নেশা হল কতটা? বারে পরীক্ষার বিধি ঘিরে বিতর্ক শহরে https://ift.tt/6ikjJ38 - MAS News bengali

নেশা হল কতটা? বারে পরীক্ষার বিধি ঘিরে বিতর্ক শহরে https://ift.tt/6ikjJ38

এই সময়: বার থেকে বেরোনোর সময়ে খদ্দেরদের (Breathalyzer Test) করানো বাধ্যতামূলক করল ()। তার জন্য বারের মালিক এবং ম্যানেজারদের পুলিশের তরফে চিঠি ধরানো হচ্ছে। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনারের (সদর) সই করা ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, বার (Bar) থেকে যাওয়ার সময়ে কাউকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে তিনি যাতে গাড়ি চালিয়ে না যান, সেটা বার কর্তৃপক্ষকেই দেখতে হবে। দরকার হলে তাঁর জন্য বিকল্প গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে। এই ফরমান জারি হওয়ায় শহরের বারের মালিকরা রীতিমতো চিন্তায় পড়েছেন। মালিকরা জানাচ্ছেন, কলকাতার রাজপথে পুলিশের নাকা চেকিং বেড়ে যাওয়া এবং রাস্তায় গাড়ি আটকে চালকদের ব্রেথ অ্যানালাইজ়ার টেস্ট করানোয় এমনিতেই কলকাতার বিভিন্ন বার ও রেস্তরাঁয় খদ্দের কমেছে। তার উপর বারের গেটে ব্রেথ অ্যানালাইজ়ার টেস্ট শুরু হলে লোকে বারে আসতেই ভয় পাবে। শহরতলি থেকে যাঁরা কলকাতার বিভিন্ন বার-রেস্তরাঁয় মদ্যপান করতে আসতেন, তাঁরা আসা কমিয়ে দিয়েছেন। কলকাতার বদলে এখন ভিড় বাড়ছে কলকাতার লাগোয়া জেলার বার ও রেস্তরাঁয়। কারণ, সেখানে পুলিশের অত কড়াকড়ি নেই। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কলকাতার বারের মালিকরা। বেঙ্গল হোটেল অ্যান্ড বার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (Bengal Hotel And Bar Owners Association)সম্পাদক অচিন্ত্য বসু বলেন, 'দু'পেগের বেশি মদ খেলেই ব্রেথ অ্যানালাইজ়ার টেস্টে ধরা পড়ে। বারে যাঁরা আসছেন, তারা কতটা করবেন, সেটা তাঁদের ব্যাপার। কারও তিন পেগে নেশা হয়। কারও সাত-আট পেগেও নেশা হয় না। আমরা কখনও খদ্দেরদের মদের মাপ ঠিক করে দিতে পারি না।' তাঁর সংযোজন, 'একদিকে সরকার মোটা টাকার বিনিময়ে বারের লাইসেন্স দিচ্ছে। আবগারি দপ্তর থেকে আমাদের জানানো হচ্ছে, মদ বিক্রি বাড়ানোর জন্য। আবার মদ খাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে। এটা অবাস্তব পরিকল্পনা।' অচিন্ত্যের দাবি, গত কয়েক মাসে কলকাতায় বারের ব্যবসা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। তাঁর উল্টোডাঙার একটি বারে আগে দিনে প্রায় ৪০-৪৫ হাজার টাকার মদ বিক্রি হতো। সেটা নেমে এসেছে ১৫-১৬ হাজারে। ধর্মতলার এক বারের মালিকের বক্তব্য, 'কলকাতা পুলিশের নতুন নিয়ম মানতে হলে মদ্যপদের বাড়ি পাঠানোর জন্য আলাদা করে লোক নিয়োগ করতে হবে। তার সঙ্গে নিজেদের গাড়িও মজুত রাখতে হবে। তার জন্য যে টাকা খরচ হবে, সেটা কে মেটাবে?' এক শীর্ষকর্তার ব্যাখ্যা, 'রাতের দিকে রাস্তায় নাকা চেকিং বাড়ানো এবং চালকদের ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্ট করানোয় কলকাতা শহরে পথ দুর্ঘটনা কমেছে। মদ খেয়ে গাড়ি চালানো এমনিতেই আইনত অপরাধ। শহরের অধিকাংশ লোকই বারে মদ খান। সেখানেই যদি তাঁদের আটকে দেওয়া যায়, তা হলে নাকা চেকিংয়ের দরকারই পড়বে না।' পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজীব কুমার কলকাতার পুলিশ কমিশনার থাকাকালীন মদ্যপদের জন্য একটা নিয়ম চালু করতে চেয়েছিলেন। সেই সময়ে কলকাতা পুলিশের তরফে বারের মালিকদের অনুরোধ করা হয়েছিল, বার থেকে কেউ মদ্যপ অবস্থায় বেরোলে তাঁকে যেন আসনে বসতে না দেওয়া হয়। তাঁদের জন্য বিকল্প গাড়ির ব্যবস্থা করার কথাও জানানো হয়েছিল। যদিও বারের মালিকদের আপত্তিতে সেই নিয়ম কার্যকর হয়নি।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/TUr2tSE
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads