হোয়াটসঅ্যাপে স্বামীর তিন তালাকে অস্থির NRI মহিলা, ন্যায়বিচারের আশ্বাসে ভরসা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী https://ift.tt/3aMfXnn - MAS News bengali

হোয়াটসঅ্যাপে স্বামীর তিন তালাকে অস্থির NRI মহিলা, ন্যায়বিচারের আশ্বাসে ভরসা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী https://ift.tt/3aMfXnn

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মোদী জমানায় মুসলিম মহিলাদের অধিকার ও বিয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তাত্‍‌ক্ষণিক আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু, সেসবের তোয়াক্কা না-করেই সিঙ্গাপুরবাসী স্বামী হোয়াটসঅ্যাপ কল করে, তিন তালাক দেন স্ত্রীকে। হোয়াটসঅ্যাপে স্বামীর এই বিচ্ছেদ ফোনে স্বভাবতই অস্থির হয়ে পড়েন ওই মুসলিম মহিলা। সেইসঙ্গে তিন তালাকের মেসেজও। এ নিয়ে দিন কয়েকের মানসিক টানাপোড়েনের পর স্বামীকে অভিযুক্ত করে ভোপালের লোকাল থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে জানান, স্বামী তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ কল করে, তিন তালাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। ভারতে তাত্‍‌ক্ষণিক তিন তালাক নিষিদ্ধ হওয়ায়, লোকাল থানা অভিযোগ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, মহিলা নিজেও অনাবাসী। স্বামীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরে থাকেন। দিন কয়েক আগে ভোপালের বাড়িতে আসেন। তার মধ্যেই শুক্রবার ঘটে যায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আরও পড়ুন: এই ঘটনায় সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে চর্চার মধ্যেই মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের কানে পৌঁছায় এই ঘটনা। তিনি ওই মুসলিম মহিলাকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তিন তালাকের এই মামলাটি এখন হাই প্রোফাইল। আরও পড়ুন: পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের মূল বাড়ি ভোপালে হলেও কর্মসূত্রে তিনি নিজে দীর্ঘ দিন বেঙ্গালুরুতে কাটিয়েছেন। সেখানকার একটি হোটেলে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। যদিও তাঁর পরিবার ভোপালেই থাকে। শুক্রবার ভোপালের কোহেফিজা থানায় দায়ের করা এফআইআরে বছর বিয়াল্লিশের মহিলা জানান, কোহেফিজা অঞ্চলের ফৈয়াজ আলম আনসারির সঙ্গে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর পরিবার নিয়ে বেঙ্গালুরু থেকে সিঙ্গাপুরে যান আনসারি। এখন তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দু'জনেই সিঙ্গাপুরের নাগরিক। কোহেফিজা থানার অফিসার অনিল বাজপাই জানান, মহিলার অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর স্বামী আনসারি নিয়মিত তাঁকে হেনস্থা করেন। যৌতুক হিসেবে শ্বশুরবাড়ি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা আদায়ে, স্ত্রীর উপর পীড়াপীড়ি করতে থাকেন। তিনি আরও জানান, ২০১৩ সালেই স্বামী-স্ত্রী সিঙ্গাপুরে শিফট করেন। চলতি বছর জুন মাসে ওই মুসলিম মহিলা তাঁর বাপের বাড়িতে আসেন। ৩১ জুলাই স্বামী তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ কল করেন। সেসময় তাঁকে তিন তালাক দেন। পুলিশ অফিসার জানান, অভিযুক্ত আনসারির বিরুদ্ধে যৌতুক নিষিদ্ধ আইন এবং মুসলিম মহিলা বিবাহ অধিকার রক্ষা আইনে এফআইআর রুজু হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ট্যুইটের পর মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুক্রবার সকালে ভোপালের এক মুসলিম বোন তিন তালাক নিয়ে এফআইআর রুজু করেছেন। তাঁর স্বামী তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে তালাক দিয়েছেন। আমি ওই বোনকে আশ্বস্ত করছি, মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ করবে। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3gdr6ik
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads