'হাড় নেই, চাপ দেবেন না', ভাইরাল MBBS পড়ুয়ার মরন-বাঁচন লড়াই https://ift.tt/3munzT2 - MAS News bengali

'হাড় নেই, চাপ দেবেন না', ভাইরাল MBBS পড়ুয়ার মরন-বাঁচন লড়াই https://ift.tt/3munzT2

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’, হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে এক যুবক। তাঁর মাথায় বাঁধা ব্যান্ডেজে এমনটাই লেখা। ফেসবুকে ঘুরপাক খাচ্ছে ওই যুবকের ছবিটি। না, মজা করে কেউ বন্ধুর মাথার পট্টিতে এমনটা লিখে রাখেনি। বরং ওই যুবকের মাথায় যাতে বিন্দুমাত্র চাপ না দেওয়া হয়, সেই কারণেই যুবকের মাথায় ওই সতর্কবার্তা লিখে দিয়েছেন চিকিৎসকরাই। জানা গিয়েছে, সংজ্ঞাহীন ওই যুবকের নাম জে আকিব। চট্টগাম মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া তিনি। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগ, মতপার্থক্যের জেরে তাঁর উপর চড়াও হয়েছিলেন কলেজেরই কিছু পড়ুয়া। মারাত্মক মারধর করা হয় আকিবকে। যার জেরে গুঁড়িয়ে যায় তাঁর মাথার হাড়গুলি। মারধরের পর তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে বন্ধুরা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে আকিবকে। ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজেই। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পড়ুয়ার সার্জারি করেছেন চিকিৎসকরা। বাংলাদেশের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আকিবের মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে। তাঁর মাথার হাড়ের একটা অংশ খুলে অ্যাপটি পেটের চামড়ার নীচে রাখা হয়েছে। অবস্থার উন্নতি হলে ওই হাড় আবার আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করবেন চিকিৎসকরা। ওই পদ্ধতিকে 'ডি কম্প্রেসিভ উইথ ইভ্যাকুয়েশন অফ এপিডিউরাল অ্যান্ড সাবডিউরাল হেমাটোমা' বলা হয়ে থাকে। জানা গিয়েছে, আকিবের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং এলাকায়। তাঁর পরিবারকে ঘটনার কথা জানানোর পর হাসপাতালে পৌঁছেছেন যুবকের বাবা গোলাম ফারুক মজুমদার ও আত্মীয় তৌফিকুর রহমান। ICU এর বাইরে অপেক্ষা করছেন তবে বন্ধুরাও। সকলেরই চোখে মুখে উদ্বেগ। ফেসবুক-টুইটারেও ভাইরাল আকিবের ছবি। বন্ধুর ছবি শেয়ার করে পড়ুয়ারা লিখছেন, ‘আকিব সবার আগে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। বাংলাদেশের নাগরিক। বাবা মায়ের অত্যন্ত স্নেহের। রাজনৈতিক পরিচয় একেবারে শেষে। হ্যাঁ, সে ছাত্রলীগের একজন সদস্য। তবে বিরোধী হলেই কি সেভাবে মাথার হাড় গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়?’ বিষয়টি নিয়ে ধিক্কার জানিয়েছেন নেটিজেনরাও। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মেধাবী MBBS ছাত্র আকিব এখন হাসপাতালের বেডে মরণ-বাঁচন লড়াই লড়ছেন। এদিকে ঘটনাটি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর বন্ধু তৌফিকুর রহমান। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার ছাত্রলীগের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতি বাঁধে। পরে প্রিন্সিপালের ঘরে যখন দুই পক্ষের মধ্যে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার কথা চলছে, তখনই আকিবের উপর চড়াও হয় প্রতিপক্ষ। অভিযোগ, হকিস্টিক দিয়ে মারার পর ছুরিকাঘাত করা হয় আকীবকে। বিষয়টি নিয়ে তদন্তে শুরু করেছে পুলিশ।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/2ZCvWTM
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads