‘চিন-পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই’, আমেরিকার রিপোর্টে উদ্বেগ https://ift.tt/Ak6zuil - MAS News bengali

‘চিন-পাকিস্তানে ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই’, আমেরিকার রিপোর্টে উদ্বেগ https://ift.tt/Ak6zuil

চিন ও পাকিস্তানের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি এই ইস্যুতে ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করেছে আমেরিকা। মঙ্গলবার মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র বলেন, “চিন ও পাকিস্তানের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। সেখানকার সংখ্যালঘুদের অবস্থা সত্যিই উদ্বেগজনক।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দাবি, এক্ষেত্রে সংখ্যালঘু বলতে মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দু ও শিখদের বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে চিনের ক্ষেত্রে উইঘুর মুসলিমদের উপর অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছে আমেরিকা। এই নিয়ে গত সপ্তাহে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, “মোট ১২টি দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা তলানিতে গিয়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে একেবারে সামনের সারিতে রয়েছে চিন ও পাকিস্তান। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে মায়ানমারের নাম।” এই দেশগুলিতে সংংখ্যালঘুদের হেনস্থা, ধর্মান্তকরণ এবং হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে বলে দাবি করেছেন তিনি। অন্যদিকে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে ভারতের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে গলায়। মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে মঙ্গলবার বলা হয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। ওই দেশে বহু ধর্মের এবং জাতির মানুষ বসবাস করেন। কিন্তু সরকার বা সমাজের তরফে তাঁদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর কখনই হস্তক্ষেপ করা হয় না। তবে ভারতেও কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, যা কাঙ্খিত নয় বলে দাবি করেছেন ওই মার্কিন আধিকারিক। তাঁর কথায়, “ভারতের ঘটনাগুলিও আমরা লিপিবদ্ধ করেছি। এবং সমস্ত ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে।” এর আগে ভারতে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলে পশ্চিমী দেশগুলির একাংশ। যা প্রতিবার খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ২০১৯-এ জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপ করে সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫ (ক) ধারা বাতিল করা হয়। এর পর কাশ্মীরে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বারবার দাবি করতে শুরু করে পাকিস্তানে। ইসলামাবাদের এই মিথ্যে দাবিতে খুব একটা লাভ হয়নি। বিশ্বের কোনও দেশই অভিযোগকে আমল দেয়নি। সেই আবহে এবার সামনে এল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া। যা নয়াদিল্লির কাছে বড় স্বস্তি বলেই মানছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কয়েকমাস আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পাকিস্তান সম্পর্কে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। পাকিস্তানকে ‘বিপজ্জনক রাষ্ট্র’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই মন্তব্যের পর আমেরিকায় নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূতকে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। ফের একই কথা শোনা গেল আমেরিকার গলায়।


from Bengali News Eisamay: (বাংলা সংবাদ) Latest News, Vieos, Breaking News in Bangla | Ajker Khobor - Eisamay Bangla https://ift.tt/dt2p1Hg
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads