'না আঁচালে বিশ্বাস নেই'! মন্তব্য হান্নানের, ঐতিহাসিক জয় বললেন সুজন-অধীর https://ift.tt/3HEA5b2 - MAS News bengali

'না আঁচালে বিশ্বাস নেই'! মন্তব্য হান্নানের, ঐতিহাসিক জয় বললেন সুজন-অধীর https://ift.tt/3HEA5b2

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: 'কৃষকরা কাজে ফিরুন। নতুনভাবে সবকিছু শুরু করুন।' গুরু নানক জয়ন্তির সকালে কৃষকদের প্রতি এই বার্তা দিয়েই বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। জানালেন, তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের () সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। আর এই ঘোষণা কৃষকদের ঐতিহাসিক জয় বলেই অ্যাখ্যা দিচ্ছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও যতক্ষণ না পর্যন্ত মোদীর এই ঘোষণা সরকারিভাবে কার্যকরী হচ্ছে ততক্ষণ সংশয়ে রয়েছেন কৃষক নেতারা। এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে কৃষক নেতা হান্নান মোল্লা (Hannan Mollah) বলেন, 'যোচ্চরের বাড়ির ভাত, না আঁচালে বিশ্বাস নেই।' গত এক বছর ধরে তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে অনড় ছিলেন কৃষকরা। দিল্লি-পঞ্জাব সীমানায় দীর্ঘদিন ধরে কৃষকদের এই অবস্থান বিক্ষোভে দফয়া দফয়া উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। যার নেতৃত্বে ছিলেন রাকেশ তিকাইত (Rakesh Tikait), হান্নান মোল্লার মতো কৃষক নেতারা। এই সময় ডিজিটালকে হান্নান মোল্লা বলেন, 'অবশেষে করতে বাধ্য হল কেন্দ্র ঠিকই, কিন্তু, আফসোস থেকে গেল। এই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ৭০০ কৃষকের প্রাণ চলে গেল। আমরা বারবার বলেছিলাম আলোচনার মধ্যে দিয়েই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। বারবার আমরা আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। অথচ কেন্দ্র টালবাহানা করেই চলেছিল। কৃষকরাও নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন। এই আইন তো প্রত্যাহার করতেই হত।' হান্নান মোল্লা জানান, আগামী ২৬ নভেম্বর ভারতের কৃষক আন্দোলনের এক বছর পূর্তি হওয়ার কথা। দিনটিকে কেন্দ্র করে আরও নানা কর্মসূচি নিয়েছিল কৃষকরা। তার আগেই এই ঘোষণা ঐতিহাসিক জয় বলেই মনে করছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে এই সময় ডিজিটালকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি () বলেন, 'এটা ভারতের কৃষি আন্দোলনের অভূতপূর্ব জয়। এই কৃষি আইন কৃষদের কতটা উপকার করবে তা বারবার সংসদ এবং সংসদের বাইরে বোঝাতে চেষ্টা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। আমরাও জানিয়েছিলাম এই আইন দেশের কৃষি বাজারকে কর্পোরেটদের হাতে, পুঁজিপতিদের হাতে বিক্রি করে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। আজকে আমাদের কথাই সত্যি হল। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস অনেক আন্দোলন করেছে। তার জয় হল।' এই সময় ডিজিটালকে CPIM নেতা () বলেন, 'এই জয় ঐতিহাসিক। এটাই প্রমান করে, যত বড় স্বৈরাচারী হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত মাথা নত করতেই হবে। বাধ্য হয়ে, ক্ষমাত চেয়ে, মাথা নীচু করে আইন প্রত্যাহার করলেন প্রধানমন্ত্রী। বোঝাই গেল, বেআইনিভাবে কৃষকদের উপর তা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে কৃষকরা আন্দোলন করেছেন, তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাই।'


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3Hx5rAF
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads