Bangla News
News in Bengali
এই সময়: Bengali News
কলকাতা খবর - Ei Samay
বাংলা নিউজ
বাংলা সংবাদ
from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/8LjVtK6
পুরো বেতন না মেটানো পড়ুয়াদের স্কুলগেট থেকে ফেরাল জিডি বিড়লা https://ift.tt/KJtkZwD
এই সময়: বেতন বাকি থাকলেও কোনও পড়ুয়াকে নতুন ক্লাসে ওঠা আটকানো যাবে না। এমনকী বাধা দেওয়া যাবে না স্কুলে প্রবেশের ক্ষেত্রেও। বেসরকারি স্কুলের বেতন সংক্রান্ত মামলায় অন্তর্বতী নির্দেশে তা স্পষ্ট করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু তার পরেও জিডি বিড়লা-সহ কয়েকটি স্কুল বেতন বাকি রাখলে স্কুলে ঢোকা যাবে না বলে নির্দেশিকা জারি করে। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জে করে নতুন জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল সোমবার। আজ, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলা শুনতে পারে। এর আগের নির্দেশে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছিল, কোনও অজুহাতেই পড়ুয়াদের শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এদিন বিষয়টি নিয়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবীরা। আদালত মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। যদিও এর আগে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে স্কুলগুলির বিরুদ্ধে বেতন-সহ নানা ইস্যুতে অন্তত ৪০ টি আদালত অবমাননার অভিযোগ জমা পড়েছে। অন্যদিকে ওই ডিভিশন বেঞ্চেই স্কুলগুলির তরফেও একই রকম অভিযোগ ঝুলছে এখনও। অভিভাবকেরা জানিয়েছেন, আদালতের উপরে তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা। অভিভাবকদের আন্দোলনের জন্য আইন-শৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল স্কুল, অশোকা হল এবং মহাদেবী বিড়লা শিশু বিহার স্কুল। সোমবার থেকে ফের ক্লাস শুরু হল স্কুলগুলিতে। তবে স্কুলগুলির তরফ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে সব পড়ুয়ার পূর্ণ বেতন মেটানো হয়নি, তাদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হবে না। সেই মতো এদিন পূর্ণ বেতন পড়ুয়াদের হলুদ রঙের পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। স্কুলে ঢোকার সময়ে পুরো বেতন মেটানো পড়ুয়াদের গলায় নতুন পরিচয়পত্র পরিয়ে তবে ঢোকানো হয়। আন্দোলনকারী অভিভাবকদের তরফে দেবাশিস বসু, মৌমিতা চন্দ, রাজিব সাহা জানান, তারাও সোমবার স্কুলে সন্তানদের পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাদের অভিযোগ, পড়ুয়াদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য কর্তৃপক্ষ এই হলুদ কার্ড চালু করেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তাই এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হবে না। অভিভাবক কেশব বিশ্বাস বলেন, 'স্কুল নিয়ে অহেতুক গোলমালের কোনও মানে হয় না। লকডাউন পর্বে যারা তাদের আর্থিক অসুবিধার কথা জানিয়েছে, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের আবেদন বিবেচনা করে সহযোগিতা করেছে।' এদিন জিডি বিড়লা
from এই সময়: Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা খবর - Ei Samay https://ift.tt/8LjVtK6
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment