নিরাপত্তার কারণে বাসা বদলে দিল্লিতে যেতে চায় হাথরস নির্যাতিতার পরিবার https://ift.tt/3jfrEpy - MAS News bengali

নিরাপত্তার কারণে বাসা বদলে দিল্লিতে যেতে চায় হাথরস নির্যাতিতার পরিবার https://ift.tt/3jfrEpy

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: হাথরসের গ্রামে 'নিরাপত্তার অভাব' বোধ করছে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর পরিবার। তাই গ্রামের পাট চুকিয়ে দিল্লিতে গিয়ে আশ্রয় নিতে চায় পরিবারটি। রাজধানী শহরে থেকেই ন্যায়বিচার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যেতে চান ওই পরিবারের সদস্যরা। গণধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে চারপাশ থেকে উচ্চ বর্ণের লোকজনের শাসানি শুনতে হয়েছে পরিবারটিকে। এমনকী বিজেপির একাধিক নেতাও উলটে পরিবারটিকে দোষারোপ করে, অভিযুক্তদের হয়ে সাফাই গেয়েছেন। পুলিশকে যে পাশে পেয়েছেন, এমনটাও নয়। বয়ান বদলে পুলিশ-প্রশাসনের চাপও সহ্য করতে হয়েছে। এমতবস্থায় ভীত-সন্ত্রস্ত দলিত পরিবারটি হাথরসের গ্রামে আর থাকার সাহস পাচ্ছে না। উনিশ বছরের ওই তরুণীর দাদা শনিবার জানান, তাঁরা সপরিবার দিল্লিতে শিফট করে সেখানে থেকেই ন্যায়বিচার আদায়ে লড়াই চালিয়ে যেতে চান। তাঁর কথায়, 'নিরাপত্তার কারণেই আমরা হাথরসে আর থাকতে চাই না।' হাথরসের নির্যাতিতা পরিবারের আইনজীবী সীমা কুশওয়াও এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে জানিয়েছেন, ধর্ষণ-খুনের মামলাটি উত্তরপ্রদেশের বাইরে সরানোর অনুমতি দেওয়া হোক। নিরাপত্তা নিয়ে ভয় পাচ্ছে পরিবারটি। মামলা চলাকালীন হাথরসের নির্যাতিতার পরিবারের জন্য নিরাপত্তারক্ষী দেওয়ার আর্জিও জানান তাঁদের আইনজীবী। সীমা কুশওয়া বলেন, হাথরসের পরিবার চাইছে মামলাটি দিল্লি অথবা মুম্বই-- উত্তরপ্রদেশের বাইরে যে কোনও জায়গায় সরিয়ে দেওয়া হোক। ১৪ সেপ্টেম্বর হাথরসের ওই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হন। উচ্চবর্ণের চার ব্যক্তি তাঁক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পৈশাচিক অত্যাচারের জেরে ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে মারা যান ওই দলিত তরুণী। অভিযোগ ওঠে, ওই রাতেই পরিবারের সম্মতি ছাড়া পুলিশ জোর করে মৃত তরুণীর দেহ সত্‍‌কার করে। পরিবারের লোকজনকে সেখানে থাকতে দেওয়া হয়নি। এমনকী শেষবারের মতো তাঁরা মেয়েকে দেখতেও পাননি। সত্‍‌কার করার সময় পরিবারটিকে ঘরের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল। হাইকোর্টে এ জন্য ভর্ত্‍‌সনার মুখেও পড়তে হয় যোগীর পুলিশ-প্রশাসনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পুলিশ মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। হাথরসের জেলাশাসক সব দায় নিজের কাঁধে নিয়ে জানান, রাজ্য সরকারের তরফে সত্‍‌কারের জন্য কোনওরকম চাপ ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সম্পূর্ণ স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তেই গভীর রাতে দাহ করা হয়েছিল। এদিকে, পরিবারটির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসডিএম অঞ্জলি গাঙ্গওয়ার শনিবার হাথরসের ওই পরিবারটির বাড়িতে গিয়েছিলেন। নিরাপত্তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের তিনি আশ্বস্ত করে আসেন। সেইসঙ্গে সাপ্তাহিক রেশন ও পশুখাদ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও তিনি দিয়ে আসেন। মৃত তরুণীর বাবা জানান, তিনি চাষজমিতে গিয়ে কাজ করতে চান। এসডিএম সে অনুমতিও দিয়েছেন। পুলিশ পাহারাতেই তিনি জমিতে যাবেন।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/34a96Tk
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads