ফের ইডির তল্লাশিতে মিলল বিপুল গয়না আর কোটি কোটি টাকা https://ift.tt/BHS0Ctq - MAS News bengali

ফের ইডির তল্লাশিতে মিলল বিপুল গয়না আর কোটি কোটি টাকা https://ift.tt/BHS0Ctq

ফের অভিযান চালিয়ে করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। মুম্বই ও নাগপুরে এই অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। অভিযান ৫.৫১ কোটি টাকার গয়না ও নগদ ১.২১ কোটি হয়েছে বলে ED সূত্রে খবর মিলেছে। গত ৩ মার্চ মুম্বই এবং নাগপুরের ১৫টি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। পঙ্কজ মেহাদিয়া, লোকেশ জৈন, কার্তিক জৈন নামে ৩ ব্যক্তির বাড়ি এবং অফিসে এই তল্লাশি চালানো হয়। আর্থিক কেলেঙ্কারিতে ওই ৩ ব্যক্তি অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। সোনার গয়না ও নগদ অর্থ ছাড়াও, তল্লাশি চালিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস এবং একধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরাসূত্রের খবর, বেশ কয়েকদিন আগে নাগপুরে সিতাবুলদি থানায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগে একটি FIR দায়ের করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইডি।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পঙ্কজ এবং তাঁর সহযোগীরা মিলে একটি চিটফান্ড চালাতেন। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার আশায় বহু মানুষ এই চিটফান্ডে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগের উপর টিডিএস কেটে ১২ শতাংশ নিশ্চিত রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাজার থেকে টাকা তোলা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ED-র তদন্তকারীরা। ২০০৪ থেকে ২০১৭-র মধ্যে অতিরিক্ত মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে পঙ্কজরা বিনিয়োগকারীদের থেকে টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও প্রতিশ্রুতি মতো তাঁরা টাকা ফিরিয়ে দেননি বলে জানিয়েছে ED। এর পরই বিনিয়োগকারীদের একাংশ FIR দায়ের করেন। নাগপুরের থানায় FIR দায়ের হতেই তদন্তে নামে ED। প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। পরে অভিযুক্তদের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়ে কোটি কোটি টাকা ও গয়না উদ্ধার করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, চলতি বছরের পয়লা মার্চ কলকাতায় একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আলিপুরের বর্ধমান রোডে এক আইনজীবীর বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পরে ওই আইনজীবীর ডালহৌসি অফিসেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। আলিপুরের আইনজীবীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। ওই দিন কলকাতা শহরের মোট ১০টি স্থানে এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও কলকাতা ও মুম্বইয়ের একাধিক এলাকায় তল্লাশিতে নেমেছিল ইডি। একটি চিনিকল দুর্নীতির অভিযোগে এই তল্লাশি হয় বলে জানা গিয়েছিল। ইডি সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের ওই চিনিকলের অফিস রয়েছে কলকাতায়। সেই সূত্র ধরে কলকাতায় বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে ওই চিনিকল সংস্থার অফিসে হানা দিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা।। বিপুল পরিমাণ কালো টাকা বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের এই বেনামি কোম্পানি মারফত হাওয়ালার মাধ্যমে পাচার করা হত বলে অনুমান তদন্তকারীদের।


from Bengali News, বাংলা খবর, Bangla News, Ajker Khobor, Latest Bengali News - Ei Samay https://ift.tt/yJA901W
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads