সরবরাহ করা জলে 'মগজখেকো' অ্যামিবা! টেক্সাসে মৃত্যু ছয়ের শিশুর https://ift.tt/2ELbBl4 - MAS News bengali

সরবরাহ করা জলে 'মগজখেকো' অ্যামিবা! টেক্সাসে মৃত্যু ছয়ের শিশুর https://ift.tt/2ELbBl4

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার টেক্সাসের উপকূলীয় কাউন্টিতে সরবরাহ করা জলে মগজখেকো ভয়ংকর অ্যামিবার সন্ধান মেলার পরেই, কাল বিলম্ব না-করে 'বিপর্যয়' ঘোষণা করে দিয়েছেন সেখানকার গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। কিন্তু, তিনি নড়েচড়ে বসার আগেই এক শিশু ভয়ংকর ওই অ্যামিবার শিকার। বছর ছয়েকের ওই শিশুটিকে আণুবীক্ষণিক অ্যামিবার হাত থেকে বাঁচানো যায়নি। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই শিশুটি মারা যায়। বিজ্ঞানসম্মত নাম Naegleria fowleri। খালি চোখে যাকে দেখাই যায় না, সেই এককোষী অ্যামিবার এই প্রজাতি যে এমন ভয়ংকর হতে পারে, অতীতে আমেরিকার সে অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর)-ই ব্রাজোরিয়া কাউন্টিতে বিপর্যয় ঘোষণা করতে বাধ্য হন গভর্নর। হিউস্টন মেট্রোপলিটন অঞ্চলের লেক জ্যাকসন শহরে সরবরাহ করা জলের নমুনা পরীক্ষা করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে প্রশাসনের। এই জলেই বাসা বেঁধেছে প্রাণঘাতী অ্যামিবা। মৃত শিশুটির মা ফেসবুক পোস্ট লিখেছেন, তিনি জানতেও পারেননি তাঁর একরত্তি ছেলের মস্তিষ্কের সংক্রমণের আসল কারণ মগজখেকো অ্যামিবা। আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানাচ্ছে, এই এক-কোষী অ্যামিবা উষ্ণ জলে জন্মায়। মাটিতেও থাকে। নাকের মধ্য দিয়ে মানুষের শরীরে একবার ঢুকলে, সোজা মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। এর সংক্রমণ যদিও খুব কম শোনা যায়। কিন্তু, একবার হলে প্রাণসংশয় দেখা দিতে পারে। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, Naegleria fowleri-র সংক্রমণ বিরল। কিন্তু, মৃত্যুহার ৯৭ শতাংশ। ১৯৬২ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৪৫ জন এই মগজখেকো অ্যামিবায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে মাত্র ৪ জনকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল। মস্তিষ্কের সংক্রমণে ছয়ের শিশুর মৃত্যুর খবর জানার পরেই লেক জ্যাকশন শহরের স্থানীয় প্রশাসনের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। সন্দেহ নিরসনে জলের নমুনা পরীক্ষা করালে, Naegleria fowleri-র উপস্থিতির কথা তারা জানতে পারে। কয়েক দিন আগে ফ্লোরিডার হিলসবোরো কাউন্টির এক অধিবাসীও এই ক্ষতিকর অ্যামিবায় আক্রান্ত হন বলে জানা গিয়েছিল। যার জেরে ফ্লোরিডায় সতর্কতা জারি করতে হয়েছিল। সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই অ্যামিবায় আক্রান্ত হতে দেখা গেলেও ফ্লোরিডার ক্ষেত্রে তা বিরল। সেখানে ১৯৬২ সাল থেকে এ পর্যন্ত এমন ৩৭টি ঘটনা দেখা গিয়েছে। আরও পড়ুন: এই অ্যামিবায় আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, বমির মতো উপসর্গ দেখা যায়। ঘাড় শক্ত হয়ে যায়। এক সপ্তাহের মধ্যে আক্রান্ত মারা যায়। আরও পড়ুন: ১৯৬০ সালে অস্ট্রেলিয়ার একটি হ্রদের জলে প্রথম এই মস্তিষ্কখেকো অ্যামিবার সন্ধান মিলেছিল। দ্রুত কোষ বিভাজন করে অ্যামিবারা। সেজন্য বট ওয়াটার লেক বা উষ্ণ প্রস্রবণগুলোতে এদের দেখা মেলে অনেক বেশি। শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি এলাকায়, দূষিত জলেও দেখা মেলে এদের। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না-করা সুইমিং পুল বা ক্লোরিনেটেড নয় এমন বদ্ধ জলে দ্রুত ছড়ায় অ্যামিবারা। এককোষী হলেও এদের প্রভাব মারাত্মক। মানুষের স্নায়ুকোষকে নিমেষে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এই অ্যামিবারা। এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। ।


from International News in Bengali, আন্তর্জাতিক News, World News Headlines in Bangla https://ift.tt/3n3kHdY
Previous article
Next article

Leave Comments

Post a Comment

ads

Articles Ads 1

ads

Advertisement Ads