বিশ্বের সব থেকে বিষাক্ত সাপ গলায় জড়িয়ে বেদম নাচ! এক ছোবলেই সব শেষ https://ift.tt/2YRTYu1 - MAS News bengali

বিশ্বের সব থেকে বিষাক্ত সাপ গলায় জড়িয়ে বেদম নাচ! এক ছোবলেই সব শেষ https://ift.tt/2YRTYu1

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক : গলায় ঝুলিয়ে নাচার সময়ে কিং কোবরার ছোবলে মৃত্যু হল অসমের কাছাড় এলাকার এক ব্যক্তির। কাছাড়ের রাজনগর এলাকার বিষ্ণুপুর গ্রামে এই ঘটনায় মৃতের নাম রঘুনন্দন ভুমিজ। ৬০ বছর বয়সী রঘুনন্দন ওই কিং কোবরা সাপটি ধরে , তার গলায় নিয়ে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। সেই সময়েই সাপটি তাকে ছোবল মারে। জানা গিয়েছে, ওই সাপটি গলায় ঝুলিয়ে গ্রামের মধ্যে নেচে বেড়াচ্ছিল রঘুনন্দন। ঘটনাটি বেশ কয়েকদিন আগে ঘটলেও ভিডিয়োটি ফের নতুন করে ভাইরাল নেটমাধ্যমে। শিলচরের অসম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক পার্থঙ্কর চৌধুরী বলেন, ‘ খুবই বিষাক্ত সাপ। এই সাপের কামড়ে আমাদের দেশে তিন-চারজন মারা গিয়েছেন। এর আগে উত্তরপূর্ব ভারতে এই সাপের কামড়ে কেউ মারা যাননি।’ জানা গিয়েছে, একটি ধানের জমিতে দেখা যায় ওই কিং কোবরা বা শঙ্খচূড় সাপটিকে। সেটা দেখার পরেই সাপটিকে ধরে তাকে নিয়ে খেলতে শুরু করেন রঘুনন্দন। তিনি ওই সাপটিকে গলায় ঝুলিয়ে গ্রামে ঘুরেও বেড়ান। সেই সময়ে গ্রামের অনেকেই মোবাইলে তার ছবি এবং ভিডিয়ো করতে শুরু করে। ছবি তোলা হচ্ছে বুঝতে পেরে সাপটি নিয়ে নাচতে শুরু করেন তিনি। সাপটি মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করলেও রঘুনন্দন সাপের মাথায় চাপ দেন। সেই সময়েই ওই বিষাক্ত সাপটি ছোবল মারে রঘুনন্দনকে । সঙ্গে সঙ্গে মারা যান তিনি। তবে, গ্রামের অনেকেই দাবি করেন, তারা বিশ্বাস করেন যে কোনও ভালো ওঝা তাকে বাঁচিয়ে তুলতে পারত। তারা বলেন, ‘ কিন্তু আমরা কোনও ওঝার সন্ধান না পেয়ে পরদিন রঘুনন্দনের দেহ সৎকার করি।’ ওই এলাকার বিভাগীয় বনাধিকারিক তেজাস মারিস্বামী বলেন, ‘ ওই সাপটি যে কিং কোবরা ছিল সেটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি । পরে ওই সাপটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়েছি। এই সাপ ধানক্ষেতেও থাকে। আমরা এলাকার মানুষদের সচেতন করি যাতে তারা কেউ সাপ না ধরেন। কারণ, এটা বিপদজনকই নয়, বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনে সাপ ধরা অপরাধ।’ এলাকার আরেক পরিবেশবিদ, সুমিত নাথ বলেন, ‘ কিং কোবরাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এর anti-venom আমাদের দেশে তৈরি হয় না। এই সাপ এমনিতে জঙ্গলে থাকে এবং খুবই ‘লাজুক’। তবে, অনেক সময় শিকারের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসে। কেউ বিরক্ত করলে কিং কোবরা খুব বিপদজনক হয়ে ওঠে।’ সুমিত নাথ বলেন, ‘ ওই ভিডিয়োটি আমি দেখেছি। রঘুনন্দন সেই সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিল। গ্রামের লোকজন তাকে সতর্ক না করে ছবি তোলার জন্য উৎসাহ দিচ্ছিল।’


from Bengali News: বাংলা সংবাদ, বাংলার আজকের খবর, Latest Bangla News, Breaking Bengali News, Latest Bengali News | Eisamay https://ift.tt/3vj8d6F
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads