'অশিক্ষিত বক্তব্যের উত্তর দেওয়ার ইচ্ছে নেই', গণনা কেন্দ্রে ঢোকা নিয়ে জগন্নাথকে পালটা মহুয়ার https://ift.tt/3w5WlFF - MAS News bengali

'অশিক্ষিত বক্তব্যের উত্তর দেওয়ার ইচ্ছে নেই', গণনা কেন্দ্রে ঢোকা নিয়ে জগন্নাথকে পালটা মহুয়ার https://ift.tt/3w5WlFF

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উপনির্বাচনের ভোটগণনার শুরু থেকেই রাজনৈতিক তরজায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল শান্তিপুর। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ভোট গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হলেন BJP সাংসদ (Jgannath Sarkar)। পাল্টা BJP সাংসদের মন্তব্যকে 'অশিক্ষিত' বলে কটাক্ষ করলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ ()। একইসঙ্গে BJP সাংসদকে ভালো করে ১৯৬ ধারা পড়ারও পরামর্শ দেন তিনি। BJP সাংসদের অভিযোগের পরই মহুয়াকে সতর্ক করল কমিশন। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন ও ১৯৬ ধারা অনুযায়ী, মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ সহ সরকারি নিরাপত্তাধারীরা ভোট গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এদিন সকালে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা গতবারের প্রার্থী জগন্নাথ সরকার শান্তিপুর উপ-নির্বাচনের গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে গেলে বাধা দেন সেখানে উপস্থিত নিরাপত্তারক্ষীরা। অথচ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র অবলীলায় গণনাকেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করেন। এরপরই কীভাবে মহুয়া মৈত্র সাংসদ হয়ে ভোট গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন জগন্নাথ সরকার। তাঁর তোপ, ‘রাজ্য প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন মহুয়া মৈত্র।’ বিজেপি সাংসদের এই অভিযোগেরই পাল্টা জবাব দিয়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ বলেন, ‘জগন্নাথ সরকারের আগে ১৯৬ ধারা পড়ে নেওয়া উচিত। সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, যাঁরা সরকারি সরকারি নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করবেন, তাঁরা ভোট গণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। আমি কোনও সরকারি এমনকি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীও নিজের কাছে রাখি না। তাই কমিশনের বিধি মেনেই আমি গণনা কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করেছি। উনি চারজন বন্দুকধারী নিয়ে ঘোরেন। এসব আইন ওনার জন্য প্রযোজ্য।’ এরপরই জগন্নাথ সরকারের তোলা অভিযোগ নিয়ে মহুয়া মৈত্রর কটাক্ষ, ‘অশিক্ষিত মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার কোনও ইচ্ছা আমার নেই।’ এদিকে, তৃণমূল সাংসদের গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে ভোট গণনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন BJP সাংসদ। তাঁর কথায়, ‘মহুয়া মৈত্র ভিতরে ঢুকে ভোট গণনা প্রভাবিত করতে পারেন বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’ এব্যাপারে দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ সরকার। একইসঙ্গে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী রানাঘাটের সাংসদ বলেন, ‘দলের কর্মীরা সবাই কাজ করেছে। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’ এরপর অবশ্য ঘটনাটি জানতে পেরে মহুয়া মৈত্রকে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিপুর কেন্দ্রে BJP-র প্রার্থী হয়েছিলেন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তৃণমূল প্রার্থী অজয় দে-কে বিপুল ভোটে পরাজিত করে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু রাজ্যে তৃণমূল সরকার গড়লে বিধায়ক পদ ছেড়ে দিয়ে সাংসদ পদই ধরে রাখেন তিনি। ফলে গত ৩০ অক্টোবর এই কেন্দ্রে আবার উপ-নির্বাচন হল। এবারে তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামীর সঙ্গে টক্কর দিচ্ছেন BJP-র নিরঞ্জন বিশ্বাস। এছাড়া বাম প্রার্থী সৌমেন মাহাত এবং কংগ্রেসের রাজু পালও লড়াইয়ে রয়েছেন।


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3nRHzhU
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads