সাগরে এক পয়সার বাতাসাও দেয়নি কেন্দ্র, আক্রমণ মমতার https://ift.tt/8ozuIlj - MAS News bengali

সাগরে এক পয়সার বাতাসাও দেয়নি কেন্দ্র, আক্রমণ মমতার https://ift.tt/8ozuIlj

সুগত বন্দ্যোপাধ্যায় গঙ্গাসাগর গঙ্গাসাগরকে কুম্ভমেলার সঙ্গে তুলনা করে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে ফের বিঁধলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সাগরদ্বীপে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি দেখতে গিয়ে তাঁর কথায় এই প্রসঙ্গে বার বার কেন্দ্রের বঞ্চনার প্রসঙ্গ এসেছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'কুম্ভমেলা সারা পৃথিবীর বিরল এক মেলা। অনেক লোক সেখানে যায়। গঙ্গাসাগর মেলাতেও বহু লোকের সমাগম হয়। তা ছাড়া, কুম্ভমেলা ওয়েল কানেক্টেড। আকাশপথে, রেলপথে যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু জল পেরিয়ে গঙ্গাসাগরে আসতে এবং ফিরতে হবে। যা খুবই কঠিন। ৪০-৫০ লক্ষ মানুষ এই ভাবেই আসেন। সেই জন্যই বলে, সব তীর্থ বার বার, গঙ্গাসাগর একবার।' এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'কুম্ভমেলার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার সম্পূর্ণ সাহায্য করলেও গঙ্গাসাগরে এক পয়সার বাতাসা দিয়েও সাহায্য করেনি। কেন দেবে না? কেন্দ্রীয় সরকারকে বার বার চিঠি দিয়েছি। কোনও বিচার পাইনি। এই মেলার জন্য সব খরচ রাজ্য সরকার করে।' মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, 'এখানে আসার জন্য আগে চার ঘণ্টা অন্তর লঞ্চ পরিষেবা ছিল। এটাই মেলায় আসার একমাত্র পথ। এখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ ঘণ্টা লঞ্চ পরিষেবা পাওয়া যায়। আগের সরকার তীর্থকর বসিয়েছিল। আমরা তা তুলে দিয়েছি। রাজ্য সরকার নিজের পয়সায় সাগরের উন্নয়ন করছে।' মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গাসাগর মেলাকে 'জাতীয় মেলা' হিসেবে ঘোষণা করার দাবিও তোলেন। তাঁর সাফ কথা, 'যদি কেউ না-করে, তা হলে সেটা তাদের ভুল। তবে আজ না-হয় কাল, তাদের এই ঘোষণা করতেই হবে।' এর আগেও কুম্ভমেলার সঙ্গে তুলনা করে গঙ্গাসাগরে কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরব হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন দুপুরে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে সাগরে এসে পৌঁছন মেলার প্রস্তুতি দেখতে। ৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে। হেলিকপ্টার থেকে নেমেই মুখ্যমন্ত্রী ৫ কোটি টাকা খরচে নির্মিত তিনটি স্থায়ী হেলিপ্যাডের উদ্বোধন করেন। ওই মঞ্চ থেকে তিনি ভার্চুয়াল সূচনা করেন ৪০ মিটার দীর্ঘ কামারহাট সেতু ও সাগরে কপিলমুনির আশ্রমের আলোকসজ্জা-সহ মেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্পের। এর পর মুখ্যমন্ত্রী ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে যান। সেখান থেকে কপিলমুনির আশ্রমে রওনা হওয়ার জন্য গাড়িতে ওঠার আগে মুখ্যমন্ত্রী হঠাৎই একটি দোকানে ঢুকে পড়ে শাঁখের তৈরি সামগ্রী দেখেন, কিছু জিনিস কেনেনও। দোকানের মালিকের সঙ্গে কথা বলে তাঁর বাড়ি কোথায়, পরিবারে সদস্য ক'জন, ব্যবসা কেমন হয়, বাড়ির মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন কি না- এ সব খোঁজ নেন। মুখ্যমন্ত্রীকে দোকানদার জানান, তাঁর বাড়ির সঙ্গেই এই দোকান। মুখ্যমন্ত্রী তখন কথা বলতে বলতে ওই বাড়িতে ঢুকে যান। সেখানে মিনিট দশেক ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী গেলে প্রধান পুরোহিত জ্ঞানদাস মোহন্ত তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। মন্দিরে পুজো দিয়ে কিছুক্ষণ মোহন্ত মহারাজের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। গঙ্গাসাগর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অবজ্ঞার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'মুড়িগঙ্গার উপর ব্রিজ নির্মাণের প্রয়োজন। সেটা হলে সুন্দরবনের মানুষের খুব কাজে লাগবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ি এই ব্রিজ নিয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে তিনি তো এখন ওই দপ্তরেই নেই।' মমতার কথায়, 'ওই ব্রিজ নির্মাণের খরচ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। সেটা কী ভাবে করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিপিআর তৈরি করে দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে করে ফেলব। সময় লাগবে। আবারও কেন্দ্রের কাছে বলব। দরকার হলে নীতি আয়োগকে বলব। তবে আমরা কেন্দ্রের কাছে ভিক্ষে চাই না। ইয়াস এসেছিল। সাগরের একটা অংশে ধস নামল। কেন্দ্র তো টাকা দিল না। রাজ্যই নিজের পয়সায় সব কাজ করেছে।'


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/m0M9FAV
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads