এই ব্রত পালনে উদ্ধার মেলে সব বিপদ থেকে! জেনে নিন বিপত্তারিণী পুজোর মাহাত্ম্য https://ift.tt/2U1KTvW - MAS News bengali

এই ব্রত পালনে উদ্ধার মেলে সব বিপদ থেকে! জেনে নিন বিপত্তারিণী পুজোর মাহাত্ম্য https://ift.tt/2U1KTvW

এই সময় অ্যাস্ট্রো ডেস্ক: ১৩ রকম ফুল, ১৩ রকম ফল, ১৩টি পান, ১৩টি সুপারি এবং ১৩ গাছা লাল সুতোতে ১৩ গাছা দূর্বা দিয়ে ১৩টি গিঁট বেঁধে ধাগা তৈরি করতে হয়। ব্রাহ্মণ দ্বারা আম্রপল্লব-সহ ঘট স্থাপন করে নাম গোত্র সহযোগে পুজা দেয় বাঙালি মেয়েরা। পুজোর পরে শোনা হয় বিপত্তারিণীর ব্রতকথা। যা এই পুজোর অন্যতম অঙ্গ। এই বছর ইংরেজির ১৪ বাংলার ১২ আষাঢ় শনিবার বিপত্তারিণী পূজা। এ ছাড়া ৩০ জুন বাংলার ১৫ আষাঢ় মঙ্গলবার বিপত্তারিণী ব্রত পালিত হবে গোটা রাজ্যে।১৩ জুলাই মঙ্গলবার এবং ১৭ জুলাই শনিবার বিপত্তারিনী ব্রত উৎসব পালন করা হয়। এই ব্রত পালন করা খুবই মঙ্গলের কাজ। এই ব্রত প্রায় সব হিন্দু ঘরের মহিলারাই পালন করেন। বিপত্তারিণী ব্রত পালনের মাহাত্ম্য অনেকেরই জানা। আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া থেকে দশমী পর্যন্ত এই পুজো করা হয়ে থাকে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে হিন্দু দেবী রূপে পুজিত হন এই দেবী। সঙ্কটনাশিনীর একটি রূপ এবং দেবী দুর্গা ১০৮ অবতারের মধ্যে অন্যতম এই দেবী। কথিত আছে বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য এই দেবীর পুজো করা হয়ে থাকে। লাল সুতোর ধাগা পুরুষদের ডান এবং মহিলাদের বাম হাতে ধারণ করা এই পুজোর নিয়ম। বিপত্তারিণী ব্রত সাধারাণত মহিলাদের ব্রত। এই ব্রত কমপক্ষে ৩ বছর পালন করা নিয়ম। এই ব্রত পালন করার দিন চালের কোনও খাবার খাওয়া যাবে না। যেমন ভাত, চিড়ে, মুড়ি প্রভৃতি। এই দিন মহিলাদের অবশ্যই আলতা, সিঁদুর পরতে হবে। বিপত্তরিণীকে সঙ্কটতারিণী বলেও পুজো করা হয়। তবে, এই পুজোর একটি কাহিনি রয়েছে। বলা হয় যে, বিষ্ণুপুরের মল্ল রাজবংশের এক রানির এক নিম্নবর্ণের সখী ছিলেন। তিনি জাতে মুচি। এই মহিলা নিয়মিত গোমাংস খেতেন। রানিও একদিন কৌতূহলী হয়ে গোমাংস খাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি নিমরাজি হন। পরে তিনি রানির আদেশ রক্ষার্থ গোমাংস আনেন। অন্তঃপুরে গোমাংস প্রবেশ করেছে— এই খবর রাজার কাছে পৌঁছে যায়। তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে রানিকে শাস্তি দিতে উদ্যত হন। রানি গোমাংস তাঁর বস্ত্রের আড়ালে লুকিয়ে রেখে দুর্গাকে স্মরণ করতে থাকেন। রানিকে তল্লাশ করে রাজা দেখতে পান তাঁর বস্ত্র আড়ালে গোমাংস নয়, রয়েছে একটি লাল জবা। সেই থেকেই বিপত্তরিণীর পুজো প্রচলিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দেবী দুর্গা হিন্দুধর্মের দেবী। দেবাদিদেব মহাদেবের অর্ধাঙ্গিনী আদি শক্তি। অন্যান্য দেবী তাঁরই অবতার বা ভিন্ন রূপ। ‘বিপত্তারিণী কথামৃতম’ বা ‘তারিণ্যুপনিষদ’ নামে এক তন্ত্রগ্রন্থের হদিশ পাওয়া যায়, যার রচয়িতা জনৈক জনার্দন ঠাকুর। জনার্দন নিজেকে রামরাম ঠাকুরের বংশধর বলে বর্ণনা করেছেন। এই গ্রন্থে জনার্দন লিখেছেন, তাঁর মা হরিপ্রিয়া এই দেবীর কৃপা লাভ করেছিলেন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3AV5RNK
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads