Bangla News: বেঙ্গলি খবর
Breaking News In Bengali
Latest News in Bengali
সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3neZaiQ
হাথরসের দলিত তরুণীর ন্যায়বিচারে লড়বেন নির্ভয়ার আইনজীবী https://ift.tt/3ncRkWW
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির নির্ভয়ার মতোই আর এক চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লড়াইয়ের ময়দানে সীমা কুশওয়া। ২০১২-র ডিসেম্বরে দিল্লির রাজপথে চলন্ত বাসের মধ্যে বছর তেইশের প্যারামেডিক্যাল ছাত্রীকে ছ'জন মিলে গণধর্ষণ করেছিল। ধর্ষকদের বর্বরতায় পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় সেই ছাত্রীর। দিল্লির নির্ভয়ার ধর্ষণ-খুন নিয়ে তোলপাড় পড়েছিল গোটা দেশে। আইনি লড়াইয়ে নির্ভয়ার পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সীমা কুশওয়া। নির্ভয়া মামলার সেই আইনজীবীই এ বার উত্তরপ্রদেশের হাথরসের নির্যাতিতা দলিত তরুণীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে, আইনি লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নির্যাতিতাপক্ষের আইনজীবী হয়ে তিনিই সওয়াল করবেন। আইনি পেশার বাইরেও প্রতিবাদের খুব পরিচিত নাম সীমা কুশওয়া। অতীতে বারবার তাঁকে দেখা গিয়েছে সরব হতে। সীমা জানান, বৃহস্পতিবার একাধিকবার তিনি হাথরসের নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বাধায় তা সম্ভব হয়নি। সাংবাদিকদের নির্ভয়া মামলার এই আইনজীবী জানিয়েছেন, যে কোনও মূল্যে তিনি হাথরসের নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেনই। জানান, হাথরসের দলিত তরুণীর পরিবারই তাঁকে এই মামলায় আইনি লড়াই লড়তে অনুরোধ করেছে। তাই কোনও পরিস্থিতিতে চাপের মুখে তিনি মাথা নোয়াবেন না। এই আইনজীবীর দাবি, প্রশাসন ধর্ষিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যে ভাবে বারবার বাধা দিচ্ছে, তা আইনসম্মত নয়। তবে, মৃতার ভাইয়ের সঙ্গে ইতিমধ্যে তাঁর একাধিকবার কথা হয়েছে বলে তিনি এদিন স্বীকার করেন। হাথরসের অতিরিক্ত পুলিশসুপার প্রকাশ কুমার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ১৪ অক্টোবরের মধ্যে সিট তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে। তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। কারণ, তার আগে কোনও রাজনৈতিক প্রতিনিধি বা সাংবাদিককে ওই গ্রামে যেতে দেওয়া যাবে না। হাথরসের নির্যাতিতা তরুণীর বাড়ি পর্যন্ত যাওয়া তো দূর অস্ত, গ্রামের ধারেকাছে কাউকে ঘেঁষতে দিচ্ছে না পুলিশ। সাংবাদিকরা ঢুকতে পারেননি। কোনও রাজনৈতিক নেতাকে সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ গোটা গ্রাম, বিশেষত নির্যাতিতার বাড়ি যে ভাবে ঘিরে রেখেছে, একটা মাছি গলার উপায় নেই। কেন পুলিশ কাউকে গ্রামে যেতে দিচ্ছে না, কেন সাংবাদিকরা পেশার তাগিদে ধর্ষিতার পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছেন না, সে প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপির বর্ষীয়ান নেত্রী উমা ভারতীও সে প্রশ্ন তুলেছেন। এ-ও বলেছেন, তিনি সুস্থ থাকলে দলিত তরুণীর গ্রামে গিয়ে তাঁর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতেন। বিরোধী রাজনীতিক, সাংবাদিকদের যাতে গ্রামে প্রবেশে বাধা না দেওয়া হয়, যোগী আদিত্যনাথের কাছে সে আর্জিও তিনি জানিয়েছেন। উমা ভারতীর মতে, হাথরসের ঘটনায় একের পর এক পদক্ষেপে বিজেপি ও উত্তরপ্রদেশ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করে দিয়েছে পুলিশ। তবে, শুক্রবার সন্ধ্যায় হাথরসের পুলিশসুপার-সহ একাধিক অফিসারকে সাসপেন্ড করে কড়া মনোভাব ব্যক্ত করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। সিটের প্রাথমিক রিপোর্ট জানার পরেই এই সিদ্ধান্ত। সাসপেন্ড হয়েছেন এসপি বিক্রান্ত বীর, ডিএসপি রাম শব্দ, ইনস্পেক্টর দীনেশ বর্মা, সাব-ইনস্পেক্টর জগবীর সিং, হেড কনস্টেবল মহেশ পাল। বিনীত জয়সওয়াল শামলির এসপি ছিলেন। তাঁকেই এ বার হাথরসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন: নানা মহল থেকে হাথরসের জেলাশাসককেও সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় তাঁকে নির্যাতিতার পরিবারকে হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের বয়ান বদলাতে তিনি পরিষ্কার হুমকি দেন। মিডিয়ার সামনে মুখ খোলায় নির্যাতিতার এক আত্মীয়কেও ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ ওঠে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে। ওই পরিবারের মোবাইল ফোন পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা বাইরের কারও সঙ্গে কথা বলতে না পারেন। অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির বাইরে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। আরও পড়ুন: শুক্রবার সকাল ডেরেক ও'ব্রায়েনের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল হাথরসে গ্রামে ঢোকার চেষ্টা করলে, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বাধা দেয়। বুধবার রাত থেকেই সেখানে ১৪৪ ধরা জারি করে রাখা হয়। ডেরেকরা জোর করে ঢোকার চেষ্টা করলে, পুলিশি বাধায় প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়েই তাঁদের ফিরতে হয়। ঢুকতে দেওয়া হয়নি সংবাদমাধ্যমকেও। হাথরসের তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে দিল্লির নির্ভয়ার মতোই আন্দোলন দানা বাঁধছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দিল্লির যন্তরমন্তরে ছিল প্রতিবাদ সমাবেশ। আপ সুপ্রিমো, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি সকলেই ছিলেন এই অরাজনৈতিক সমাবেশে। ১৪ সেপ্টেম্বর পৈশাচিক ধর্ষণের ঘটনার পর ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় ওই তরুণীকে প্রথমে আলিগড়ের জেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে, সফদরজং হাসপাতালে এনে ভরতি করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ভর্তির পরদিনই মঙ্গলবার মারা যান বছর উনিশের ওই নির্যাতিতা। অভিযোগ, চিকিত্সকরা তাঁকে দিল্লির এইমসে ভর্তি করানোর পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু, পুলিশ তা শোনেনি। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও অভিযোগ করেন, 'সময়ে সঠিক চিকিত্সা পাননি হাথরসের নির্যাতিতা। দলিত তরুণী মারা যাননি। তাঁকে মারা হয়েছে।' এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট ।
from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3neZaiQ
Previous article
Next article

Leave Comments
Post a Comment