করোনা বায়ুবাহিত, সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র https://ift.tt/3fJviYS - MAS News bengali

করোনা বায়ুবাহিত, সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র https://ift.tt/3fJviYS

নয়াদিল্লি: () বায়ুবাহিত- আর কোনও রকম জল্পনার অবকাশ না রেখেই সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সম্প্রতিই জানিয়েছিল, সংক্রামিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি কিংবা কথা বলার সময়ে যে ড্রপলেট বা জলকণাগুলি মুখ থেকে বেরোয়, তা বাতাসে ভেসে অন্য কাউকে সংক্রামিত করতে পারে। কার্যত তা মেনে নিয়েই এক বছর পরে কোভিড-প্রোটোকল বদলাল কেন্দ্র। যার মানে, শুধু ড্রপলেট নয়, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এরোসল থেকেও- যে ক্ষুদ্র জলকণা বাতাসেও ভেসে থাকতে পারে। গত বছর জুনে প্রকাশিত 'কোভিড-১৯ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট প্রোটোকলে' স্বাস্থ্য মন্ত্রক বলেছিল, এই সংক্রমণ বাহুবাহিত নয়। তা মূলত আক্রান্তের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের (ক্লোজ় কন্টাক্ট) মাধ্যমেই ছড়ায়। অর্থাৎ সংক্রামিতের হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়া ড্রপলেট সরাসরি অন্য ব্যক্তির শ্বাসনালিতে ঢুকে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে ৬ ফুট (১.৮ মিটার) পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। সারফেস ট্রান্সমিশনের কথাও বলা হয়েছিল তখন। অর্থাৎ, সংক্রামিতের থেকে ড্রপলেট কোনও কঠিন মাধ্যমে পড়লে সেখানে বেশ খানিকক্ষণ ভাইরাস থেকে যায়। অন্য কেউ সেই সারফেসে হাত দেওয়ার পরে নিজের চোখ-মুখ বা নাকে হাত দিলে তাঁর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেন্দ্রের নয়া প্রোটোকলে এই দু'টির একটা সম্ভাবনাও বাদ পড়েনি। বরং নতুন করে জুড়েছে বায়ুবাহিত সংক্রমণের তত্ত্ব। এ ক্ষেত্রে ১০ মিটারের দূরত্ব জরুরি। কারণ, হু-র মতামতকে আমল দিয়েই কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, সংক্রামিতের মুখ নিঃসৃত অতিক্ষুদ্র জলকণা বা এরোসল বাতাসে ভর করে ১০ মিটার পর্যন্ত ছড়াতে পারে। বদ্ধ বা ছোট জায়গায় তাই সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যায়। যেহেতু সংক্রামিতের দিক থেকে আসা এরোসলগুলি বাতাসে অনেকক্ষণ ভেসে থাকতে পারে এমন বন্ধ ঘরে। নয়া প্রোটোকলে বাদ গিয়েছে প্লাজমা থেরাপি। এতে যে তেমন কাজ হচ্ছে না, ১৭ মে কার্যত তা স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্রের কোভিড প্যানেল। প্লাজমা থেরাপি তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে এইমস ও আইসিএমআরের পরামর্শের কথা মাথায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সরাসরি নিষিদ্ধ না-করলেও অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভির এবং আইভারমেকটিন যথেচ্ছ প্রয়োগ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে নয়া প্রোটোকলে। প্রসঙ্গত, যথেচ্ছ আইভারমেকটিন প্রয়োগে আপত্তি জানিয়ে সম্প্রতি টুইট করেছিলেন হু-র প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথনও। এই দু'টি ওষুধ নিয়ে চলতি মাসের গোড়ায় একই কথা বলেছিলেন এইমসের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও। তাঁদের মতে রোগী অক্সিজেন-সাপোর্টে না-থাকলে রেমডিসিভির দেওয়ার কোনও মানেই নেই। দিতে হলে পরিস্থিতি বুঝে আক্রান্ত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে হাসপাতালেই তা দেওয়া হবে। এই ওষুধ বাড়িতে বসে খাওয়ার নয়।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3fmq4Dw
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads