Bangla News Live
Bengali News
Current News in Bengali
আজকের বাংলা খবর
কলকাতা বাংলা খবর - এই সময়
বাংলা নিউজ
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/XzvuDWH
শহরের এই পার্কে বিনামূল্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়া যায় বই, সৌজন্যে নিরাপত্তারক্ষী! https://ift.tt/aAgB3LU
West Bengal News: পার্ক ‘=’ প্রেম, পরনিন্দার জায়গায় নয়! সেখানে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিন্তে ডুব দেওয়া যায় শরৎ সমগ্র-ফেলুদায়। পার্কের মধ্যেই রাখা থাকে সংবাদপত্র, সাজানো রয়েছে বইয়ের আলমারিও। তরুণ- প্রবীণ সকলেই সেখানে বইয়ের পাতা উলটে দেখতে পারেন। আলাদা করে এর জন্য কোনও ব্যয় বা বাধা নেই। ঠিকানাও এই শহরেই। কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ‘’। আর এই উদ্যোগের নেপথ্যে অন্যতম বড় অবদান রয়েছে পার্কের নিরাপত্তা রক্ষী সত্যরঞ্জন দলুইয়ের। শুধু পার্ক নয়, শহরবাসীর মনও যত্নে রাখতে চান তিনি। আর সেই জন্য অন্যতম ‘দাওয়াই’ যে বই পড়া, তা বুঝেছিলেন সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম নেওয়া এই প্রবীণ। ‘ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়’, এই ভাবনা সম্বল করেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন নয়া কর্মযজ্ঞে। ঠিক কী বলেছেন সত্যরঞ্জন দলুই? সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা তিনি। লেখাপড়ার শখ ছিল ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু, পুঁথিগত বিদ্যা সেভাবে লাভ করা হয়নি। ‘জগৎ মুখার্জী পার্ক’-এর নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্ব পাওয়ার পর ২০১১ সাল থেকে এই পার্ককে বই পড়ার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেন তিনি। সেই মোতাবেক বই জোগাড়ে লেগে যান সত্যরঞ্জন। তাঁর এই উদ্যোগের পাশে এসে দাঁড়ান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনা মূল্যে দেন বই। এরপর ২০১২ সালে সত্যরঞ্জন দলুই আনুষ্ঠানিকভাবে এই পার্কে বই রাখা শুরু করেছিলেন। এরপর থেকেই সেখানে লোকসমাগম হতে থাকে। খুদেদের জন্য যেমন বই রাখা রয়েছে, তেমনই বড়রাও বইয়ের পাশাপাশি খবরের কাগজও পড়তে পারেন। সত্যরঞ্জন এই সময় ডিজিটাল-কে বলেন, "আমার সমাজের জন্য কিছু করার ইচ্ছে ছিল। আমি চাই ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা যাতে বইয়ের প্রতি আগ্রহ পায়। পাশাপাশি পার্কে এসে প্রবীণরাও যেন বই পড়ার একটু সুযোগ পান সেই জন্যই আমার এই উদ্যোগ। এই মুহূর্তে পার্কে পাঁচ হাজার বই রয়েছে। এই কাজে স্থানীয়রাও এগিয়ে এসেছেন। অনেকেই বিনামূল্যে বই দিয়ে যান।” এই পার্কে বই পড়তে আসা এক প্রবীণ বলেন, “শহরের মধ্যে এই জায়গাটি অত্যন্ত শান্ত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। এখানে এসে বই পড়া যায়। সবথেকে বড় কথা বই পড়ার পর তা সাধারণ মানুষ যত্নে রেখে দিচ্ছে। আজকের স্মার্টফোনের দিনে বাঙালিকে বইমুখো করার এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি।”
from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/XzvuDWH
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment