চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার, আদালতের শাস্তির মুখে আইনের ছাত্রী https://ift.tt/35aBMuL - MAS News bengali

চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রত্যাহার, আদালতের শাস্তির মুখে আইনের ছাত্রী https://ift.tt/35aBMuL

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্বামী চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন আইন কলেজের ছাত্রী। যাবতীয় অভিযোগই তিনি প্রত্যাহার করে নেন। শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার লখনউয়ের বিশেষ আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে নিজের বক্তব্য নিয়ে ১৮০ ডিগ্রি ডিগবাজি খান ওই তরুণী। স্বামী চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে তিনি যে আদৌ কোনও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ এনেছেন, এটা তিনি মানতেই চাননি। আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ স্পষ্টতই অস্বীকার করায়, রাষ্ট্রপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে তত্‍‌ক্ষণাত্‍ ফৌজদারি কার্যবিধি কোডের (CrPC) ৩৪০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয়। চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ আনায়, বিচারকের কাছে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে পালটা পদক্ষেপ করারও আর্জি জানানো হয়েছে। বিচারক পিকে রাই ছাত্রীর এই আবেদন নথিভুক্ত করার জন্য তাঁর দফতরকে নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে প্রসিকিউশনকে বলেন, আবেদনের একটি করে অনুলিপি ওই ছাত্রী ও অভিযুক্তের হাতে তুলে দিতে। শাহজাহানপুরের আইন কলেজটি চালায় স্বামী চিন্ময়ানন্দের ট্রাস্ট। অভিযোগকারিণী সেই আইন কলেজেরই ছাত্রী। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই এলাহাবাদ হাইকোর্ট চিন্ময়ানন্দকে এই মামলায় জামিন দেয়। এই মামলায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে চিন্ময়ানন্দকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে তিনি জেলেই ছিলেন। আরও পড়ুন: গতবছর ২৩ অগস্ট ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে উত্তরপ্রদেশের ২৩ বছরের ওই তরুণী দাবি করেন, বিজেপির প্রভাবশালী নেতা, প্রাক্তন মন্ত্রী চিন্ময়ানন্দ তাঁকে যৌন নির্যাতন করেছেন। রহস্যজনক ভাবে পরদিন থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে ছাত্রীর পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। শেষ পর্যন্ত রাজস্থানের জয়পুর থেকে খোঁজ মেলে ওই তরুণীর। সে সময় তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে, তরুণী দাবি করেন, চিন্ময়ানন্দের ভয়েই তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। ছাত্রীর আনা অভিযোগের ভিত্তিতে গতবছর ২৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়ানন্দকে। উত্তরপ্রদেশের সহারনপুরের আশ্রম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেন বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর অফিসাররা। আরও পড়ুন: শাহজাহানপুরের আইনের পড়ুয়া ওই তরুণী প্রথমে চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনেন। অভিযোগ করেন শৌচালয়ের গোপন ক্যামেরায় তাঁর নগ্ন ছবি শ্যুট করেছেন চিন্ময়ানন্দ। পরে ব্ল্যাকমেইল করে বিজেপি নেতা তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। প্রাণনাশের হুমকিও দেন। চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে প্রমাণ স্বরূপ মোট ৪৩টি ভিডিয়ো পেন ড্রাইভে করে তদন্তকারীদের কাছে জমা দেন ওই তরুণী। আইন ছাত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে নেমে কলেজের হোস্টেল-সহ চিন্ময়ানন্দের বেডরুমে গিয়েও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। চিন্ময়ানন্দ অবশ্য প্রথম থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। তাঁর পালটা অভিযোগ ছিল, ওই ছাত্রী ও তাঁর বন্ধুবান্ধবরা তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করছিল। ব্ল্যাকমেল করে মোটা টাকা হাতানোর উদ্দেশ্যও ছিল অভিযোগকারিণীর। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from Bangla News: বেঙ্গলি খবর, Latest News in Bengali, Breaking News In Bengali, সর্বশেষ সংবাদ | Eisamay https://ift.tt/3doI6SV
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads