Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3guBNk4
BJP-তে বেসুরো রূপা! ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা সাংসদের https://ift.tt/3cMqS2F
এই সময়, বর্ধমান ও কলকাতা: বিজেপির বেসুরোদের মিছিলে এ বার নতুন মুখ হিসেবে হাজির হলেন দুই সাংসদ। বর্ধমান-পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল ও রাজ্যসভার সাংসদ গঙ্গোপাধ্যায়। এতদিন চুপচাপ থাকার পর মঙ্গলবার মুখ খুলে নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছেন বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া সুনীল। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেও তোপ দেগে সুনীল অভিযোগ করেছেন যে, তিনি ফোন করলে শুভেন্দু ফোন তোলেন না! আবার অভিনেত্রী-সাংসদ রূপার সোশ্যাল মিডিয়া-পোস্ট বিজেপির পক্ষে অস্বস্তি তৈরি করেছে। ওই পোস্টে রূপা তাঁকে দলে ঠিক ভাবে কাজে না-লাগানোর বিষয়টি ঠারেঠোরে জানিয়েছেন বলে অনেকের ধারণা। গত বছর ডিসেম্বরে মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সুনীল মণ্ডল। সেই সুনীল এ দিন দাবি করেছেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে যে কথা দিয়েছিলেন, সেই কথা রাখেননি। এ দিন সুনীল বলেন, 'যাঁরা তৃণমূল থেকে গিয়েছেন, বিজেপি তাঁদের মানিয়ে নিতে পারছে না। আবার বিজেপি মনে করছে, এঁদের বিশ্বাস করা ঠিক হচ্ছে না। যা তথাগত রায় বলেছেন, দিলীপ ঘোষ বলেছেন। দিলীপ ঘোষ তো এই কথাও বলেছেন যে, যাঁরা ২০১৯ সালে বিজেপিতে এসেছেন, তাঁরা আগে বিজেপি হোন!' সাংসদ সুনীলের মতে, 'এই সব রাজনৈতিক কথা নয়। এই সব কথা বলা অন্যায়।' মুকুল রায় তৃণমূলে ফেরার পর তাঁর সঙ্গে কথা হওয়ার বিষয়টিও সুনীল স্বীকার করেছেন। বিধানসভা ভোটের ফল বেরনোর দিন, গত ২ মে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুনীল কিছুটা সরব হন। তার পর এ দিন ফের তিনি ঝাঁজালো ভাষায় আক্রমণ করলেন দলীয় নেতৃত্বকে। আবার বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ, অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'রাজনীতিকে গ্ল্যামারাইজ করে লাভ নেই। অনেক রক্ত ঝরলেও কেউ পাশে থাকে না।' এর অর্থ? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ ও বিজেপির অন্দরের কারও কারও ব্যাখ্যা হলো, রূপা এক সময়ে রাজ্য বিজেপির সামনের সারিতে থাকলেও এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে দল সেই ভাবে কাজে লাগায়নি। শুধু তা-ই নয়, রাজ্যসভায় এক সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে সরব থাকলেও গত কয়েক বছর রূপাকে সে ভাবে বলতে দেওয়া হয়নি, এমনটা জানিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই 'উপেক্ষা'র কারণেই রূপা সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ মনে করছেন। তবে এই ব্যাপারে বিজেপি নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তৃণমূল একদিকে শিশির অধিকারী এবং অন্য দিকে সুনীল মণ্ডলের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে ইতিমধ্যেই লোকসভার স্পিকারের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করেছে। দলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই স্পিকার ওম বিড়লাকে দু'বার ফোন করেছেন, তিনটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এ দিন বর্ধমানের উল্লাস উপনগরীতে নিজের বাড়িতে অনুগামী ও সতীর্থদের নিয়ে বৈঠক করেন সুনীল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে এই বাড়িতে এসেই সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী দেখা করে যান। এ দিন সাংবাদিকদের সুনীল বলেন, 'সে দিন শুভেন্দু বলেছিল, দুই দাদা-ভাই মিলে সাংগঠনিক বিষয় দেখভাল করব। দলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করব। একটা কথাও রাখেনি। এখন ফোন ধরে না।' সুনীলের কথায়, 'ভেবেছিলাম, বিজেপি বড় সাংগঠনিক দল। পরে দেখলাম, ওদের বুথ পর্যায়ে সংগঠন নেই। রাজ্যের বাইরে থেকে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা কি বাংলার মানুষকে বোঝেন? বাইরের লোকেরা হিন্দিতে এত কথা বললেন। গ্রামের মানুষ সে সব বুঝেছেন?' রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ যে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তারও সমালোচনা করেছেন সুনীল। তবে মুকুল রায়ের সঙ্গে কথা হওয়া নিয়ে সুনীল মণ্ডলের বক্তব্য, 'এটা ব্যক্তিগত স্তরে যোগাযোগ, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।' তবে রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, 'সুনীল মণ্ডল বিজেপি করলেন কবে? বিজেপির কোনও মিটিং-মিছিলে ওঁকে কখনও দেখিনি। তবে এটা ঠিক যে, অমিত শাহের সভায় উনি উপস্থিত ছিলেন।' এই অবস্থায় তৃণমূলের রাজ্য কমিটির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের কটাক্ষ, 'বিজেপি এখন দলবদলুদের সার্কাস পার্টিতে পরিণত হয়েছে। সুনীল মণ্ডল যদি কখনও মিছিল-মিটিংয়ে না-থাকেন, তা হলে বিজেপি ওঁকে নিয়েছিল কেন? নির্বাচনের আগে তো বিজেপি লাইন দিয়ে যোগদান মেলা করছিল, তখন খেয়াল ছিল না?' ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে সুনীল জানিয়েছেন, তৃণমূল তাঁকে দলে ফেরার প্রস্তাব দিলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে তৃণমূলের আইনজীবী-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'তৃণমূল ওঁকে (সুনীল) প্রস্তাব দিতে যাবে কেন? উনি কে? ওঁর কোনও স্ট্যান্ডার্ডই নেই। নিজের ধান্দায় বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। ওঁর লোকসভা কেন্দ্রে তো বিজেপি হেরে ভূত হয়েছে! এখন তৃণমূলে ফেরার জন্য আঁকু পাঁকু করছেন।'
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3guBNk4
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment