ঐতিহাসিক জয়ে হান্নান মোল্লাকেই 'ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট' বাছল বামেরা https://ift.tt/3qWZ3gc - MAS News bengali

ঐতিহাসিক জয়ে হান্নান মোল্লাকেই 'ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট' বাছল বামেরা https://ift.tt/3qWZ3gc

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ এক বছরের আন্দোলনের পর ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে কৃষকরা। অবশেষে চাপের মুখে নতি স্বীকার করে তিন করেছে কেন্দ্র। গুরু নানকের জয়ন্তির দিন কৃষকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে এই আইন প্রত্য়াহারের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। দীর্ঘ আন্দোলনের নেতৃত্বে অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন AIKS (অল ইন্ডিয়া কৃষক সভা)-র সাধারণ সম্পাদক ()। ঐতিহাসিক এই সাফল্যে বামেদের চোখে এখন তিনিই 'হিরো'। হান্নান মোল্লাকেই 'ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট' খেতাব দিল বামেরা। কৃষি বিল প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই কৃষকদের এই জয়কে বামপন্থীদের আন্দোলনের ফসল বলেই তকমা দিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। CPIM রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে শুরু করে প্রাক্তন বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য, কিংবা তরুণ বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর বা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সকলের মুখে মুখেই উঠে এল হান্নান মোল্লার প্রসঙ্গ। ৭৫ বছরের এই বর্ষীয়ান পলিব্যুরো সদস্যকেই এই আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারি হিসেবে কৃতিত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। বঙ্গ CPIM-এর কাছে তিনিই এই কৃষি আন্দোলনের 'ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট।' রীতিমতো পোস্টার বানিয়ে হান্নান মোল্লার এই কৃতিত্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরতে দেখা গেল বামেদের। শেয়ার করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য। নিজের ওয়ালে হান্নান মোল্লার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে দীপ্সিতা লিখেছেন, 'পাকা চুল, বামেদের সেই রকম নেতা কই? আন্দোলন করে কি হবে? বামপন্থীরা শূন্য। ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।' অর্থাৎ তাঁর বক্তব্য কৃষকদের এই জয় সমস্ত বামবিরোধীদের এক ধাক্কায় চুপ করিয়ে দিয়েছে। হান্নান মোল্লাকেই এই জয়ের সমস্ত ক্রেডিট দিচ্ছেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এই সময় ডিজিটালকে তিনি বলেন, 'যত বড় স্বৈরাচারী শাসকই হোক না কেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কাছে তাকে মাথা নীচু করতেই হয়। আর এই জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি হান্নান মোল্লাকে। তিনি যেভাবে দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের ন্যয্য দাবির জন্য লড়াই করে গিয়েছেন, তাঁকে আমরা স্যালুট জানাই।' আইন প্রত্যাহারের পরই এই সময় ডিজিটালের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় হান্নান মোল্লার সঙ্গে। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ' যোচ্চরের বাড়ির ভাত, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।' কৃষক নেতার আরও সংযোজন, 'অবশেষে কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হল কেন্দ্র ঠিকই, কিন্তু, আফসোস থেকে গেল। এই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ৭০০ কৃষকের প্রাণ চলে গেল। আমরা বারবার বলেছিলাম আলোচনার মধ্যে দিয়েই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। বারবার আমরা আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। অথচ কেন্দ্র টালবাহানা করেই চলেছিল। কৃষকরাও নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন। এই আইন তো প্রত্যাহার করতেই হত।' কৃষি আইন বাতিলের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আদতে বামেদের নতুন করে অক্সিজেন যোগাচ্ছে বলেই মনে করছে সমর্থকরা। 'বামপন্থীরা ফিনিশ নয়, বামপন্থীরা ফিনিক্স'। এই প্রচারেই এখন ছয়লাপ বাম কর্মী-সমর্থকদের ফেসবুক ওয়াল। অন্যদিকে, CPIM পলিটব্যুরোর তরফে অফিশিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্বে ভারতের কৃষকরা এক বছরেরেও বেশি সময় ধরে সাহসিকতার সাথে যেভাবে লড়াই চালিয়েছেন তার জন্যই এই ঐতিহাসিক বিজয়।'


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3cNxcXz
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads