সিকিমে গেলেই আপনি যশ চোপড়ার ছবির নায়ক বা নায়িকা https://ift.tt/3vQKURE - MAS News bengali

সিকিমে গেলেই আপনি যশ চোপড়ার ছবির নায়ক বা নায়িকা https://ift.tt/3vQKURE

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এই বসন্তেই গরমটা ভালো পড়েছে। তাহলে গ্রীষ্মকালে কী হবে একবার আন্দাজ করে ফেলুন। ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কি বাড়ি আর অফিস করেই কাটাবেন নাকি? কী দরকার? কটা দিন ঠান্ডার দেশ থেকে ঘুরে আসুন না? ৭ থেকে ১০ দিনের ছুটি একটু চেষ্টা করলেই ম্যানেজ করে ফেলতে পারবেন। আর তা ম্যানেজ হয়ে গেলেই সটান ওপরে উঠে পড়ুন। থেকে ঘুরে আসুন। কমন সিকিম নয়, ঘুরে আসুন একটু আনকমন সিকিম থেকে। গণ্ডগোল ছাড়াই গ্যাংটক সিকিম যেতে গেলে রাজধানী গ্যাংটকে একবার পা রাখতেই হবে। সেখান থেকে কীভাবে কোথায় যাবেন প্ল্যান করে নিন। গ্যাংটকে প্রচুর ট্যুর অপারেটর পাবেন। তাঁদের পরামর্শ মেনে ঘুরতে পারেন আবার নিজের প্ল্যান মতোও ঘুরতে পারেন। শপিং করার জন্য গ্যাংটক দারুণ জায়গা। তবে সেটা বরং ফেরার সময় করুন। সিকিমের চারটি দিক। পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর-দক্ষিণ। যত উত্তরে যাবেন ঠান্ডা তত বাড়বে। গ্রীষ্মকালেও সেখানকার ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। গ্যাংটক থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে সোংমো বা ছাঙ্গু লেক। প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ফিট উপরের এই লেকটি একবার চোখের দেখা না দেখলে মিস করবেন। এর সৌন্দর্য্য ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এখানে চমরীগাই বা ইয়াকের পিঠে চড়ে ঘুরতে পারবেন। সম্প্রতি সিকিমকে ভারতের সেরা শ্যুটিং স্পট বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার। ছাঙ্গু লেকে গেলে তার কারণটা বুঝতে পারবেন। নামচিতে নেমে যান দক্ষিণ সিকিমের ঠান্ডা খানিকটা সহ্য করা যায়। তাহলে এবারের ট্যুরটা বরং সেখানেই হোক। নামচি দক্ষিণ সিকিমের রাজধানী। নামচি নামে একটি ছোটো গ্রামও আছে। ছবির মতো সুন্দর গ্রাম পায়ে হেঁটে ঘুরতে খুব ভালো লাগবে। এখানে আছে দুটি বৌদ্ধমঠ। নামচি এবং রালং। বৌদ্ধ মহাগুরু রিংপোচের ১১৮ ফিট উঁচু মূর্তি দেখে অবাক হবে। পার্বত্য অঞ্চলে এতবড় মূর্তি বিশ্বে আর নেই। গ্রামের মানুষের রান্না করা মোমো, থুকপা, ছাং কিংবা ছুরপি খেয়ে লাঞ্চ সেরে ফেলুন। রাভাংলায় রাত্রিবাস দক্ষিণ সিকিমেরই আরেকটি অসাধারণ জায়গা রাভাংলা। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখে মনে হবে যেন স্বর্গে চলে এসেছেন। মনে হবে এই বুঝি পারিজাতের বাগানে পা পড়বে আপনার। এখানকার রেয়ং সানরাইজ পয়েন্ট থেকে সূর্যোদয় দেখাটা কিন্তু মাস্ট। রালাং বৌদ্ধমঠ তো আছেই, সঙ্গে রালাং এবং বরং উষ্ণ প্রস্রবন রাভাংলার সৌন্দর্য্যে বৈচিত্র্য এনে দিয়েছে। টেনডং-এ পাবেন ট্রেকিং-এর আনন্দ। উত্তুরে ইউমথাং দক্ষিণের ঠান্ডা গা সওয়া হয়ে গেলে উত্তরের দিকে পারি দিতে পারেন। উত্তর মানেই ইউমথাং। আপনি যদি ফুল ভালো বাসেন তাহলে এখানকার ফুলের বাগানে কয়েক ঘণ্টা শুধু বসে থেকেই সময় কাটিয়ে ফেলতে পারবেন। সেখানে বসে যশ চোপড়ার সিনেমার নায়ক বা নায়িকা মনে হতে পারে। ফুলের বাগানের সামনেই নদী। নায়ক নায়িকারও তো খিদে পায়, তাই পেট চোঁ চোঁ করলে কাছেই আছে জিভে জল আনা মোমো এবং ম্যাগির দোকান। এখানকার ম্যাগি বা মোমোর স্বাদ একেবারে অন্যরকম। কবি গ্রামের ইতিহাস গ্যাংটক থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে আছে কবি লাংস্টক। উত্তর সিকিমের এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান। লেপচা এবং ভুটিয়া শাসকদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ চুক্তির নিদর্শন এই স্থান । লেপচা প্রধান তে-কুং-তেক এবং ভুটিয়া প্রধান খে-বাম-সার নিজস্ব নিজস্ব সীমানায় শাসন চালান। এখানে এলে একানকার পরিস্থিতি দেখলে কিংবা গল্প শুনলে গায়ে কাঁটা দিতে পারে। অনেকে বলেন এই কবি লাংস্টকই নাকি সিকিমের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। দুই শাসকের এত শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিশ্বের প্রত্যেক দেশের শাসকদের কাছে শিক্ষণীয়। পায়ে হেঁটেই গ্রামটি থুড়ি ছোটো শহরটি ঘুরে দেখুন। বৌদ্ধমঠ তো পাবেনই, সঙ্গে পাবেন এখানকার সরল মানুষের আতিথেয়তা। শান্ত এলাকাটিতে একটি লাইব্রেরি আছে। সেখানে সময় কাটান। সিকিমের অনেক ইতিহাস জানতে পারবেন। টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3vT4I6Y
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads