলে গিয়ে করোনার শিকার হয়। আক্রান্তদের মধ্যে কয়েক হাজার শিশু মারাও গিয়েছে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3gYWJN1
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads