দোকানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ট্যাংরায় মৃত যুবক https://ift.tt/fNJXKFS - MAS News bengali

দোকানেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ট্যাংরায় মৃত যুবক https://ift.tt/fNJXKFS

এই সময়: বিদ্যুতের মরণফাঁদে ফের মৃত্যু শহরে। হরিদেবপুর, নারকেলডাঙার পর এ বার ট্যাংরার গোবিন্দ খটিক রোডে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এবং আগুনে ঝলসে মৃত্যু হল এক যুবকের। মঙ্গলবার সকালে একটি খাবারের দোকানের ভিতর থেকে বান্টি হালদারকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি। পরিবারের অভিযোগ, দোকানের সামনে ল্যাম্প পোস্টের কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে বান্টির। যদিও পুরসভার বক্তব্য, দোকানে কচুরি ভাজার সময়ে গ্যাস সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ ঘটে। তা থেকে দোকানের বিদ্যুতের লাইন পুড়ে যায়। শাটারে হাত দিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বছর পঁয়ত্রিশের ওই যুবক। পুলিশ রিপোর্টেও একই দাবি করা হয়েছে। তবে ওই দোকানের সামনে ল্যাম্প পোস্টটি যে বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল, এক বাক্যেই সেই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, ওই পোস্টে একটি মিটার বক্স লাগানো ছিল। দোকানের টিনের চাল ঠেকে ছিল ওই পোস্টে। একাংশে তার খোলা অবস্থাতেও ছিল বলে অভিযোগ। মৃতের স্ত্রী ঝুমা হালদারেরও অভিযোগ, ''পোস্টটা সরানোর জন্যে আগেও বলা হয়েছিল। কিন্তু পোস্ট সরাতে স্থানীয় কয়েক জন টাকা দাবি করেছিলেন। ওই পোস্ট থেকে এ দিন সকালে মাঝেমধ্যে বিদ্যুতের ঝলক দেখা যাচ্ছিল। হঠাৎ এক সময়ে আকাশে বিদ্যুৎ চমকানোর ঝলকানি হয়। তখন দোকানের ভিতরে সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়।'' তখন মৃতের স্ত্রী বাইরেই ছিলেন। বান্টি দোকন থেকে বেরোনোর চেষ্টা করার সময়ে দুর্ঘটনা ঘটে। বাজারের লোকজন বান্টিকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন। রাস্তায় পড়ে থাকা বালি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা হয়। পরে পুলিশ এবং দমকল এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। মেয়র পারিষদ (আলো) সন্দীপরঞ্জন বক্সীর বক্তব্য, ''ল্যাম্প পোস্টের টাইমার বন্ধ ছিল। যদিও মিটার বক্স চালু ছিল। সেখান থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার সময়ে গ্যাসে আগুন ধরে যাওয়ার পরেই বিপত্তি ঘটে।'' সিইএসসি'রও দাবি, এ ঘটনায় তাদের কোনও ভূমিকা নেই। ঘটনাস্থলের কাছে পোস্টে স্ট্রিট লাইটের টাইমার ছিল। সেখান থেকে কিছু ঘটেনি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সন্দীপন সাহা। তিনি বলেন, ''পুলিশ, সিইএসসি এবং দমকল বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। দেখে মনে হচ্ছে, দোকানের ভিতরে ওয়ারিংয়ের সমস্যা ছিল। বিদ্যুতের পোস্টের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কচুরি ভাজছিলেন বান্টি। তখনই বোধহয় গ্যাস লিক করে দুর্ঘটনা ঘটেছে।'' তবে কলকাতায় পর পর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তোপ দেগেছেন বিরোধীরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ''বার বার এমন ঘটছে। কারণ নীতির কোনও পরিবর্তন নেই। সুরক্ষা সম্পর্কে কোনও পলিসিও নেই। সে কারণে আরও একটি প্রাণ চলে গেল।'' একই সুরে সরব হয়েছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, ''বিদ্যুতের খরচ অনেক বেশি হয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি রক্ষণাবেক্ষণের জন্যে নজরদারি আছে?''


from Bengali News, Bangla News Live, আজকের বাংলা খবর, Current News in Bengali, বাংলা নিউজ, কলকাতা বাংলা খবর - এই সময় https://ift.tt/vrapydJ
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads