কোর্টের তোপ, ৩ দিনে ৪৪ বিচারপতির নিয়োগে সায় কেন্দ্র https://ift.tt/nCXp79L - MAS News bengali

কোর্টের তোপ, ৩ দিনে ৪৪ বিচারপতির নিয়োগে সায় কেন্দ্র https://ift.tt/nCXp79L

এই সময়, নয়াদিল্লি: বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা কেন বিচারপতিদের কলেজিয়ামের হাতে থাকবে, তা নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্র ও বিচারবিভাগের টানাপড়েন চলছে। বনাম নরেন্দ্র মোদী সরকারের এই বিরোধে কিছুটা হলেও সুর নরম করতে বাধ্য হলো কেন্দ্র। শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন ও ভর্ৎসনার মুখে আটর্নি জেনারেল শুক্রবার জানালেন, তিন দিনের মধ্যে কলেজিয়ামের প্রস্তাবিত ৪৪ জন বিচারপতির নিয়োগে অনুমোদন দেবে সরকার৷ দীর্ঘ দিন আগে সুপারিশ করা সত্ত্বেও কেন বিভিন্ন হাইকোর্টে বিচারপতি নিয়োগে এত গড়িমসি, কেন কেন্দ্র বিচারপতি নিয়োগ বা বদলির ব্যাপারে কলেজিয়ামের সুপারিশে অনুমোদন দিচ্ছে না--তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালতে দায়ের হয়েছিল মামলা। শুক্রবার সেই মামলা ওঠে বিচারপতি এসকে কওল এবং বিচারপতি এএস ওকার বেঞ্চে। সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামানি জানান, তিন দিনের মধ্যে কেন্দ্রের তরফে ৪৪ জন বিচারপতির নামে অনুমোদন দেওয়া হবে৷ সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টগুলিতে বিচারপতি নিয়োগ ও বদলির দায়িত্বে থাকা কলেজিয়াম অবশ্য ১০৪ জন বিচারপতির নাম সুপারিশ করেছিল। তার মধ্যে মাত্র ৪৪ জনের নামে অনুমোদনের কেন্দ্রীয় আশ্বাসে একেবারেই সন্তুষ্ট হননি বিচারপতিরা৷ তাঁদের বক্তব্য, 'বিচারপতিদের বদলি সংক্রান্ত দশটি সুপারিশ করা হয়েছিল সেপ্টেম্বর এবং নভেম্বরের শেষে৷ বিচারপতিদের বদলির ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা খুবই সীমিত৷ তার পরেও যে ভাবে বিষয়টিকে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে, তাতে ভুল বার্তা যাচ্ছে৷ মনে হচ্ছে, এ ব্যাপারে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ রয়েছে। এই বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয়৷' বিচারপতিদের এই মন্তব্যের জবাবে চুপ করে থাকেন অ্যাটর্নি জেনারেল৷ বক্তব্য, 'প্রতিটি পদ্ধতির মধ্যেই কিছু ত্রুটি থাকতে পারে৷ কিন্তু বর্তমান আইনকে মানতেই হবে৷ আপনারা কলেজিয়ামের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্যে নতুন নিয়ম আনতে চাইলে আইনসভার মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করতে পারেন৷' শীর্ষ আদালতে নিয়োগের জন্য পাঁচ জন বিচারপতির নাম সুপারিশ করেছিল কলেজিয়াম। সেগুলিতে কেন অনুমোদন দেওয়া হয়নি, প্রশ্ন তোলে কওলের বেঞ্চ। অস্বস্তিতে পড়া বেঙ্কটরামানি বলেন, 'এঁদের বিষয়ে আমার কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। কিছু বক্তব্যও রয়েছে৷ কয়েক দিন সময় পেলে খুব ভালো হয়।' তাঁর কথায় সম্মত হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে৷ গত কয়েক মাসে প্রশ্নে কেন্দ্রের সঙ্গে শীর্ষ আদালতের বিরোধ চরমে উঠেছে৷ কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়-সহ অনেকেই কলেজিয়ামের দ্বারা বিচারপতি নিয়োগের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে থাকা উচিত। তবে শুক্রবার কেন্দ্রের প্রতিনিধি আটর্নি জেনারেলকে বিচারপতিরা সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা এই ধরনের মন্তব্যকে মোটেই ভালো চোখে দেখছেন না৷ নতুন আইন না আসা পর্যন্ত বিচারপতি নিয়োগ ও বদলিতে কলেজিয়াম পদ্ধতিই মানতে হবে। সেই সঙ্গেই আদালতের তরফে মৌখিক ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, আইনজীবীদের বিচারপতি পদে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তাঁরা কোন মামলাতে কী দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছেন বা মতামত রেখেছেন, তা বিচার্য হবে না।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/Jmp0X3V
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads