রাজ্যের আরও এক জেলায় মিলল খনিজ তেলের সন্ধান, খনন শুরু ONGC-র https://ift.tt/3CXenLP - MAS News bengali

রাজ্যের আরও এক জেলায় মিলল খনিজ তেলের সন্ধান, খনন শুরু ONGC-র https://ift.tt/3CXenLP

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে সোনা-ই সোনা! বীরভূমে কয়লা খনির সন্ধান আগেই মিলেছিল। অশোকনগরে মিলেছিল তেলের খনিও। এবার পূর্ব মেদিনীপুরের ব্লকে মিলল খনিজ তেলের সন্ধান! ইতিমধ্যে খনিজ তেলের সন্ধানে ময়না ব্লকের সুদামপুর গ্রাম সংলগ্ন চণ্ডিয়া নদীর পাড়ে খননও শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে খনিজ তেলের সন্ধান করতে গিয়ে চাষজমির ক্ষতি হয়েছে। ফলে মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় কৃষকদের। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি উপগ্রহ চিত্রে ময়না ব্লকের চণ্ডিয়া নদীর পাড়ে খনিজ তেলের সন্ধান মিলেছে। সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতেই সেখানে খনন কাজ শুরু করেছে ONGC কর্তৃপক্ষ। তবে কেবল ময়না ব্লক নয়, চণ্ডিয়া নদীর দুই তীরেই খনিজ তেল মজুত থাকার ছবি ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। তাই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মধ্যে অবস্থিত চণ্ডিয়া নদীর পাড়ে মোট আটটি পয়েন্ট চিহ্নিত করে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ময়না ব্লকের সুদামপুর গ্রাম সংলগ্ন চণ্ডিয়া নদীর পাড়ে খনিজ তেলের সন্ধানে মাটি খননের খবরটি নিশ্চিত করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিও। তবে খনিজ তেল আদৌ মজুত রয়েছে কিনা সে ব্যাপারেও তিনিও নিশ্চিত নন। জেলাশাসকের কথায়, ‘ONGC-র তরফে প্রাথমিক রিপোর্ট নেওয়া শুরু হয়েছে। এখনও বিস্তারিত তথ্য মেলেনি।’ এদিকে এই সময়ে চণ্ডিয়া নদীর শীতকালীন সর্ষে ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির চাষ হয়ে থাকে৷ খনিজ তেলের সন্ধান করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্ত চাষের ক্ষতি হচ্ছে। ফলে দুঃস্থ প্রান্তিক চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কৃষকদের একাংশ৷ যদিও খনিজ তেলের সন্ধান করতে গিয়ে সেখানে চাষের জমির কোনও ক্ষতি হলে সংস্থার তরফে তার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেওয়া হবে বলে ONGC জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পঞ্চায়েতের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করা হচ্ছে বলেও ONGC কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে। তবে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস মিললেও আদৌ কতটা মিলবে তা নিয়ে সংশয়ে সুদামপুর গ্রামের প্রান্তিক চাষিরা। স্থানীয় কৃষক বানেশ্বর পাল বলেন, ‘চণ্ডিয়া নদীর চড়ে আমার স্বল্প একটি জমি আছে। ১০-১২ দিন আগে ONGC-র দু'-তিনজন এসে জানায়, সেখানে তেল আছে কিনা দেখব। বলেছিলাম, সর্ষে বোনা হয়ে গিয়েছে। সর্ষে ওঠার পর মাটি খুঁড়তে। কিন্তু, তাঁরা শোনেনি। চাষে ক্ষতি হলে কিছুটা ক্ষতিপূরণ দেবে বলেছিল। জমির মাত্র ১০ ফুট জায়গা নেবে বলেছিল। কিন্তু এখন দেখছি, গোটা জমি নষ্ট করে দিয়েছে। এবছর আর সর্ষে হবে না।’ প্রায় আট থেকে ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হল আক্ষেপ করে বানেশ্বর বলেন, ‘পুরো দু' কুইণ্টাল সর্ষে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, ক্ষতিপূরণ তো পুরোটা দেবে না! এটাই আমরা সারাবছর খেতাম।’


from Bengali News, Bangla News, বাংলা সংবাদ, বাংলা নিউজ, News in Bengali, কলকাতা বাংলা খবর - Ei Samay https://ift.tt/2ZmvJ7e
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads