Ajker Khobor
Bangla News
Bengali News
Latest Bengali News - Ei Samay
বাংলা খবর
from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/AOGgybr
আঁতাঁত 'ত্রিমূর্তি'র, চাকরির কুশীলব কুন্তল-তাপস-শান্তনু https://ift.tt/Y9l35S1
এই সময়: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত এতদিন দাবি করে এসেছেন, শিক্ষা দপ্তরে চাকরির জন্য তিনি হুগলির তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে ১৯ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। আর শনিবার আদালতে দাবি করল, শুক্রবার ধৃত শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই ওই টাকা কুন্তলকে দিয়েছিলেন তাপস। তদন্তে জানা গিয়েছে, ‘ত্রিমূর্তির’ আঁতাঁতে শিক্ষা দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে রফা করে অযোগ্যদের চাকরির বন্দোবস্ত করা হতো। শুধু প্রাথমিকে নয়, উচ্চ প্রাথমিক, একাদশ-দ্বাদশ, গ্রুপ-সি এবং গ্রু-ডি পদে নিয়োগেও অযোগ্যদের চাকরির ক্ষেত্রে শান্তনুই ছিলেন নিয়ন্ত্রক। তাঁকে সাহায্য করতেন কুন্তল এবং তাপস। শান্তনু, কুন্তল এবং তাপস - এই ত্রিমূর্তি অযোগ্যদের চাকরির নামে এ পর্যন্ত ঠিক কত কোটি টাকা তুলেছেন, এ বার তারই হিসেব কষতে শুরু করেছে ED। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে শান্তনুর আর্থিক লেনদেন ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও শনিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের মুখ্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে হাজির করানোর সময়ে শান্তনু দাবি করেন, ‘জেলে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরাই চক্রান্ত করে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন। পরে আদালতে সব বলব।’ তিনি অবশ্য ঠিক কার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন, তা আদালতে আর স্পষ্ট করেননি শান্তনু। তাপস এবং কুন্তল একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষী বলে প্রকাশ্যে বিষোদ্গার করেননি কেউ। এ দিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে তাঁর মেডিক্যাল টেস্ট করানোর পর দুপুরে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পেশ করা হয় শান্তনুকে। সওয়াল-জবাবে অভিযুক্তের পক্ষের কৌঁসুলি বলেন, "ED ভুয়ো মামলা সাজিয়ে আমার মক্কেলকে গ্রেপ্তার করেছে। আয়করের নথি এবং সম্পত্তির হিসেব দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার করার পরেও পরিবারকে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।" এ কথা অস্বীকার করে ইডি-র কৌঁসুলি ফিরোজ এডুলজি বলেন, "শান্তনুর স্ত্রীকে ফোন করা হলেও তিনি অ্যারেস্ট মেমোয় সই করতে অস্বীকার করেন। মানিক ভট্টাচার্যের গ্রেপ্তারির সময়েও এমনই অভিযোগ করা হয়েছিল।"ED-র দাবি, সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল কুন্তলের। বিএড-ডিএলএড কলেজ মালিক সংগঠনের কর্মকর্তা ছিলেন বলে তাপসের উপরে ইচ্ছুক চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা তৈরির দায়িত্ব ছিল। গত ২০ জানুয়ারি হুগলির বলাগড়ে শান্তনুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ জনের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড এবং নামের তালিকা পেয়েছিলেন ED আধিকারিকরা। পরে তা শিক্ষা দপ্তরের তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। তা থেকে জানা যায়, উদ্ধার হওয়ায় তালিকার মধ্যে বেশ ক’জন শিক্ষা দপ্তরের বিভিন্ন বিভাগে চাকরি পেয়েছেন।ED-র জেরায় জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে ইএম বাইপাসের ধারে বহুতল কমপ্লেক্সে কুন্তলের একটি ফ্ল্যাটে তিনি শান্তনুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ওই দিন বৈঠকে সংগঠক শিক্ষকদের চাকরি ‘রেগুলারাইজ’ করা নিয়েও আলোচনা হয়। শনিবার ED-র তরফে এডুলজি ছাড়াও সওয়াল করেন আর এক কৌঁসুলি ভাস্করপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তনুর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন প্রীতম ভট্টাচার্য এবং রাজেন্দ্রপ্রসাদ রায়চৌধুরী। তাঁদের যু্ক্তি, ‘ছ’বার ডাকা হয়েছে, মক্কেল গিয়েছেন। এর পরেও ED বলছে, সহযোগিতা করেননি।’ আইনজীবীদের দাবি, ‘শান্তনুর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে সম্পত্তি রয়েছে। ধাবা আছে হুগলিতে। ইভান কন্ট্র্যাক্ট প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি আছে শান্তনুর স্ত্রীর নামে আছে। আরও বেনামি সম্পত্তি এবং জমি রয়েছে। এই ঘটনায় বিরাট সামাজিক প্রভাব পড়ছে। শুধু প্রাইমারি নিয়ে আগে এই দুর্নীতির অভিযোগ ছিল, এখন কিন্তু দেখা যাচ্ছে, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাই দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।’ এ দিন দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে ১৩ মার্চ পর্যন্ত শান্তনুর ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।
from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/AOGgybr
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment